× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতা
ঢাকা, ১ নভেম্বর ২০২০, রবিবার

শিনজিয়াংজুড়ে ৩ বছরে হাজারো মসজিদ ধ্বংস

বিশ্বজমিন

মানবজমিন ডেস্ক | ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২০, শুক্রবার, ২:৫৪

চীনের শিনজিয়াংজুড়ে তিন বছরে ক্ষতিগ্রস্থ বা ধ্বংস করা হয়েছে হাজারো মসজিদ। চীনের সাংস্কৃতিক বিপ্লবের (১৯৬৬-১৯৭৭)  পর এমন নজির আর দেখা যায়নি। মুসলিম সংখ্যালঘুদের ওপর চীনা নির্যাতন বিষয়ক এক প্রতিবেদনে এমন তথ্য তুলে ধরেছে অস্ট্রেলিয় থিংকট্যাংক অস্ট্রেলিয়ান স্ট্র্যাটেজিক পলিশি ইন্সটিটিউট (এএসপিআই)। এ খবর দিয়েছে দ্য গার্ডিয়ান।

খবরে বলা হয়, শিনজিয়াংয়ে চীনের বন্দিশিবির এবং সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় স্থাপনা ধ্বংস বিষয়ক এক এএসপিআই’র একটি বিস্তৃত প্রকল্পের মসজিদ ধ্বংসের তথ্য ওঠে এসেছে। আওতায়  স্যাটেলাইটে তোলা ছবি, মাঠ পর্যায়ে অনুসন্ধান থেকে এসব তথ্য বিশ্লেষণ করা হয়েছে।

 এএসপিআই জানায়, চীনা সরকারের দাবি শিনজিয়াংয়ে ২৪ হাজারের বেশি মসজিদ রয়েছে ও তারা সেগুলো রক্ষা করতে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। তবে এএসপিআই’র অনুসন্ধানে দেখা গেছে, অঞ্চলটিতে বিদ্যমান মসজিদের সংখ্যা ১৫ হাজারেরও কম। এগুলোর অর্ধেকও আবার ক্ষতিগ্রস্থ।
থিংকট্যাংকটি তাদের প্রতিবেদনে বলেছে, চীনের সাংস্কৃতিক বিপ্লবের পর এই প্রথম সেখানে মসজিদের সংখ্যা এত কমে এসেছে। সাংস্কৃতিক বিপ্লবের সময় এ সংখ্যা ছিল ৩ হাজারেরও কম।

এএসপিআই জানায়, শিনজিয়াংয়ের দুই-তৃতীয়াংশ মসজিদই ধ্বংস বা ক্ষতির শিকার হয়েছে। অঞ্চলটির সাংস্কৃক্তি স্থাপনাগুলোর ৫০ শতাংশের ক্ষেত্রেই এমনটা দেখা গেছে। থিংকট্যাংকটি জানায়, ২০১৭ সাল থেকে আনুমানিক ৩০ শতাংশ মসজিদ গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। আরো ৩০ শতাংশ মসজিদ অন্যান্যভাবে ক্ষতির শিকার হয়েছে। কিছু মসজিদের মিনার বা ডোম সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। বেশিরভাগ মসজিদের জায়গাই এখন ফাঁকা জমি হয়ে দাঁড়িয়েছে। কিছু মসজিদের জায়গায় নির্মাণ করা হয়েছে রাস্তা, গাড়ি পার্কের জায়গা অথবা ব্যবহৃত হচ্ছে কৃষি জমি হিসেবে।

প্রতিবেদনটিতে আরো বলা হয়, কিছু মসজিদ একেবারে মাটির সঙ্গে মিশিয়ে দেওয়া হয়েছে। আবার কয়েকটি পুনঃনির্মাণ করা হয়েছে আগের চেয়ে কয়েক গুণ ছোট আকারে। রাজধানী উরুমকির মতো যেসব এলাকায় পর্যটকদের আনাগোনা বেশি, সেগুলোয় মসজিদ ধ্বংসের সরকারি রেকর্ড কম। তবে এই এলাকাগুলোয় সফর করে আসারা ব্যক্তিরা জানিয়েছেন, বেশিরভাগ মসজিদের জায়গায়ই এখন ধান চাষ হয় বা অন্যান্য কাজে ব্যবহৃত হয়।

প্রসঙ্গত, শিনজিয়াংয়ে সংখ্যালঘু মুসলিম জনগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে নিপীড়নের অভিযোগ রয়েছে চীনের বিরুদ্ধে। অঞ্চলটিতে বন্দিশিবির নির্মাণ, মুসলিমদের আটকে রাখা, জোরপূর্বক শ্রম আদায়সহ অসংখ্য মানবাধিক লঙ্ঘনের গুরুতর অভিযোগ তুলেছে মানবাধিকার সংগঠনগুলো। তবে চীন এসব অভিযোগ অস্বীকার করে। তাদের দাবি, শিনজিয়াংয়ে চরমপন্থা ও সন্ত্রাসবাদ দমনে পুনঃশিক্ষাকেন্দ্রে মুসলিমদের শিক্ষা দেওয়া হয়।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
Faruque Ahmed
২৮ সেপ্টেম্বর ২০২০, সোমবার, ১১:০৫

আল্লাহ সর্বশক্তিমান। অপেক্ষা কর এবং দেখ. মুসলমানদের বিজয়ের দিনটি, কাফেরের এই জাতীয় ক্রিয়াকলাপ দ্বারা ত্বরান্বিত হয়

Mamun
২৫ সেপ্টেম্বর ২০২০, শুক্রবার, ৭:৫২

চীন ও ভারতের পণ্য ব্যবহার না করার চেষ্টা করি

আরিফ
২৫ সেপ্টেম্বর ২০২০, শুক্রবার, ১১:৪২

চীনা কমিউনিস্টদের এ বর্বরতা থামানো আমাদের সকলের একান্ত কর্তব্য।

md. fazlul alam
২৫ সেপ্টেম্বর ২০২০, শুক্রবার, ৯:৪০

চীন,বার্মা, ভারত, ইস্রাইল, আমেরিকা সব বেদ্বিন রাস্ট্রই সর্বাধুনিক ধর্ম ইসলামকে নীয়ে ষড়জন্ত্রে লিপ্ত।তাই তারা মুসলিমদের অবহেলা অবজ্ঞা,অত্যাচার, নির্যাতন,নিপিড়ন চালিয়ে এই জাতিকে ধ্বংশ করতে চায়। আল্লাহ তুমি মুসলিমদের হেফাজত কর,আমিন।

আব্দুল্লাহ
২৫ সেপ্টেম্বর ২০২০, শুক্রবার, ৮:২১

আমরা আল্লাহর কাছে কি জবাব দিব? আমরাও মুসলিম আর উইঘুর রাও মুসলিম। আল্লাহর ঘর ধ্বংসের বিরুদ্ধে মুসলিম শাসকরা একদম নীরব!

আবুল কাসেম
২৫ সেপ্টেম্বর ২০২০, শুক্রবার, ৭:২৩

চীনের শিংজিয়ান জুড়ে, মিয়ানমারের আরাকানে, ফিলিস্তিনে এবং কাশ্মীরে মুসলমানদের উপর ভয়াবহ যে নির্যাতনের স্টিমরোলার চলছে তাতে বিশ্ব মুসলিমদের হৃদয়ে নিশ্চয়ই রক্তক্ষরণ হচ্ছে। মুসলমান মানেই আজ অবহেলিত, নির্মম নির্যাতনের শিকার এক জনগোষ্ঠীর নাম। প্রভাবশালী মুসলিম দেশগুলো যখন সাম্রাজ্যবাদী শক্তির তাবেদারীতে ব্যস্ত হয়ে পড়েছে তখন অমুসলিম দেশের সংখ্যালঘু মুসলিমদের বর্বরোচিত নির্মম নির্যাতনের শিকার হতে হবে এতে আর বিচিত্র কী ! কিন্তু পৃথিবীতে ন্যায় বিচার বলতে আজ বোধ হয় কিছুই আর অবশিষ্ট নেই। জাতিসংঘ বহাল তবিয়তে দন্ডায়মান। রোহিঙ্গা মুসলিমদের পৈতৃক ভিটেমাটি থেকে উচ্ছেদ করা রোধ করতে জাতিসংঘ ব্যর্থ হয়েছে। কাশ্মীরীদের অধিকার রক্ষায় প্রতিশ্রুত গণভোটের কথা স্মৃতির অতলে চাপা পড়ে গেছে। তা এখন আর কেউ উচ্চারণ করেনা। ইহুদিদের দখল থেকে ফিলিস্তিনীদের ভূমি এবং মুসলমানদের প্রথম কিবলা পবিত্র মাসজিদুল আকসা দখলমুক্ত করতেও জাতিসংঘের ব্যর্থতা সুস্পষ্ট। চীনের সাম্প্রতিক কালের ভয়াবহ নির্যাতনের কাহিনি শুনলে গা শিউরে ওঠে। বিশ্ব মিডিয়ার বদৌলতে এখন চীনের মুসলিম নিধনজজ্ঞের কাহিনি সবার মুখে মুখে। গত ১৯ আগষ্ট ২০২০ তারিখে দৈনিক ইত্তেফাক এক প্রতিবেদনে লিখেছে, "উইঘুরে মসজিদ গুঁড়িয়ে পাবলিক টয়লেট বানালো চীন !" অভিযোগ করা হয়েছে ২০১৬ সাল থেকে ২০১৯ পর্যন্ত ১০ হাজার থেকে ১৫ হাজার মসজিদ গুঁড়িয়ে দিয়েছে চীনা প্রশাসন। মসজিদ গুঁড়িয়ে দিয়ে এসব জায়গায় গণশৌচাগার নির্মাণ করছে চীনা প্রশাসন। এরচেয়ে নিন্দনীয় লোমহর্ষক ঘটনা আর কি হতে পারে ? সব মানুষই এক স্রস্টার সৃষ্টি। মানুষ যেনো কল্যানের পথে চলতে পারে সেজন্যে যুগে যুগে আল্লাহ তায়ালা নবী রাসূল এবং তাদের সাথে আসমানী কিতাব নাজিল করেছেন। যার সর্বশেষ আসমানী কিতাবের সংস্করণ আল কুরআন এবং পথ প্রদর্শক মানবতার মুক্তির দূত রাসূল মুহাম্মদ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম। কালক্রমে মানুষ হেদায়েতের রাস্তা থেকে দূরে সরে যায় এবং আল্লাহর নিকট জবাবদীহিতার দায়িত্ববোধ হারিয়ে ফেলে এবং মানুষের মধ্যে পরাক্রমশালী আল্লাহর ভয়শূন্যতার কারণে মানুষ বেপরোয়া হয়ে পড়েছে। উপাসনালয় , তা যে কোনো ধর্মেরই হোকনা কেনো, হোক তা মসজিদ, মন্দির , গির্জা, কিংবা প্যাগোডা, যা-ই হোকনা কেনো তা ধ্বংস করা একটি নিন্দনীয় ও কাপুরুষোচিত কাজ। কুরআনে বর্ণিত হয়েছে, "আল্লাহ যদি মানব জাতির এক দলকে অন্য দল দ্বারা প্রতিহত না করতেন তাহলে উপাসনালয়, গীর্জা , প্যাগোডা ও মসজিদসমূহ বিধ্বস্ত ও ধ্বংস হয়ে যেতো, যেগুলোতে আল্লাহর নাম অধিক স্মরণ করা হয় , আল্লাহ নিশ্চয়ই তাদের সাহায্য করবেন যারা আল্লাহকে সাহায্য করে। আল্লাহ নিশ্চয়ই শক্তিধর ও মহাপরাক্রমশালী।" সূরা আল হাজ্জ- আয়াত-৪০। মহান আল্লাহ বলেন, "তার চেয়ে অধিক জালেম আর কে হতে পারে, যে আল্লাহর মসজিদে তাঁর নাম স্মরণ করতে বাধা দেয় এবং তার ধ্বংস সাধন করে। বস্তুত এধরনের লোকদের তাতে প্রবেশ করার কোনো অধিকার নেই। তবে একান্ত ভীতসন্ত্রস্ত হয়ে থাকলে ভিন্ন কথা, তাদের জন্য পৃথিবীতে যেমন অপমান ও লাঞ্ছনা রয়েছে এবং আখেরাতে রয়েছে পীড়াদায়ক শাস্তি।" সূরা আল বাক্কারা। আয়াত-১১৪। কোনো উপাসনালয় বা ইবাদাতগাহ ধ্বংস করার অধিকার স্রস্টা কাউকে দেননি। তা যে ধর্মেরই হোকনা কেনো। কিন্তু অর্বাচীন নাস্তিক চীনা শাসকরা মুসলিম নিধন এবং মসজিদ ধ্বংস করতে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ এবং সিদ্ধহস্ত। চীনের চেয়েও বহুগুণ বেশি শক্তিশালী জাতিকে আল্লাহ তায়ালা ধ্বংস করে দিয়েছেন। "এমন অনেক জনপদ আমি ধ্বংস করে দিয়েছি, যার অধিবাসীরা ছিলো জালেম। অতঃপর তা ধ্বংস হয়ে মুখ থুবড়ে পড়ে থাকলো, কতো কূপ পরিত্যক্ত হয়ে পড়লো, কতো সুন্দর নয়নাভিরাম প্রসাদ বিরান হয়ে ধ্বংসস্তুপে পরিনত হয়ে গেলো।" সূরা আল হাজ্জ। আয়াত-৪৫। অতএব দুদিনের দুনিয়ায় অহেতুক দম্ভ অহংকারে মত্ত হয়ে নিরীহ সাধারণ মানুষের উপর অত্যাচার নির্যাতন করা কোনো বুদ্ধিমানের কাজ হতে পারেনা। চীনা নাস্তিক শাসকদের শুভবুদ্ধির উদয় হোক।

Obaid
২৫ সেপ্টেম্বর ২০২০, শুক্রবার, ৮:১৭

Stop China

Abir
২৫ সেপ্টেম্বর ২০২০, শুক্রবার, ৭:২৪

আমেরিকা হলে অন্তত ২০-৩০টা কমেন্ট থাকতো।

তন্ময়
২৫ সেপ্টেম্বর ২০২০, শুক্রবার, ৩:৫২

Why no comments?

Bishnu
২৫ সেপ্টেম্বর ২০২০, শুক্রবার, ৩:৪৮

কোনো মতামত নেই কেন?

অন্যান্য খবর