× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতা
ঢাকা, ২৩ অক্টোবর ২০২০, শুক্রবার
আসকের তথ্য

৮ মাসে ৮৮৯ নারী ধর্ষণের শিকার

অনলাইন

অনলাইন ডেস্ক | ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২০, সোমবার, ১০:২৫

চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে আগস্ট পর্যন্ত দেশের ৮৮৯ জন নারী ধর্ষণের শিকার হয়েছেন। এরমধ্যে ধর্ষণের পর হত্যার শিকার হয়েছে ৪১ জন। সেই হিসেবে চলতি বছর প্রতিমাসে গড়ে ১১১ জন নারী  ধর্ষণের শিকার হয়েছেন। এ  তথ্য জানিয়েছে মানবাধিকার সংগঠন আইন ও সালিশ কেন্দ্রের (আসক)।

সম্প্রতি সংস্থাটির দেয়া এ পরিসংখ্যান থেকে আরও জানা যায়, দেশে ধর্ষণসহ নারীর প্রতি সহিংসতা দিন দিন বাড়ছে। ২০১৯ সালে ১ হাজার ৪১৩ নারী ধর্ষণ এবং ধর্ষণের পর হত্যার শিকার হয়েছেন ৭৬ জন। আর আত্মহত্যা করতে বাধ্য হয়েছেন ১০ নারী। এছাড়া ২০১৮ সালে ৭৩২ জন এবং ২০১৭ সালে ধর্ষণের শিকার হয়েছেন ৮১৮ নারী।


বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অধিকাংশ ঘটনার বিচার হয় না, অপরাধীরা পার পেয়ে যায়। মূলত বিচারহীনতার সংস্কৃতির কারণেই এমন অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা বাড়ছে। এর পাশাপাশি মূল্যবোধ, বিচারকার্যে রাজনৈতিক প্রভাব, নৈতিকতা ও সামাজিক অবক্ষয়ও এর জন্য দায়ী। এছাড়া যৌন বিষয়ক শিক্ষা ও পারিবারিক শিক্ষার অভাব, আকাশ-সংস্কৃতির সর্বগ্রাসী বিস্তার এ ধরনের অপরাধের প্রবণতা বাড়িয়ে দিচ্ছে। রয়েছে প্রযুক্তির অপব্যবহারও।

আসকের আইনি সহায়তাকারী এডভোকেট মাকসুদা আক্তার লাইলী গণমাধ্যমকে জানান, ধর্ষণের ক্ষেত্রে বিচার হয় না। আর বিচার না হলে এমন ঘটনা বাড়বেই। আইনে আছে ১৮০ দিনের মধ্যে বিচার হতে হবে। কিন্তু বাস্তবে বিচার হতে ৮ থেকে ১০ বছর লেগে যায়। বিচারের এ দীর্ঘসূত্রতা তো রয়েছেই, এর সঙ্গে যোগ হয়েছে বিচারকার্যে রাজনৈতিক প্রভাবও। সব মিলিয়ে বিচারহীনতার কারণে বেড়েই চলছে এমন অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
NARUTTAM KUMAR BISHW
২৯ সেপ্টেম্বর ২০২০, মঙ্গলবার, ১২:১৩

শুধু পরিসংখ্যান তৈরী করে বসে থাকলে চলবে না। এগুলো প্রতিহত করার বুদ্ধি দিতে হবে।

Shah Alam- ITP
২৮ সেপ্টেম্বর ২০২০, সোমবার, ১২:৩৩

বিচার বিভাগকে রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত রাখতে না পারলে ধর্ষণ, খুন , চুরি , ডাকাতি, জবরদখল, ঘুষ গ্রহণ চলতেই থাকবে। আসলে সবকিছুর মূলে আমাদের রাজনৈতিকবিদরা দায়ী।

এনায়েত
২৭ সেপ্টেম্বর ২০২০, রবিবার, ১১:২৫

অনেক কে বলতে শুনি , ইতিহাসে কি আছে জানিনা। ১৯৭১ স্বাধীনতা যুদ্ধে ২০০০০০ নারীর সম্ভ্রমহানি হয়েছে। কারা করেছে ? পূর্ব বাংলার রাজাকারদে সহায়তায় কিছু অসাধু পাঞ্জাব সেনারা এই অপকর্ম গুলি করে। যাই হোক আমরা স্বাধীনতা যুদ্ধ দেখিনি , দেখছি বইয়ের পাতার ইতিহাস । এখন আমার বয়স ৪৮ বছর। একখ আমি দিধা ধন্দে আছি কোনটি সত্য । এখন যে হারে নারী নির্যাতন আর নারী ধর্ষণ হচ্ছে , তা হলে স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় করা করেছি সম্ভ্রমহানি ? প্রশ্ন এসে যায় । কারণ আমি আমার চোখে এখন যা দেখছি তার আমি সাক্ষি আর ঐটা ইতিহাস।

হাবিব
২৮ সেপ্টেম্বর ২০২০, সোমবার, ১১:৫২

ধর্ষণে বাংলাদেশ নোভেল পুরস্কার পাওয়ার যোগ্য।

Md. Harun al-Rashid
২৮ সেপ্টেম্বর ২০২০, সোমবার, ১১:২৭

এবার অনুগ্রহ করে দুষ্টের দমনে আইনের কঠোর প্রয়োগ করুন। কত বছর আগে এ রকম কতটা অপরাধ সংঘটিত হয়েছিল সে তুলনায় না গিয়ে প্রশাসন, পুলিশ, বিচার ব্যবস্হাকে যথাযথ ভাবে সক্রিয় করুন। নারীর জীবন ও সম্ভ্রম রক্ষায় আইনের কঠোর প্রয়োগ নিশ্চত করুন। ভিকটিমদের পূর্নবাসন ও নিরাপদ ভবিষ্যৎতের কথা বিবেচনায় নিয়ে আর্থিক নিরাপত্তার জন্য যোগ্যতা মত সরকারি কর্মসংস্হানের ব্যবস্হা করুন।

Fazlu
২৮ সেপ্টেম্বর ২০২০, সোমবার, ১১:০৬

একে ওকে দোষ দিয়ে কি লাভ? সমাজটা আমাদের মর্জি মাফিক চলছে। ছেলেদের হাতে অগাধ অবৈধ টাকা, মাদক, অপরাধ করে নিরাপত্তা, ক্ষমতা সব তুলে দিয়ে তারপর আবোল তাবোল বলে কি লাভ?

সুষমা
২৭ সেপ্টেম্বর ২০২০, রবিবার, ৯:৪৫

আমি মাননীয় সরকার প্রধানের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলতে চাই-সম্মানিত প্রধানমন্ত্রী-আপনারা যত দ্রুত সম্ভব এই নারী নির্যাতন আইন কার্যকর করুন আর যদি সময়ের প্রয়োজনে এটার পরিমার্জন প্রয়োজন হয় তবে তাই করুন।শুধু তাই নয় এটা ঠিকমত কার্যকর হচ্ছে কিনা তা তদারকির ব্যবস্থা করুন।নইলে শেষে কিন্তু আমরা পিছিয়ে পড়ব আর সাথে সাথে পেছাবে আমাদের নারীদের অংশগ্রহণ এই সমাজের এগিয়ে চলার ক্ষেত্রে।শুধু তাই-ই নয় এই পুরো দেশ পড়বে নিরাপত্তার হুমকীর মুখে।পিছিয়ে পড়বে অর্থনীতির চাকাও।

Jahangir
২৭ সেপ্টেম্বর ২০২০, রবিবার, ৯:৪৪

নির্লজ্জ হয়ে যাচ্ছে তরুণরা।

অন্যান্য খবর