× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতা
ঢাকা, ২৩ অক্টোবর ২০২০, শুক্রবার

বাবুনগরীকে হেফাজতের আমীর, মামুনুল হককে মহাসচিব হিসেবে চান সমর্থকরা

অনলাইন

ইব্রাহিম খলিল, চট্টগ্রাম থেকে | ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২০, সোমবার, ৩:২৯

দারুল উলুম মঈনুল ইসলাম হাটহাজারী মাদ্রাসা থেকে আনাস মাদানী ও আল্লামা আহমদ শফীর অব্যাহতিসহ ৬ দফা দাবি নিয়ে আন্দোলনে নামেন ছাত্ররা। আর তারাই এখন হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমীর পদে আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরী ও মহাসচিব পদে আল্লামা মামুনুল হককে দেখতে চান।

এমন দাবি করে তারা দারুল উলুম মঈনুল ইসলাম হাটহাজারী মাদ্রাসার গেটে ব্যানার টাঙিয়েছেন। মাদ্রাসার ফেসবুক পেজেও ওই ব্যানার সম্বলিত স্ট্যাটাস সাঁটিয়েছেন। স্ট্যাটাসটি দিয়েছেন মোহাম্মদ রুবেল নামে মাদ্রাসার এক ছাত্র। স্ট্যাটাসে ব্যানারের ওপরে তিনি লিখেন- চট্টগ্রামে হাটহাজারী মাদ্রাসার তথা হেফাজতে ইসলামের নিয়ন্ত্রণ নিতে মরিয়া সরকার! সরকারের অনুগত আলেম, বুদ্ধিজীবী ও প্রশাসন নানা কুটকৌশলের আশ্রয় নিচ্ছে। আলেম ওলামা ও হেফাজতে ইসলামের নেতাকর্মীদের এ ব্যাপারে সতর্ক থাকার আহ্বান জানাই।
 
এদিকে জানা গেছে, হেফাজতের আমীর কে হবেন মৃত্যুর আগে সেটা ঠিক করে গেছেন আল্লামা আহমদ শফী। তার নির্ধারণ করে যাওয়া নতুন কমিটিতে আল্লামা শফী ও জুনায়েদ বাবুনগরী স্বপদে বহাল থাকলেও সিনিয়র নায়েবে আমীর করেছেন হাটহাজারী মাদ্রাসার সিনিয়র মুহাদ্দিস মাওলানা আহমেদ দিদার কাসেমীকে।
এছাড়া মৃত্যু ও অন্যান্য কারণে কমিটি থেকে বাদ পড়েন অন্তত ৩০ জন। কমিটিতে যুক্ত করা হয় নতুন প্রায় ১৫০ জনকে। কমিটিতে নায়েবে আমীর করা হয়েছে ৪২ জনকে। যুগ্ম মহাসচিব ও সহকারী যুগ্ম-মহাসচিব করা হয়েছে ১৫ জনকে।

এছাড়া সাংগঠনিক ও সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ৮ জন, অর্থ সম্পাদক ও সহকারী অর্থ-সম্পাদক ৮ জন, প্রচার ও সহকারী প্রচার সম্পাদক ১২ জন, আন্তর্জাতিক সম্পাদক ১৩ জন, সমাজ কল্যাণ ও সহ-সমাজ কল্যাণ সম্পাদক ১২ জন, শিক্ষা প্রশিক্ষণ সম্পাদক ৬ জন, আইন বিষয়ক সম্পাদক ও সহ-সম্পাদক ৬জন, শিল্প বিষয়ক সম্পাদক ও সহ-সম্পাদক ৬ জন, তথ্য গবেষণা সম্পাদক ৭ জন, দপ্তর সম্পাদক ও সহ-দপ্তর সম্পাদক ৮ জন, সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক ও সহকারী সম্পাদক ৮ জন, ধর্মবিষয়ক সম্পাদক ও সহ-সম্পাদক ৮ জন, ত্রাণ ও পুনর্বাসন সম্পাদক ও সহ-সম্পাদক ৭ জন এবং কার্যকরী সদস্য করা হয়েছে ২৯ জনকে।

২১১ সদস্য বিশিষ্ট এই নতুন কমিটি ১৩ই আগস্ট অনুমোদন করেন আল্লামা আহমদ শফী। এর আগে গত ৮ই জুলাই আল্লামা শফী ও জুনায়েদ বাবুনগরী এক বিবৃতিতে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার ঘোষণা দেন। কিন্তু আল্লামা শফীর জানাজা ও দাফনের দিন বাদ আসর জরুরি বৈঠকে দ্রুত হেফাজতের সম্মেলন করার ঘোষণা দেন আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরী।

এ নিয়ে পাল্টাপাল্টি দু’পক্ষ তৈরি হয়। একটি হচ্ছে জুনায়েদ বাবুনগরীর অনুসারী। অন্যটি শফীপূত্র আনাস মাদানীর অনুসারী। মাদানীর অনুসারীদের দাবি, আল্লামা শফী নতুন কমিটির অনুমোদন দিয়ে গেছেন। এই কমিটিই বাস্তবায়ন হবে। অন্যদিকে বাবুনগরীর অনুসারীরা এই দাবি প্রত্যাখ্যান করে বলছেন, এক মাসের মধ্যে কাউন্সিল ডেকে হেফাজতের নতুন আমীর নির্বাচন করা হবে। মাদ্রাসার আন্দোলনকারী ছাত্ররাও এ নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় স্ট্যাটাস দিচ্ছে। এরমধ্যে হেফাজতের আমীর পদে বর্তমান মহাসচিব আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরী ও মহাসচিব পদে আল্লামা মামুনুল হককে দেখতে চান- এমন স্ট্যাটাস সাঁটিয়েছেন মাদ্রাসার ফেসবুক পেজে। শুধু তাই নয়, অপর একটি স্ট্যাটাসে আনাস মাদানীসহ আল্লামা শফীর অনুসারী ১৮ আলেমকে মাদ্রাসায় প্রবেশে স্থায়ীভাবে নিষেধের বিজ্ঞপ্তিও দিয়েছেন আন্দোলনকারী ছাত্ররা।

সূত্রমতে, শাপলা চত্বরের মহাসমাবেশ থেকে হেফাজতের প্রয়াত আমীর আল্লামা শফী ও মহাসচিব বাবুনগরীর মধ্যে দুরত্ব সৃষ্টি হয়। এ নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রচুর ভিডিও বার্তা রয়েছে। দেশের গণমাধ্যমেও বিভিন্ন সময়ে প্রতিবেদন প্রকাশ হয়েছে। এরমধ্যে আল্লামা শফী বার্ধক্যজনিত কারনে অসুস্থ হয়ে পড়লে হেফাজতের আমিরসহ মাদ্রসার মোহতামিম কে হবেন তা নিয়ে বিরোধ চরমে পৌঁছে। এ অস্থিরতার মধ্যে জুলাই মাসের শুরুর দিকে মাদ্রাসার সহকারী মহাপরিচালকের পদ থেকে জুনায়েদ বাবুনগরীকে সরিয়ে দেয়া হয়। এরপর থেকেই শফীপূত্র আনাস মাদানীর বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করতে থাকেন বাবুনগরীর অনুসারীরা।

তাদের দাবি, আল্লামা শফীকে ভুল বুঝিয়ে বাবুনগরীকে সহকারী মহাপরিচালকের পদ থেকে সরিয়েছেন আনাস মাদানী। এই দ্বন্দ্বের জেরে গত ১৬ই সেপ্টেম্বর বুধবার জোহরের নামাজের পর মাদ্রাসায় ব্যাপক ছাত্রবিক্ষোভ শুরু হয়। ওইদিন বিক্ষোভের মুখে শুরা মজলিসের জরুরি সভায় আনাস মাদানীকে বহিষ্কার করা হয়। পরদিন বৃহস্পতিবার আহমদ শফী মাদ্রাসার মহাপরিচালকের পদ ছাড়েন। ১৮ই সেপ্টেম্বর শুক্রবার মারা যান তিনি।

আনাস মাদানীর অনুসারীদের দাবি, হেফাজতের মধ্যে ঘাপটি মেরে থাকা চিহ্নিত একটি গোষ্ঠী কূট কৌশলে আনাস মাদানীকে মাদ্রাসা থেকে সরিয়ে দিয়েছে। তার বহিষ্কার অবৈধ। আল্লামা শফীকেও পদত্যাগে বাধ্য করা হয়েছে। এমনকি তার অক্সিজেন মাস্ক খুলে রেখে তাকে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দেয়া হয়েছে। তাদের ভাষ্য, তথাকথিত কাউন্সিল ডেকে মরহুম আহমদ শফিকে হেনস্তাকারীদের নেতৃত্বে আনার চেষ্টা চলছে।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
Dr. Md Abdur Rahman
২৯ সেপ্টেম্বর ২০২০, মঙ্গলবার, ৮:২৭

I can see a divided Hefajat E Islam very soon and ultimate shutdown of the Hathazari Madrasa !!

Ali
২৯ সেপ্টেম্বর ২০২০, মঙ্গলবার, ৩:৩৩

Right, I agree.

মোহাম্মদ ফখর উদ্দীন
২৮ সেপ্টেম্বর ২০২০, সোমবার, ১০:৪৬

আল্লামা বাবুনগরী আমির আল্লামা মামুনুল হক মহাসচিব এটা আমার প্রানের দাবী আমার বিশ্বাস ওনাদের দায়ীত্ব দিলে হেফাজত হেফাজতে থাকবে ইনশাআল্লাহ

মোহাম্মদ ফখর উদ্দীন
২৮ সেপ্টেম্বর ২০২০, সোমবার, ১০:৩৭

আল্লামা বাবুনগরী আমির আল্লামা মামুনুল হক মহাসচিব এটা আমার প্রানের দাবী আমার বিশ্বাস ওনাদের দায়ীত্ব দিলে হেফাজত হেফাজতে থাকবে ইনশাআল্লাহ

মাহবুবুর রহমান
২৮ সেপ্টেম্বর ২০২০, সোমবার, ১০:০৭

আমিও একতম ১০০% সঠিক মতামত আল্লাহতায়ালাকবুলকরুন

nomankhanpurinomankh
২৮ সেপ্টেম্বর ২০২০, সোমবার, ৯:৩১

আনাসের কথায় ভেজাল পরিলক্ষিত হয়েছে। তার প্রমাণ সোস্যাল মিডিয়ায় প্রকাশিত হাটহাজারী মাদরাসার সিনিয়র শিক্ষক মাওঃ আহমেদ দিদার সাহেব এর বক্তব্য। আর আমীর মহাসচিব নির্বাচন করবে কাউন্সিলর।

Sohaib
২৮ সেপ্টেম্বর ২০২০, সোমবার, ৮:৪১

Jara lati niay hoiorer glass o room bangar tandob lilila dekhiaysay.tara kibabay desher andolonnay tandob lila salabana tar garanti k diba.er shiddanto kawonsil dibay.wait and see Jara marhoom ahmod shafi hojorer roomay glass o dorja bangar tandob lila dekhiay nettiter comand manani. tara kemnay j khno dormobirodi andolonay tandob na saliay netrittar comand manbay tar garanti ki.abeg khoob ata insafer mafkati noi.

মোহাম্মদ ফখর উদ্দীন
২৮ সেপ্টেম্বর ২০২০, সোমবার, ৮:২৪

আল্লামা বাবুনগরী আমির আল্লামা মামুনুল হক মহাসচিব এটা আমার প্রানের দাবী আমার বিশ্বাস ওনাদের দায়ীত্ব দিলে হেফাজত হেফাজতে থাকবে ইনশাআল্লাহ

ওমর ফারুক
২৮ সেপ্টেম্বর ২০২০, সোমবার, ৬:২৮

খুব ভাল প্রস্তাব। জাতীর মঙ্গল হবে।

Md Razan Ali
২৮ সেপ্টেম্বর ২০২০, সোমবার, ৬:১৪

১০০% এক মত

Shahid
২৮ সেপ্টেম্বর ২০২০, সোমবার, ৬:৫৩

মৃত্যুর আগে ঠিক করেছেন ”নেতৃত্ব”! অতীতে ইসলামি শাসন ব্যবস্থাকে এভাবে ব্যক্তির চিন্তা, চেতনায় আবদ্ধ রাখা হয়েছিল। সৎ ও যোগ্যদের উপেক্ষিত করে কোন মৃত ব্যক্তির নির্দেশনা মানা জায়েজ কিনা তা ইসলামিকরা খতিয়ে দেখবেন।

ফরিদ আহম্মেদ
২৮ সেপ্টেম্বর ২০২০, সোমবার, ৪:৪২

আমি মনে করি এই দুজন এই পদের গুলার জন্য যোগ্য ব্যক্তি।

sattar
২৮ সেপ্টেম্বর ২০২০, সোমবার, ৫:৪১

এরা যদি এই প্রতিষ্ঠানের শিক্ষা নিয়ে দলাদলি চুলাচুলি করে, তাহলে এই প্রতিষ্ঠানের ব্যর্থতারই প্রমান দেয়।

ফরিদ আহম্মেদ
২৮ সেপ্টেম্বর ২০২০, সোমবার, ৪:৪১

আমি মনে করি এই দুজন এই পদের গুলার জন্য যোগ্য ব্যক্তি।

Md. robiul hossain
২৮ সেপ্টেম্বর ২০২০, সোমবার, ৪:০৪

সময়োপযোগী প্রস্তাব। অবশ্য আনাস মাদানির মতো টাকা খাওয়া ভারতীয় দালাল চক্র তার বিরোধিতা করবে। এটা স্বাভাবিক।

Maqsoud
২৮ সেপ্টেম্বর ২০২০, সোমবার, ৩:২৭

সবচেয়ে উত্তম ও বলিষ্ঠ নেত্রিত্বগুন সম্পন্ন দুজন ব্যক্তিত্ব ওনারা।

Khokon
২৮ সেপ্টেম্বর ২০২০, সোমবার, ৩:২৬

এরা সবাই বিতর্কিত ব্যক্তি, তাই তাঁদের না নিয়ে বিনা বিতর্কিত ব্যাক্তিদের বসান।

ইমাম হোসাইন
২৮ সেপ্টেম্বর ২০২০, সোমবার, ৩:২৪

সুন্দর প্রস্তাব, যদিও দালাল রা মেনে নেবে না।

GULJAR
২৮ সেপ্টেম্বর ২০২০, সোমবার, ৪:১৫

BABUNOGORI ... MAMUNUL HAQ BEST

Enaytullah
২৮ সেপ্টেম্বর ২০২০, সোমবার, ৩:৩৪

খুব ভালো প্রস্তাব।

অন্যান্য খবর