× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতা
ঢাকা, ২৩ অক্টোবর ২০২০, শুক্রবার
দেশে প্রতিদিন যক্ষ্মায় মারা যাচ্ছেন ১০৭ জন!

কোভিড পরিস্থিতিতে যক্ষ্মা শনাক্তকরণই বড় চ্যালেঞ্জ

অনলাইন

স্টাফ রিপোর্টার | ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২০, সোমবার, ৭:০৮

বাংলাদেশে গেলো এক বছরে মোট ২ লাখ ৯২ হাজার ৯৪২ জন যক্ষ্মারোগী শনাক্ত হয়েছে। প্রতি লাখে ২২১ জন নতুন যক্ষ্মারোগী শনাক্ত হন এবং প্রতি লাখে মারা গেছেন ২৪ জন। গ্লোবাল টিবি রিপোর্ট ২০২০-এর তথ্যে এই চিত্র উঠে এসেছে। জাতীয় যক্ষ্মা নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচি (এনটিপি) উপস্থাপনায় বলা হয়েছে, দেশে প্রতিদিন ১০৭ জন করে যক্ষ্মায় মারা যাচ্ছেন! আর প্রতিদিন ২৪৭ জন উধাও। অর্থাৎ শনাক্তের বাইরে থাকছেন।
আজ সোমবার রাজধানীর ব্র্যাক সেন্টারে অনুষ্ঠিত ‘কোভিড প্রেক্ষাপটে যক্ষ্মা নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে এ তথ্য তুলে ধরা হয়। জাতীয় যক্ষ্মা নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচি (এনটিপি), বাংলাদেশ হেলথ রিপোর্টার্স ফোরাম ও বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ব্র্যাক এই গোলটেবিল বৈঠকের আয়োজন করে।
এই প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিশ্বের যে ৩০টি দেশের মধ্যে যক্ষ্মারোগী সর্বাধিক, তার মধ্যে বাংলাদেশ অন্যতম। তবে আশাব্যঞ্জক হচ্ছে, যদি যক্ষ্মারোগী নিয়মিত ও নির্দিষ্ট মেয়াদে ওষুধ সেবন করে তাহলে সবধরণের যক্ষ্মারোগীদের ক্ষেত্রে চিকিৎসার সাফল্যের হার প্রায় ৯৬ শতাংশ। বর্তমান কোভিড পরিস্থিতিতে সাফল্যের এই ধারা অব্যাহত রাখতে হলে যক্ষ্মা আক্রান্ত রোগীদের পরীক্ষা (ঞবংঃ) বাড়ানোর কোন বিকল্প নেই।
এটাই এই সময়ে বড় চ্যালেঞ্জ।  
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল বাসার মোহাম্মদ খুরশীদ আলম বলেন, যক্ষ্মা শনাক্তকরণে জিন এক্সপার্ট মেশিনের সংখ্যা বাড়াতে হবে। এতে তৃণমূল পর্যায়ে এই সংক্রান্ত সেবা আরও জোরদার হবে। জাতীয় যক্ষ্মা নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচির লাইন ডিরেক্টর অধ্যাপক ডা. শামিউল ইসলাম বলেন, যক্ষ্মা শনাক্তরণই আমাদের সামনে বড় চ্যালেঞ্জ। শনাক্তকরণের হার বাড়লেই আমাদের এখন যক্ষ্মায় চিকিৎসার ক্ষেত্রে যে ৯৬ শতাংশ সাফল্য এসেছে, তা অব্যাহত রাখা যাবে। আর তা সম্ভব হয়েছে রোগীদের সচেতনতাবৃদ্ধিতে গণমাধ্যমের সহযোগিতা, সরকারি বেসরকারী পর্যায়ে অংশীদারিত্বেও ভিত্তিতে। ব্র্যাকের কমিউনিকেবল ডিজিজ ও ওয়াশ কর্মসূচির পরিচালক ড. মো. আকরামুল ইসলাম বলেন, কোভিড পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের মানুষ দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়িয়েছে। এটা বেশ আশাব্যঞ্জক। তবে এই পরিস্থিতিতে আমাদের প্রধান কাজ হচ্ছে যক্ষ্মায় আক্রান্ত রোগীদের পরীক্ষা বাড়ানো। সম্ভাব্য রোগীদের সেবা কেন্দ্রে আসার আহবান জানান তিনি। অনুষ্ঠানে বক্তারা, যক্ষ্মা বিষয়ে অনুসন্ধানী ও ইতিবাচক প্রতিবেদন করার জন্য গণমাধ্যম কর্মীদের প্রতি আহবান জানান।
অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ হেলথ রিপোর্টার্স ফোরাম-এর সভাপতি তৌফিক মারুফ-এর সঞ্চালনায় বৈঠকে আরো বক্তব্য রাখেন ব্র্যাকের টিবি কন্ট্রোল প্রোগ্রামের সহযোগী পরিচালক ডা. মাহফুজা রিফাত, এনটিপি বাংলাদেশ অন গ্লোবাল ফান্ড অ্যান্ড এমডিআর টিবি-এর অ্যাডভাইজার ডা. মো. আব্দুল হামিদ সেলিম, ঢাকা মেডিকেল কলেজের শিশু বিশেষজ্ঞ ডা. শাকিল আহমেদ প্রমূখ। বৈঠকে মূল উপস্থাপনা তুলে ধরেন জাতীয় যক্ষ্মা নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচির (এনটিপি) ন্যাশনাল প্রোগ্রাম কোঅর্ডিনেটর ডা. রুপালি শিশির বানু।
 

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর