× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতা
ঢাকা, ২৩ অক্টোবর ২০২০, শুক্রবার

বেসরকারি মেডিকেল ও ডেন্টাল কলেজ আইন’র খসড়ার অনুমোদন

অনলাইন

স্টাফ রিপোর্টার | ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২০, সোমবার, ৭:২৪

৭৫ ভাগ স্থায়ী শিক্ষক রাখার বাধ্যবাধকতা রেখে ‘বেসরকারি মেডিকেল ও ডেন্টাল কলেজ আইন, ২০২০’ এর খসড়ার নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে সরকার। আজ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে ভার্চুয়াল মন্ত্রিসভার বৈঠকে এ অনুমোদন দেয়া হয়। বৈঠক শেষে সচিবালয়ে মন্ত্রীপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, বেসরকারি মেডিকেল ও ডেন্টাল কলেজের প্রত্যেক বিভাগে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীর অনুপাত হবে ১:১০। এসব প্রতিষ্ঠানে কমপক্ষে ৫০ জন শিক্ষার্থী থাকতে হবে। ৭৫ শতাংশ স্থায়ী শিক্ষক থাকতে হবে, ২৫ শতাংশের বেশি খ-কালীন শিক্ষক রাখা যাবে না।
মন্ত্রীপরিষদ সচিব বলেন, বেসরকারি মেডিকেল ও ডেন্টাল কলেজগুলো এতদিন দুটি নীতিমালার অধীনে চলত। নীতিমালা দিয়ে সব কিছু সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা করা যাচ্ছিল না, তাই নতুন আইন করা হচ্ছে। দেশে বর্তমানে ৭০টি বেসরকারি মেডিকেল কলেজ ও ২৬টি ডেন্টাল কলেজ রয়েছে। সরকারি মেডিকেল কলেজ রয়েছে ৩৬টি আর ডেন্টাল কলেজ রয়েছে একটি।
এগুলো একটি নীতিমালার আলোকে চলছে।
রিজার্ভ ফান্ড সম্পর্কে খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, রিজার্ভ ফান্ডে বেসরকারি মেডিকেল কলেজগুলোকে তিন কোটি টাকা এবং ডেন্টাল কলেজগুলোকে দুই কোটি টাকা রাখতে হবে। মেট্রোপলিটন এলাকায় বেসরকারি মেডিকেল কলেজ করতে কমপক্ষে দুই একর জমি এবং অন্য জায়গায় স্থাপন করলে চার একর জমি থাকতে হবে বলে জানান তিনি।
তিনি বলেন, মেডিকেল কলেজে কমপক্ষে ২৫০টি ও ডেন্টালে কমপক্ষে ৫০টি শয্যা থাকতে হবে বলে জানান সচিব। বেসরকারি মেডিকেল কলেজে যতগুলো শয্যা থাকবে তার ১০ ভাগ দরিদ্রদের বিনামূল্যে চিকিৎসার জন্য বরাদ্দ রাখতে হবে। বেসরকারি মেডিকেল কলেজের নিজস্ব ক্যাম্পাস ও  কমপক্ষে ৫০ জন শিক্ষার্থী থাকতে হবে। এই আইন অমান্য করলে দুই বছর কারাদ-, জরিমানা বা উভয় দ- দেয়া যাবে। এ ছাড়া অনুমোদন বাতিল করাও হতে পারে বলে ‘বেসরকারি মেডিকেল ও ডেন্টাল কলেজ আইন, ২০২০’ এর খসড়ায় উল্লেখ করা হয়েছে।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর