× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতা
ঢাকা, ২৩ অক্টোবর ২০২০, শুক্রবার

সিদ্ধিরগঞ্জে স্বামীকে খুঁজতে এসে গণধর্ষণের শিকার গৃহবধূ

অনলাইন

স্টাফ রিপোর্টার, নারায়ণগঞ্জ থেকে | ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২০, সোমবার, ১০:২৩

নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে ছোট বোন ও স্বামীকে খুঁজতে গিয়ে গণধর্ষণের শিকার হয়েছেন এক গৃহবধূ। এসময় ওই গৃহবধূর আড়াই বছর বয়সী শিশু সন্তানকে পাশের একটি কক্ষে আটকে রাখে ধর্ষকরা। এ ঘটনায় সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) স্বামীর বন্ধু ও বন্ধুর সহযোগীর বিরুদ্ধে মামলা করেছেন ধর্ষিতা গৃহবধূ। ঘটনাটি ঘটেছে সিদ্ধিরগঞ্জের মিজমিজি সাহেবপাড়া এলাকায়। মামলার আসামিরা হলেন, গৃহবধূর স্বামীর বন্ধু গাজীপুর সারদাগঞ্জ বারান্ডা এলাকার সামসুল বিশ্বাসের ছেলে মহসিন (৩৫) ও সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া থানাধীন কেশবগঞ্জের বাসিন্দা রমজান (৩২)। মামলা সূত্রে জানা যায়, ধর্ষণের শিকার ওই গৃহবধু মুন্সিগঞ্জের সিরাজদীখান এলাকার বাসিন্দা। তার স্বামী এক মাস পূর্বে তার ছোট বোনকে নিয়ে পালিয়ে যায়। রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) সিদ্ধিরগঞ্জের মিজমিজি সাহেবপাড়া এলাকায় ওই গৃহবধূ তার আড়াই বছর বয়সী শিশু সন্তানকে নিয়ে স্বামীর খোঁজে আসেন।
এসময় স্বামীর বন্ধু মহসিন তাকে সাহেবপাড়া নতুন রাস্তা ১নং রোডস্থ জনৈক জসিমের নবনির্মিত ৪তলা ভবনের নিচতলায় একটি রুমে নিয়ে যায়। সেখানের নেয়ার পর ওই গৃহবধূর শিশু সন্তানকে পাশের একটি কক্ষে আটকে রেখে মহসিন ও রমজান ওই গৃহবধূকে পালাক্রমে ধর্ষণ করে। সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামরুল ফারুক জানান, যে নাম ঠিকানা দেয়া হয়েছে সেটি যাচাই বাছাই চলছে। আসামিদের খুঁজে পাওয়া যাচ্ছেনা। আগে তাদের নাম ঠিকানা নিশ্চিত হয়েই তাদের গ্রেপ্তার করা হবে।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
nazrul
২৯ সেপ্টেম্বর ২০২০, মঙ্গলবার, ১:৪৫

ধর্ষণের ঘটনা ৭১ সালকেও হার মানিয়েছে , ছিঃ , আমরা দিন দিন কি সভ্য হচ্চি নাকি বর্বর হচ্চি , শিয়াল , কুকুর , হায়নার রুপ ধারন করছি

আবুল কাসেম
২৮ সেপ্টেম্বর ২০২০, সোমবার, ৮:২০

অবস্থাদৃষ্টে মনে হচ্ছে, আমাদের দেশে ইদানিং ধর্ষণ মহামারিরূপে আত্মপ্রকাশ করেছে। ধর্ষণ একটি ঘৃণিত, নিন্দনীয় ও শাস্তিযোগ্য অপরাধ। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে ধর্ষণের বিভিন্ন রকম শাস্তি রয়েছে। কোনো দেশে মৃত্যুদণ্ড, কোনো দেশে কারাদণ্ড । কিন্তু শাস্তির আইন করেও কোনো কোনো দেশে ধর্ষণ নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছেনা। আমেরিকা ও ইউরোপে সাবালিকা, নাবালিকা, বৃদ্ধা এমনকি কম বয়সী ছেলেরাও ধর্ষণের শিকার হয়। সেসব দেশেও ধর্ষণ শাস্তিযোগ্য অপরাধ। তবে যেসব দেশে ইসলামের পর্দার বিধান এবং ধর্ষণের শাস্তির বিধান যতো কঠোরভাবে কার্যকর সেসব দেশে ধর্ষণের হার অনেক কম। আমি হলফ করে বলতে পারি ইসলামী পর্দা ও শাস্তির বিধান কঠোর হস্তে প্রয়োগ করলে মুহূর্তের মধ্যেই ম্যাজিকের মতো ধর্ষণ কমে যাবে এবং ধীরে ধীরে শূণ্যের কোটায় নেমে আসতে বাধ্য। এছাড়া বিকল্প কোনো উপায় নেই। স্রস্টা যেমন মানুষ সৃষ্টি করেছেন , তাই তিনিই মানুষের ভালোমন্দ, কল্যান অকল্যান বেশি ভালো বুঝতে সক্ষম। তিনি মানুষের জন্য যে আইন করে দিয়েছেন তার চেয়ে নির্ভরযোগ্য, উত্তম ও নিরপেক্ষ আইন রচনা করা মানুষের পক্ষে অসম্ভব। এক প্লেট মিষ্টি কেউ যদি উন্মুক্ত করে রেখে দিয়ে বলেন, মিষ্টিতে মাছি বসে কেনো, একথা যেমন অযৌক্তিক তেমনি পর্দার বিধান প্রয়োগ বা কার্যকর না করে কেউ যদি ধর্ষণ থামাতে চান সেটাও হাস্যকর। কুরআন ও হাদিসে পর্দার বিধান রয়েছে। আলেম ওলামাদের পরামর্শ নিয়ে পরীক্ষামূলকভাবে তা কার্যকর করে দেখা যেতে পারে। আমার বিশ্বাস ধর্ষণ এতে কমবেই কমবে এবং এছাড়া অন্য কোনো বিকল্প কার্যকর উপায়ও নেই।

Khokon
২৮ সেপ্টেম্বর ২০২০, সোমবার, ১০:৪২

ধর্ষণ আজ সমাজে corona virus এর মত এক মহামারী। রোগের প্রতিকার তিনমাসের মধ্যে স্পিশিয়াল ট্রাইব্যুনালে বিচার করে রোগের ভেদাভেদ অনুযায়ী চিকিৎসা করা। এবং সর্বোচ্চ ক্যাপিটাল পানিশমেন্ট এর ব্যাবস্থা করা।

অন্যান্য খবর