× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতা
ঢাকা, ৩১ অক্টোবর ২০২০, শনিবার

চট্টগ্রামের দুর্ধর্ষ সন্ত্রাসী বিধান বড়ুয়া কারাগারে

বাংলারজমিন

স্টাফ রিপোর্টার, চট্টগ্রাম থেকে | ১ অক্টোবর ২০২০, বৃহস্পতিবার, ৮:১৪

অস্ত্র মামলায় ১৭ বছরের সাজাপ্রাপ্ত চট্টগ্রাম বিভাগের দুর্ধর্ষ সন্ত্রাসী বিধান বড়ুয়াকে কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত। বুধবার দুপুরে ২য় অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ বেগম ফেরদৌস আরার আদালতে আত্মসমর্পণ করেন তিনি। চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের কোর্ট পরিদর্শক সুব্রত ব্যানার্জী এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, অস্ত্র মামলায় বিধান বড়ুয়ারকে ১৭ বছরের কারাদণ্ড দেয় আদালত। এ মামলায় আত্মসমর্পণ করেন তিনি। এরপর আদালতের আদেশে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।
বিধান বড়ুয়া চট্টগ্রামের এক সময়ে সন্ত্রাসের জনপদ রাউজানের পূর্ব গুজরা ইউনিয়নের আঁধারমানিক বড়ুয়া পাড়া গ্রামের বাসিন্দা। উপজেলার সাবেক ছাত্রলীগ নেতা ও পূর্ব গুজরা ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সাবেক চেয়ারম্যান আকতার হোসেন ওরফে রাজুর হাত ধরে তাঁর উত্থান। পরে একটি চুরির অভিযোগে চেয়ারম্যান তাকে শাস্তি দেন।
এ সময় নিজের নামে একটি বাহিনী গড়ে তোলে পুরো রাউজান এলাকা নিয়ন্ত্রণ করতে থাকেন। একপর্যায়ে চট্টগ্রাম জেলা ছাড়িয়ে কুমিল্লা, ফেনী, নোয়াখালী কক্সবাজারসহ তিন পার্বত্য জেলায় সন্ত্রাসীর রাজত্ব কায়েম কওে বিধান বড়ুয়া। ১৯৯৩ সালে প্রথমেই খুন করেন পূর্ব গুজরার ইউপি চেয়ারম্যান ও তাঁর প্রথম রাজনৈতিক গুরু আকতার হোসেনকে।
পরবর্তী এক দশকে তাঁর বাহিনীর হাতে রাউজানে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনগুলোর অন্তত এক ডজনেরও বেশি নেতা-কর্মী নিহত হন। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন মোহাম্মদ মিয়া, মোহাম্মদ নাছিম, কৃষ্ণ দত্ত, ধনা বৈদ্য, ইকবাল, জামিল, মোহরম আলী, সোহেল, লিটন, ইউসুফ মাস্টার, মোহাম্মদ রফিক প্রমুখ।
স্থানীয় একাধিক সূত্র জানায়, বিএনপি জোট সরকারের আমলে ২০০৪ সালে অপারেশন ক্লিনহার্ট শুরু হলে বিধান বড়ুয়া আত্মগোপনে চলে যান। ২০০৮ সালে বিধান বড়ুয়া রাউজান ত্যাগ দুবাই চলে যান। ২০১১ সালে  দেশে ফিরে গ্রেপ্তার হয়ে জেলহাজতে যান তিনি। এরপর জামিনে বেরিয়ে এসে পলাতক ছিলেন।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর