× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতা
ঢাকা, ৩১ অক্টোবর ২০২০, শনিবার

ভারত থেকে আনা পঁচা মাংসের দুর্গন্ধে কাহিল চট্টগ্রাম বন্দর

অনলাইন

স্টাফ রিপোর্টার, চট্টগ্রাম থেকে | ১ অক্টোবর ২০২০, বৃহস্পতিবার, ২:৪২

ভারত থেকে আমদানি করা কনটেইনারভর্তি পঁচা মাংসের দুর্গন্ধে ত্রাহি অবস্থা চট্টগ্রাম বন্দরে। কেউ সেখানে যেতে পারছে না। ফলে বন্দরের কাজকর্ম ব্যাহত হচ্ছে। এ তথ্য জানিয়েছেন সেখানে কর্মরত শ্রমিক-কর্মচারীরা।

বন্দর শ্রমিক ইউনিয়নের প্রচার সম্পাদক আক্কাছ আলী জানান, পঁচা মাংসের দুর্গন্ধে গত ৪-৫ দিন ধরে চট্টগ্রাম বন্দরের ইয়ার্ডে কর্মরত শ্রমিকরা শ্বাস নিতে পারছেন না। তাদের এখন ত্রাহি ত্রাহি অবস্থা। পরিবহণ শ্রমিকরা সেখানে যেতে না চাওয়ায় বন্দরের কাজকর্ম ব্যাহত হচ্ছে।

বন্দর সূত্র জানায়, ঢাকার সিআর দত্ত সড়কে অবস্থিত ইগলু ফুডস লিমিটেড নামের একটি প্রতিষ্ঠান ভারত থেকে এক কনটেইনার মহিষের মাংস আমদানি করে।
কনটেইনারটি ইয়ার্ডে রাখার পরপরই পঁচা দুর্গন্ধ ছড়াতে থাকে।  বিষয়টি বন্দর কর্তৃপক্ষ পরিবেশ অধিদপ্তরের কমর্কর্তাদের অবহিত করে।

পরিবেশ অধিদপ্তর চট্টগ্রাম মহানগরের পরিচালক নুরুল্লাহ নুরী জানান, তাদের কর্মকর্তারা গত ২৭শে সেপ্টেম্বর বন্দরে গিয়ে কনটেইনারে পচে যাওয়া মাংস শনাক্ত করে। মাংস থেকে ছড়ানো দুর্গন্ধে আশপাশের পরিবেশ দূষিত হওয়ার প্রমাণও পায় তারা। এরপর শুনানি শেষে ইগলু ফুডস এবং খালাসের দায়িত্বে থাকা চট্টগ্রামের আগ্রাবাদের সিএন্ডএফ এজেন্ট কর্ণফুলী লিমিটেডকে ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়।

সেই সঙ্গে পরিবেশ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা মহিষের মাংসগুলো খালাসের জন্য তিন দফা নির্দেশনাও দেয়। নির্দেশনাগুলো হচ্ছে- কনটেইনার থেকে পচা মাংস এমনভাবে খালাস করতে হবে যাতে কোনো প্রাণী সেটা খেতে না পারে। পচা মাংস থেকে মাটি, পানি ও বাতাসে যেন দূষণ না ছড়ায় সেই ব্যবস্থা নিতে হবে। এরপর পরিবেশসম্মত উপায়ে কনটেইনারটি পরিষ্কার করতে হবে। তবে ওই নির্দেশনা এখনো বাস্তবায়ন করেনি আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান।

এ বিষয়ে সিএন্ডএফ এজেন্ট কর্ণফুলী লিমিটেডের কর্মকর্তা মাহমুদ ইমাম বলেন, আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান ঈগলু ফুডস পরিবেশ অধিদপ্তরের নির্দেশনা বাস্তবায়নে প্রস্তুতি নিচ্ছে। বন্দরের ইয়ার্ড থেকে শীঘ্রই নিরাপদে কনটেইনারটি সরিয়ে নেয়া হবে।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
Faruque Ahmed
৩ অক্টোবর ২০২০, শনিবার, ৮:৪৬

"ইগলু ফুডস লিমিটেড " why did they need import meat.

হেদায়েত উল্লাহ
১ অক্টোবর ২০২০, বৃহস্পতিবার, ১০:২০

ভারত থেকে আমদানিকৃত গোশতে গন্ধ হতে পারে না। বন্ধু রাষ্ট্র পচা গোশত দিতে পারে না।

Professor Dr.Mohamme
১ অক্টোবর ২০২০, বৃহস্পতিবার, ৭:৪৫

পরিবেশ অধিদপ্তর চট্টগ্রাম মহানগরের পরিচালক নুরুল্লাহ নুরীকে শাধুবাদ জানাই। তবে, ভারত সৃষ্ট দূরগন্ধ আমদানিকৃত পেয়াজেও রয়েছে। করোনার কারনে আমাদের দেশের লাখ গরুর খামারি সর্বস্বান্ত এবং নিঃস্ব হয়েছে। এমতবস্তায়, ভারত থেকে মহিষের গোশতের আমদানি গ্রহনযোগ্য নয়। ইগলু আইস ক্রিম তৈরিতে মহিষের চর্বি বা এ থেকে সৃষ্ট অন্য উপাদান আছে কিনা তা পরিখখা করা জরুরি।

shiblik
১ অক্টোবর ২০২০, বৃহস্পতিবার, ৬:০৫

"মহিষের মাংস" গল্প বিশ্বাস যোগ্য না। এখানে গরুর মাংসের গন্ধ পাওয়া যাচ্ছে। ভারত এবং বাংলাদেশ সরকারের বিষয়টি খতিয়ে দেখা দরকার।

Engr. Amin
১ অক্টোবর ২০২০, বৃহস্পতিবার, ৪:১৭

আমরা জানতে চাই ঈগলু ফুডস এই মহিষের মাংস তাদের কোন প্রোডাক্ট বানাতে ব্যবহার করতো? তাদের কোনো বিফ বা বাফেলো প্রোডাক্ট নাই। মাংসের প্রোডাক্ট যা কিছ আছে সবই চিকেন। তাহলে কি তারা চিকেন এর বদলে বাফেলো মিট ব্যবহার করে? এটা নিয়ে একটা তদন্ত হওয়া উচিত। বাংলাদেশের অন্যান্য কোম্পানীগুলোও কি একই কাজ করছে?

অন্যান্য খবর