× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতা
ঢাকা, ৩১ অক্টোবর ২০২০, শনিবার

শায়েস্তাগঞ্জে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকলেও আদায় করা হচ্ছে বেতন

বাংলারজমিন

শায়েস্তাগঞ্জ (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি | ১ অক্টোবর ২০২০, বৃহস্পতিবার, ৭:৫১

করোনা সংক্রমণের ঝুঁকি কমাতে গত ১৮ই মার্চ থেকে ৩রা অক্টোবর পর্যন্ত দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। কিন্তু কবে নাগাদ খুলবে তার কোনো নিশ্চয়তা মেলেনি এখনো। এই বন্ধের সময়েও শায়েস্তাগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ টিউশন ফি আদায়ে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের নানাভাবে চাপ দিচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
এ বিষয়ে শায়েস্তাগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ের গভর্নিং বডির সভাপতি জামাল উদ্দিন জানান, বেতন আদায়ের বিষয়ে আমাদের কোনো মিটিং হয়নি, তবে প্রধান শিক্ষক আমাকে ফোনে এ ব্যাপারে জানিয়েছেন।
স্কুলের প্রধান শিক্ষক হারুনুর রশীদ জানান, আমি ব্যক্তিগতভাবেই বেতন আদায়ের উদ্যোগ নিয়েছি। আগামী ১০ তারিখে পরীক্ষা নেয়ার ব্যবস্থাও গ্রহণ করেছি। শায়েস্তাগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির ছাত্র তাহমিদ আহমেদের মা রেজিয়া বেগম জানান, আমার স্বামী একজন মানসিক রোগী, তাই তিনি নিজে চাকরি করতেন প্রাণ কোম্পানিতে। করোনার কারণে হারিয়েছেন চাকরি। এরই মধ্যে স্কুল থেকে জানানো হয় ১০ই অক্টোবর সন্তানের পরীক্ষা।
তাই দ্রুত পরিশোধ করতে হবে পরীক্ষার ফি- বেতন। যথারীতি সন্তানকে ১ মাসের বেতন ও পরীক্ষার ফি দিয়ে পাঠান বিদ্যালয়ে।
সন্তান ফিরে গিয়ে জানায়, ক্লাস টিচার গিয়াস উদ্দিন তার টাকা গ্রহণ না করে আগামীকালকে এপ্রিল-অক্টোবর পর্যন্ত ১৪৮০ টাকা নিয়ে যাওয়ার কথা বলছেন। তিনি নিরুপায় হয়ে বেতন মওকুফ করাতে এসে কান্নায় ভেঙে পড়ে বলেন, স্কুল কর্তৃপক্ষ এতো নির্দয় হলে আমরা কার কাছে যাবো?
সহকারী প্রধান শিক্ষক মহিবুর রহমান জানান, শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে টিউশন ফি আদায় না করে শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন দেয়া যাচ্ছে না। অনেকে বেতন মওকুফের আবেদন দিয়েছেন আমি পরবর্তী বোর্ড মিটিং এ বিষয়টা উত্থাপন করবো।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
Faruque Ahmed
৩ অক্টোবর ২০২০, শনিবার, ১০:১৭

I know many teacher in our area. Definitely they are facing tremendous painful situation. Maximum school director is not too rich to pay all teacher, where only source of income is from students monthly payment. Does not the teacher have any family. Does the government paying any ? I am not arguing for the school which have very rich fund. School director should also need some investigation of their students family financial situation. I know many parents also, who buy toy for their son by 500 taka, but do not want to pay school 300 taka. We all should come out from this mentality. 586/5000 আমাদের এলাকার অনেক শিক্ষককে আমি চিনি। অবশ্যই তারা প্রচণ্ড বেদনাদায়ক পরিস্থিতির মুখোমুখি হচ্ছে। সর্বাধিক স্কুল পরিচালক সমস্ত শিক্ষককে অর্থ প্রদানের জন্য খুব সমৃদ্ধ নন, যার আয়ের উত্স হ'ল শিক্ষার্থীদের অর্থ প্রদানের দ্বারা। শিক্ষকের কোনও পরিবার নেই। সরকার কি কোনও টাকা দিচ্ছে? আমি যে স্কুলে খুব সমৃদ্ধ তহবিল রয়েছে তার পক্ষে যুক্তি দিচ্ছি না। স্কুল পরিচালকের তাদের ছাত্রদের পরিবারের আর্থিক পরিস্থিতি সম্পর্কে কিছু তদন্ত প্রয়োজন। আমি অনেক অভিভাবককেও জানি, যারা তাদের ছেলের জন্য খেলনা 500 টাকা দিয়ে কিনে, তবে স্কুল 300 টাকা দিতে চায় না , আমাদের সকলকে এই মানসিকতা থেকে বেরিয়ে আসা উচিত।

Faruque Ahmed
৩ অক্টোবর ২০২০, শনিবার, ১০:১৭

I know many teacher in our area. Definitely they are facing tremendous painful situation. Maximum school director is not too rich to pay all teacher, where only source of income is from students monthly payment. Does not the teacher have any family. Does the government paying any ? I am not arguing for the school which have very rich fund. School director should also need some investigation of their students family financial situation. I know many parents also, who buy toy for their son by 500 taka, but do not want to pay school 300 taka. We all should come out from this mentality. 586/5000 আমাদের এলাকার অনেক শিক্ষককে আমি চিনি। অবশ্যই তারা প্রচণ্ড বেদনাদায়ক পরিস্থিতির মুখোমুখি হচ্ছে। সর্বাধিক স্কুল পরিচালক সমস্ত শিক্ষককে অর্থ প্রদানের জন্য খুব সমৃদ্ধ নন, যার আয়ের উত্স হ'ল শিক্ষার্থীদের অর্থ প্রদানের দ্বারা। শিক্ষকের কোনও পরিবার নেই। সরকার কি কোনও টাকা দিচ্ছে? আমি যে স্কুলে খুব সমৃদ্ধ তহবিল রয়েছে তার পক্ষে যুক্তি দিচ্ছি না। স্কুল পরিচালকের তাদের ছাত্রদের পরিবারের আর্থিক পরিস্থিতি সম্পর্কে কিছু তদন্ত প্রয়োজন। আমি অনেক অভিভাবককেও জানি, যারা তাদের ছেলের জন্য খেলনা 500 টাকা দিয়ে কিনে, তবে স্কুল 300 টাকা দিতে চায় না , আমাদের সকলকে এই মানসিকতা থেকে বেরিয়ে আসা উচিত।

Faruque Ahmed
৩ অক্টোবর ২০২০, শনিবার, ১০:১৭

I know many teacher in our area. Definitely they are facing tremendous painful situation. Maximum school director is not too rich to pay all teacher, where only source of income is from students monthly payment. Does not the teacher have any family. Does the government paying any ? I am not arguing for the school which have very rich fund. School director should also need some investigation of their students family financial situation. I know many parents also, who buy toy for their son by 500 taka, but do not want to pay school 300 taka. We all should come out from this mentality. 586/5000 আমাদের এলাকার অনেক শিক্ষককে আমি চিনি। অবশ্যই তারা প্রচণ্ড বেদনাদায়ক পরিস্থিতির মুখোমুখি হচ্ছে। সর্বাধিক স্কুল পরিচালক সমস্ত শিক্ষককে অর্থ প্রদানের জন্য খুব সমৃদ্ধ নন, যার আয়ের উত্স হ'ল শিক্ষার্থীদের অর্থ প্রদানের দ্বারা। শিক্ষকের কোনও পরিবার নেই। সরকার কি কোনও টাকা দিচ্ছে? আমি যে স্কুলে খুব সমৃদ্ধ তহবিল রয়েছে তার পক্ষে যুক্তি দিচ্ছি না। স্কুল পরিচালকের তাদের ছাত্রদের পরিবারের আর্থিক পরিস্থিতি সম্পর্কে কিছু তদন্ত প্রয়োজন। আমি অনেক অভিভাবককেও জানি, যারা তাদের ছেলের জন্য খেলনা 500 টাকা দিয়ে কিনে, তবে স্কুল 300 টাকা দিতে চায় না , আমাদের সকলকে এই মানসিকতা থেকে বেরিয়ে আসা উচিত।

অন্যান্য খবর