× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতা
ঢাকা, ৩০ নভেম্বর ২০২০, সোমবার

ধর্ষণ বিরোধী মানবন্ধনে তিতুমীর কলেজ ছাত্রলীগের হামলার অভিযোগ

শিক্ষাঙ্গন

স্টাফ রিপোর্টার | ৬ অক্টোবর ২০২০, মঙ্গলবার, ৮:৩০

মহামারি করোনার মধ্যেও পাল্লা দিয়ে বাড়ছে ধর্ষণ। দেশে চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বরের মধ্যকার নয় মাসে প্রতিদিন গড়ে তিনটির বেশি ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। আর সেপ্টেম্বরে এ সংখ্য বাড়ছে পাল্লা দিয়ে। এ পরিস্থিতে ধর্ষকদের বিচার চেয়ে এবং প্রশাসনকে আরো দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের জন্য দেশের বিভিন্নস্থানে মানববন্ধন ও কর্মসূচি পালন করেছে ছাত্র সংগঠন এবং সাধারণ জনগণ। কিন্তু মঙ্গলবার অধিকার পরিষদের আয়োজিত এক মানববন্ধনে হামলার অভিযোগ উঠেছে ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে। যদিও ছাত্রলীগ সে অভিযোগ অস্বীকার করেছে।

মানবন্ধনে থাকা শিক্ষার্থীরা জানান- সারাদেশে যেভাবে ধর্ষণ শুরু হয়েছে তাতে মেয়েদের নিরাপত্তা নিয়ে আমরা ভীত। নোয়াখালীর বেগমগঞ্জের ঘটনা ভাইরাল হওয়ার কারণে সবার সামনে এসেছে, কিন্তু প্রতিনিয়ত আমাদের এমন অনেক মা-বোন ধর্ষণের শিকার হচ্ছে। তারই প্রতিবাদে আজ আমরা মানববন্ধনে এসে দাঁড়িয়েছি।

এ বিষয়ে তিতুমীর কলেজ শাখা ছাত্র অধিকার পরিষদের যুগ্ন আহ্বায়ক সোহেল মৃধা বলেন, আমাদের ডেকে নিয়ে পুলিশ এবং ছাত্রলীগের সভাপতি মো: রিপন মিয়া এবং সাধারণ সম্পাদক মাহমুদুল হক জুয়েল মোড়লের সামনে ছাত্রলীগের ছেলেরা হামলা করেছেন।
তারা আমাদের মানববন্ধন শেষ করার জন্য সময় বেধে দেয় এবং হুমকী-দামকি দেয়। আমরা সাধারণ শিক্ষার্থীদের সাথে মিলে শান্তভাবে মানবন্ধন করেছিলাম। আমাদের পুলিশের ধরিয়ে দেয়ারও হুমকি দেয় তিতুমীর কলেজ শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক।

জানতে চাইলে তিতুমীর কলেজ শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি মো: রিপন মিয়া বলেন, আমরা কাউকে কোনো ধরনের হুমকি ধামকি দেইনি বা কারো ওপর হামলাও চালাইনি। আমাদের নামে গুজব ছড়ানো হচ্ছে। একটা সরকার বিরোধী চক্র দেশে অস্থিতিশীল অবস্থা তৈরির চেষ্টা করে যাচ্ছে। আমরা কারো ওপর হামলা করিনি। প্রয়োজনে সিসিটিভি ফুটেজ চেক করে দেখতে পারেন আপনারা। তারা যা বলেছে তা পুরোটাই গুজব।

সাধারণ সম্পাদক মাহমুদুল হক জুয়েল মোড়ল বলেন, আমরা ধর্ষণের মতো নিন্দনীয় ঘটনার প্রতিবাদ করি। আমরা কোনো অবস্থাতেই এ ধরনের ঘটনার সমর্থন করিনি। তবে, তাদের ওপর আমরা হামলাও চালাইনি। কোনো ধরনের হামলা চালায়নি ছাত্রলীগ।

তিতুমীর কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মো. আশরাফ হোসেন বলেন, ঘটনাটা শুনেছি। তবে, কতোটুকু সত্য জানিনা।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
shiblik
৬ অক্টোবর ২০২০, মঙ্গলবার, ৯:৫৭

ধর্ষণের প্রতিবাদে মানববন্ধনে নিশ্চয়ই বিএনপি-জামাতের হাত আছে নয়তো কেন ____লীগ হামলা করতে যাবে?

আবুল কাসেম
৬ অক্টোবর ২০২০, মঙ্গলবার, ৮:২২

এইতো সরকার বিরোধী তকমা লাগিয়ে দেয়া হলো। এবার কার বুকের পাটা কতোটা বড়ো, ধর্ষণের প্রতিবাদে মানববন্ধন করবে, মিছিল করবে। হেলমেট নাজিল হতে পারে। অতএব যার যার ঘরের কপাট আটকান চুপচাপ ঘরে বসে থাকেন। কে ধর্ষিতা হয়েছে তা নিয়ে মাথা ঘামাবার দরকার নেই। প্রশাসন তো দেখভাল করার জন্য আছেই। কিন্তু নিন্দুকেরা বলে, ঘটনা ঘটার পরে বুঝলাম ধর্ষকের শাস্তি হবে, ধর্ষিতার ইজ্জত, সম্ভ্রম ও সামাজিক মর্যাদার ক্ষতিপূরণ কীভাবে শোধ করবেন ? পরিবারের সদস্যদের সামনে একই ছাদের নিচে কীভাবে সে মুখ দেখাবে ? তার মনের কালো দাগ, দগদগে ক্ষত কোন মলম দিয়ে সারাবেন ? ধর্ষিতার ছেলে মেয়েদের যখন মনে পড়বে, তারা একজন ধর্ষিতার সন্তান, তখন তাদের মানসিক যন্ত্রণা কী দিয়ে প্রশমিত করবেন ? ধর্ষিতার স্বামীও কী স্বস্তিতে ঘর সংসার করে যেতে পারবে ? আর ধর্ষিতার বাবা মা ও আত্মীয় স্বজনের মনের কষ্ট কী দিয়ে ঘুচাবেন ? তাহলে ধর্ষণ না হওয়ার ব্যবস্থা আগে থেকেই নয়া যায়না ? আগেই ঘোষণা করে দিন, অমুক দলে কোনো ধর্ষক থাকলে বেরিয়ে যাও। ধর্ষক, চাঁদাবাজ, টেন্ডারবাজ, দখলবাজ, ত্রাণচোর, রিলিফ চোর , সকল প্রকার অনৈতিক কাজের সাথে জড়িত কারো এদলে স্থান নেই। মজলুমের আর্তনাদে আল্লাহর আরশ কাঁপানো কারো এদলে দরকার নেই। এদলে যারা থাকবে তারা হবে চরিত্রবান, অমায়িক ব্যবহারের অধিকারী, নির্লোভ, নিরহংকার, পরোপকারী এবং জনগণ তাদের কল্যানকামি হয়ে দোয়া করবে, পরিনামে আল্লাহর রহমত নাজিল হবে। সমাজ সংসার সুখে শান্তিতে ভরে উঠবে। নারীরা একাকী নির্ভয়ে পথ চলবে। এমন চরিত্র গঠন করা বা অর্জন করা কী অসম্ভব ? দল থাকবে মানুষের কল্যানের জন্য। অন্যথায় দরকার নেই কোনো দলের। আজকের ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে মানুষের ঘৃণা দেখে সত্যিই হতাশ হয়ে পড়েছি। মনে হচ্ছে ছাত্রলীগের পতাকা তলে নিজের কৈশোর , যৌবন বৃথাই গেলো। হায়, সেই ষাটের দশক ! শিক্ষা শান্তি প্রগতি - ছাত্রলীগের মূলনীতি, এই শ্লোগানে রাজপথ কাঁপিয়েছিলাম কী আজকের ছাত্রলীগের এই অবক্ষয় দেখার জন্য ? এখনো সময় আছে মানুষের মনের মাঝে ঠাঁই করে নিতে হবে। তবেই স্বার্থক হবে, শিক্ষা শান্তি প্রগতি - ছাত্রলীগের মূলনীতি শ্লোগান।

অন্যান্য খবর