× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজানস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীসেরা চিঠি
ঢাকা, ১৭ অক্টোবর ২০২১, রবিবার , ২ কার্তিক ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ৯ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩ হিঃ

নিরাপত্তা কোথায়?

ষোলো আনা

শারমিন নিশু
১৬ অক্টোবর ২০২০, শুক্রবার
সর্বশেষ আপডেট: ৬:০০ পূর্বাহ্ন
ছবি: জীবন আহমেদ

চারদিকে ধর্ষণের খবর। ফেসবুক ওয়ালে ভেসে উঠছে বীভৎস সব নির্যাতনের ঘটনা। আবার দেখছি ধর্ষণবিরোধী আন্দোলন। আলোচিত একটি ঘটনার বিচারের আগেই নতুন ঘটনার জন্ম। এসবের শেষ কোথায়?
মধ্যযুগে বর্বর আমলে নারীরা শুধুই ভোগ্য ছিল। কন্যাসন্তান জন্ম নিলে জীবন্ত মাটিচাপা দেয়া হতো। এখন আধুনিক যুগ। নারীরা নিজেদের সম্মান আদায়ে সোচ্চার।
সমাজের প্রতিটা ধাপে নিজেকে প্রমাণ করে সাফল্য-সম্মান সবই জয় করেছে। এমন কোনো অধ্যায় বাকি নেই যেখানে নারী পদার্পণ করেননি। নিজের যোগ্যতা প্রমাণ করে তার প্রাপ্য সম্মান নারী পেয়েছে। একইসঙ্গে পেয়েছে সম্মান হারানোর ভয়, উৎকণ্ঠা।
প্রগতিশীল এই যুগেও নারীরা পারেনা নিজেদের সম্মান আর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে। আমাদের সমাজ পুরুষের অধীনের জায়গাটাকেই নারীদের জন্য একমাত্র নিরাপদ বলে ঘোষণা করে দিয়েছে। সে হয় বাবা না হয় ভাই অথবা স্বামী। আবার সহসাই দেখছি বাতির নিচে অন্ধকার।
অবিবাহিত মেয়েদের জন্য এ সমাজ যেন আরো বেশি ভয়ঙ্কর। বিয়ে দিয়ে সব থেকে নিরাপদ ট্যাগ লাগানোর চিন্তা করছেন বাবা-মায়েরা। যুগের পর যুগ ধরে এত প্রতিবাদ, সংগ্রামের পরও এই একবিংশ শতাব্দীতে এসে আজ দেয়ালে দেয়ালে, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোর পাতায় পাতায় খবর- ধর্ষণ ধর্ষণ ধর্ষণ! অথচ আমরা অধিকাংশ মেয়েরাই সমাজের সীমারেখা টেনে দেয়া এই কথাগুলো মেনে চলি।
সন্ধ্যার পর বাইরে থাকা যাবে না। একা একা কোথাও যাওয়া যাবে না, যাচ্ছেতাই পোশাক পরা যাবে না। বন্ধুদের সঙ্গে ঘুরতে যাওয়া যাবে না। কারণ কোথাও নিরাপদ নয় নারী।
আজ ঘরেও নিরাপদ নয় কন্যা। মায়ের আঁচল তলেও নিরাপদ নয়। বাবা, ভাই, স্বামী সন্তান সমাজ কেউ নিরাপত্তা দিতে পারছে না।
আসলে নিরাপত্তা কোথায়?

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
ওবাইদুল ইসলাম
৯ মার্চ ২০২১, মঙ্গলবার, ৫:৩৬

নারীর জন্য সামাজিক নিরাপত্তার ব্যাবস্থা না করে রাজনৈতিক নেতারা শুধু রাজনীতি করছে । সামাজিক ও ধর্মীও নেতারাও তাঁদের অযোগ্যতা ঢেকে রাখতে পারছে না । শিক্ষা ব্যাবস্থাতে পরিবর্তন না আনলে নারীর প্রতি সহিংসতা কমবে না । সমাজে পুরুষদের প্রতিও নারীর সহিংসতা এখন ঢাক গুর ঢাক গুর । ধর্ষনের কারনগুলি এখনও চিহ্নিত করা যায় নি। এটা সকলেরই ব্যার্থতা।

ওবাইদুল ইসলাম
২৬ অক্টোবর ২০২০, সোমবার, ৬:০০

যারা বহিঃশত্রুর আক্রমন থেকে দেশকে রক্ষা করার দায়িত্বে, সেই বাহিনীগুলির কর্মকর্তারাই যেই দেশে নিরাপদ নয় সেই দেশে আর কে নিরাপদ ?

অন্যান্য খবর