× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতা
ঢাকা, ২৬ নভেম্বর ২০২০, বৃহস্পতিবার

ধর্ষণ পাশবিক কর্ম, তবে মৃত্যুদণ্ড সমাধান নয়: জাতিসংঘের মানবাধিকার প্রধান

বিশ্বজমিন

মানবজমিন ডেস্ক | ১৬ অক্টোবর ২০২০, শুক্রবার, ২:৫৮

জাতিসংঘ মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনার মিশেল ব্যাচলেট বলেছেন, বৃহস্পতিবার বাংলাদেশে যেমন ধর্ষণকারীকে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করা হয়েছে, তেমন শাস্তি এমনকি এ ধরনের জঘন্য অপরাধের জন্যও উপযুক্ত নয়।

যারা এই ধরনের জঘন্য কাজ করে তাদের কঠোর শাস্তি দেয়া যেতে পারে এমন ভাবনায় প্ররোচিত হয়ে, আমাদের নিজেদের অবশ্যই আরও সহিংস হওয়া উচিত নয়, তিনি আজ এক বিবৃতিতে বলেন।

তিনি বলেন, সম্প্রতি আলজেরিয়া, বাংলাদেশ, ভারত, মরক্কো, নাইজেরিয়া, পাকিস্তান ও তিউনিসিয়াসহ বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে ধর্ষণের অসংখ্য রিপোর্টের পরিপ্রেক্ষিতে মানুষ যথাযথভাবে ক্ষোভপ্রকাশ করেছেন। যৌন নিপীড়ন রোধের প্রতিকার এবং বিচারের দাবি জানিয়েছেন। তাদের ন্যায়বিচারের দাবির সঙ্গে আমিও একাত্মতা প্রকাশ করছি। তবে আমি উদ্বিগ্ন যে, কিছু জায়গায় এরইমধ্যে নিষ্ঠুর-অমানবিক শাস্তি এবং অপরাধীদের মৃত্যদণ্ড কার্যকরে আইন গৃহীত হয়েছে।

নারী নির্যাতন ও ধর্ষণ প্রতিরোধে নাইজেরিয়ার আইন সংশোধন করা হয়েছে। বাংলাদেশে রাষ্ট্রপতি ধর্ষণের জন্য মৃত্যুদণ্ড প্রবর্তনে মহিলা ও শিশু নির্যাতন (প্রতিরোধ) আইন সংশোধন করে একটি অধ্যাদেশ জারি করেছেন। পাকিস্তানের জনসাধারণ ফাঁসির আহ্বান জানিয়েছে। আরও অনেক দেশজুড়ে মৃত্যুদণ্ডের আবেদন জানানো হয়েছে। মৃত্যুদণ্ডের মূল যুক্তিটি হলো ধর্ষণরোধ করা।
তবে বাস্তবে এমন কোনও প্রমাণ পাওয়া যায়নি যে, অপরাধ দমনে মৃত্যুদণ্ড অন্য যেকোনো ধরণের শাস্তির চেয়ে বেশি কার্যকর।

বিশ্বের বেশিরভাগ দেশগুলোর মূল সমস্যা হল যৌন সহিংসতার শিকার ব্যক্তি ন্যায়বিচার পায় না।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
SJ
১৮ অক্টোবর ২০২০, রবিবার, ২:২৭

মুখস্ত কথায় উপকার কম । যাহাতে লাভ বেশী ভাবা হয় তাহাতে ক্ষতিও কম নয় । মনে রাখতে হবে দেশটা বাংলাদেশ ।শেখ মুজিব বলেছিলেন বাংলাদেশে মামলা শুরু হয় মিথ্যা দিয়ে, শেষ ও হয় মিথ্যা দিয়ে । মিথ্যা মামালা ঠেকানোর উপায় কি ??মনেরাখুন সকলে ঐ মৃত্যু দণ্ডের আইনের পাশাপাশি মামালা মিথ্যা প্রমানিত হলে বাদিকে ৩-৬ বছরের কারাদণ্ডের বিদ্বান না রাখলে ৭০% মামালা হবে স্বার্থ সিদ্দির জন্য সাথে থাকবে মামালা বাণিজ্য ।।

Engr.Sofique
১৬ অক্টোবর ২০২০, শুক্রবার, ১১:৩১

আপনার জানানো উচিৎ কি করলে সমাধান!না হলে এরকম পদে থেকে অসার কথা বলা শোভনীয় নয়।

Abdul Hannan
১৬ অক্টোবর ২০২০, শুক্রবার, ৮:৫১

সরি ম্যাডাম! আপনার দেশ নিয়ে ভাবুন। আমাদের মানবতা শিখাতে আসবেন না। আমরা মেহমানদারি পছন্দ করি। মেহমান হয়ে আসলে বা মেহমান হতে চাইলে আমাদের আপত্তি নেই। কিন্তু আমাদের অভ্যন্তরিন বিষয়ে নাক না গলালেই আপনাদের সম্মান বেশি থাকবে। আর হ্যাঁ আপনার দেশে ১০ মিনিট বিদ্যুৎ না থাকলে যে হারে নারীর শ্লীলতাহনী হয়ে তার বিরুদ্ধে কথা বলুন। আসলে এদের কাছে মানুষ হত্যা, লুন্ঠন, ধর্ষণ এগুলো কোন বিষয়ই না। এ পৃথিবীতে যত মানুষ নিহত হয়েছে যত মা বোন ধর্ষণের শিকার হয়েছে তার প্রায় ৯০/৯৫ ভাগ তাদের হাতেই হয়েছে। মূল বিষয় হলো ইসলাম বা ইসলামী আইন। ইসলামী আইনে ধর্ষণ, যেনা ব্যভিচার এধরণের অপরাধ বিচারিক আদালতে প্রমাণিত হলে শাস্তি হলো দৃষ্টান্তমূলক মৃত্যু দন্ড। বর্তমানে বাংলাদেশে যে আইন পাশ হলো তা কেবল ধর্ষণের শাস্তি মৃত্যু দন্ড। যেনা বা ব্যভিচারের জন্য শাস্তি নয়। তারপরও তাদের গাত্রদাহ। ধন্যবাদ! বাংলাদেশেরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে, যিনি শত প্রতিকুলতার মাঝে এ সাহসি পদক্ষেপ নিয়েছেন।

Citizen
১৬ অক্টোবর ২০২০, শুক্রবার, ৫:৫৮

Such critical issues will be worsen further if unelected government remains in power and Sheikh Hasina is the CEO of the country.

আনিস উল হক
১৬ অক্টোবর ২০২০, শুক্রবার, ৪:০৪

আমাদের দেশে চালু পেনালকোডটি দেড়শত বছর আগে ব্রিটিশদের বানানো।তাদের রচিত ধর্ষন খুন সহ সব অপরাধের সংজ্ঞা দিয়েই আমাদের দেশে ফৌজদারী মামলার বিচার চলছে।ব্রিটিশদের বানানো আইনে ধর্ষনের সাজা মৃত‍্যুদণ্ড ছিল না যা এখন করা হোল।তাদের আইনে খূনের সর্বোচ্চ সাজা মৃত‍্যদণ্ড। তাদের সময় থেকে এখন পর্যন্ত যা কার্যকর হচ্ছে।দেশে খুন কি কমেছে? বাংলাদেশে প্রতিহিংসার করণে বা কোনো প্রতিশোধ নেয়া বা কাউকে বিপদে ফেলার জন‍্য অসংখ্য মিথ‍্যা মামলা করা হচ্ছে।ধর্ষন মামলা যার মধ‍্যে অন‍্যতম। করো বিরুদ্ধে মিথ‍্যা ধর্ষন মামলা দিয়ে তার ভিটায় সহজেই ঘুঘু চড়ানো যায়।দেখা যায় মেয়ের প্রেম বাবা মেনে নিচ্ছেন না।মেয়ে তার প্রেমিকের সাথে উধাও হোল।মেয়ের বাবা ছেলের পুরো পরিবারের বিরুদ্ধে অপহরণ মামলা ঠুকে দিল।ছেলেকে মূল আসামি আর পরিবারের সবাইকে সহায়তাকারী দেখানো হোল।পরিবারের সর্বজেষ্ঠ লোকটিকে করা হোল নির্দেশদাতা।যেহেতু অপহরণ করা আমলযোগ‍্য অপরাধ তাই মামলাটি থানা কে এফ আই আর হিসেবে রেকর্ড করতেই হবে।রেকর্ড করার পর স্বয়ংক্রিয়ভাবেতাদের আসামি গ্রেফতার করে আদালতে পাঠাতে হবে।ক'মাস দিন বা বছর পরে যখন মেয়ে সহ ছেলেটি আটক হবে তখন মেয়েটিকে পুলিশ ম‍্যাজিষ্ট্রেটের কাছে জবানবন্দি দেয়ার জন‍্য নিয়ে যাবে।মেয়ে তখন আবার তার বাবা ভাইদের পক্ষ নেয়। ডাক্তারি পরীক্ষায় মেয়ের শরীরে হাইমেন পাওয়া যায়না।ডাক্তার সাহেব রিপোর্টে লিখেন ভিকটিমের শরীরে কোন ভায়োলেন্সের চিহ্ন নেই ও শরীরে সাম্প্রতিকসময়ের কোন ফোর্সফুল ইন্টারকোর্সের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। এখানে কি ধর্ষণ বলতে যা বুঝায় তা কি ঘটেছে?অধিকাংশ ধর্ষণের মামলার কা হিনি এরকমই।নারী ও শিনির্যাতন আইনের বেশিরভাগ মামলাই এধরণের।সে কারনেই বিচারে এ মামলাগুলো প্রমাণিত হয়না।ধর্ষণ বেড়ে গেল কেন সে করণটি খুঁজতে হবে।আমাদের পুরো জাতিরই আসলে মনোজগৎ বিকল হয়ে গেছে।তারও চিকিৎসা প্রয়োজন।

Elias Bin Najem
১৬ অক্টোবর ২০২০, শুক্রবার, ৩:৫৬

দুঃখিত ম্যাডাম! আপনারা আমাদের সবক দিতে হবেনা; গোটা পৃথিবীতে আপনাদের সাপোর্টে আমেরিকার হাতে যেভাবে মানবতা ধ্বংস হচ্ছে তা কারো অজানা নয়।

সুষমা
১৬ অক্টোবর ২০২০, শুক্রবার, ২:৩০

Oil in your own machine.you have lots of problem.it is the best way to look into these problem and fight against these.this is our country and we want to walk with our own ways.plz leave us.

অন্যান্য খবর