× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতা
ঢাকা, ২৬ নভেম্বর ২০২০, বৃহস্পতিবার

কিশোর গ্যাংকে নজরদারিতে রাখার নির্দেশ ডিএমপি কমিশনারের

শেষের পাতা

স্টাফ রিপোর্টার | ১৯ অক্টোবর ২০২০, সোমবার, ৯:৩৬

ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, কিশোর গ্যাংয়ের অপরাধীদের চিহ্নিত করে তাদের অবস্থান, গতিবিধি, ইভটিজিং ও মাদক সেবনের স্থানসমূহ নজরদারিতে আনতে হবে। ঢাকা শহরের রাস্তায় কোনো ধরনের ব্যাটারিচালিত রিকশা চলবে না। গতকাল সকালে রাজধানীর রাজারবাগ পুলিশ লাইন্স-এ অনুষ্ঠিত ডিএমপি’র মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
গত শনিবার দৈনিক মানবজমিন পত্রিকায় রাজধানীর ১০ থানায় সাড়ে ৫০০  কিশোর গ্যাং দাঁপিয়ে বেড়াচ্ছে বলে একটি সংবাদ প্রকাশিত হয়। সেই সংবাদে ডিএমপির এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এ কিশোর গ্যাংকে আইনের আওতায় আনার কথা বলেন।
ডিএমপি’র মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভায় শফিকুল ইসলাম বলেন, ফ্লাইওভারগুলোতে ওঠা ও নামার জায়গায় উচ্চক্ষমতা সম্পন্ন সিসি ক্যামেরা বসাতে হবে। গাড়ি ও মোটরসাইকেল চুরি প্রতিরোধে প্রযুক্তির সাহায্য নেয়া যেতে পারে। ক্রাইম ডাটা হালনাগাদ করে চোর ও ছিনতাইকারীদের তালিকা প্রস্তুত করে তাদের আইনের আওতায় আনতে হবে।
মাদকসেবীদের চিহ্নিত করে তাদের মাদক সেবন থেকে ফিরিয়ে আনতে পারলে মাদকসেবী কমার সঙ্গে সঙ্গে মাদকও কমে যাবে।
সভায় এসময় ঢাকা মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনারবৃন্দ, যুগ্ম পুলিশ কমিশনারবৃন্দ, উপ-পুলিশ কমিশনারবৃন্দসহ ঢাকার ৫০ থানার ওসিরা উপস্থিত ছিলেন।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক
১৯ অক্টোবর ২০২০, সোমবার, ২:২৪

মতিঝিল পোস্টাল কলোনীর প্রত্যেক ভবনের সিড়ি কোঠা, ছাদ ও চিপা গলিতে প্রতিনিয়ত কিশোর গ্যাংরা বিভিন্ন প্রকার মাদক সেবন করে থাকে। কলোনীর বিভিন্ন মেয়ে ও মহিলাদের ইভটিজিং করে থাকেন। এ ব্যাপারে কিছু বলার সাহস নেই কলোনীর এলোটিবাসীর। আপনাদের মাধ্যমে যদি প্রশাসনকে অবগত করানো যায় তাহলে কলোনীবাসী উপকৃত হত। বহুবার থানায় অবগতি করলেও কোন কার্যকরী পদক্ষেপ নেয়া হয়নি। গ্যাংদের কিছু বলতে গেলে মারধর করতে আসে। চাঁদা দাবী করে থাকে। এ বিষয়টি গত 18-10-2020 তারিখের পুলিশিং ধর্ষন ও নারী নির্যাতন বিট সভায়ও উত্থাপন করা হয়েছে।

advocate iqbal akhte
১৯ অক্টোবর ২০২০, সোমবার, ৮:২৩

ei sob kisor gang thanda korte senabahinir hate sere din .ek maser moddhe sob thanda hoe jabe .esob fulice thulish die kisssu hobe na

অন্যান্য খবর