× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতা
ঢাকা, ২৬ নভেম্বর ২০২০, বৃহস্পতিবার

বিএনপি তামাশার নাটক করেছে

শেষের পাতা

স্টাফ রিপোর্টার | ১৯ অক্টোবর ২০২০, সোমবার, ৯:৩৭

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, সরকার ও নির্বাচন কমিশনকে প্রশ্নবিদ্ধ করতেই উপনির্বাচনে অংশ নিয়েছে বিএনপি। নির্বাচনে অংশগ্রহণের নামে বিএনপি তামাশার নাটক করেছে। তিনি বলেন, গত এক দশকে গণতান্ত্রিক আচার-আচরণ-রীতি-নীতিতে ব্যর্থ বিএনপি একটি নালিশ পার্টিতে পরিণত হয়েছে। নির্বাচনে পরাজিত হওয়া এবং নিজেদের ব্যর্থতার দায় নির্বাচন কমিশন ও সরকারের ওপর চাপিয়ে দেয়ার তৎপরতা চালানো বিএনপি’র নিত্যনৈমিত্তিক কর্মকান্ডে পরিণত হয়েছে। জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার সুরক্ষা ও সুসংহত করতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন বর্তমান সরকার এবং আওয়ামী লীগ বদ্ধপরিকর। গতকাল শহীদ শেখ রাসেলের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন। রাজধানীর ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউটে শেখ রাসেলের জন্মদিন উপলক্ষে স্বেচ্ছাসেবক লীগ আয়োজিত আলোচনা সভায় নিজ সরকারি বাসভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে যুক্ত হন ওবায়দুল কাদের। আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, বরাবরের মতোই নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বিএনপি নেতৃবৃন্দের কথাবার্তা ও আচার আচরণে দেশবাসী গভীরভাবে হতাশ হয়েছে।
উভয় আসনে বিএনপি’র প্রার্থীদ্বয় বিপুল ব্যবধানে পরাজিত হওয়ায় বিএনপি নেতৃবৃন্দ চিরাচরিত ভঙ্গিতে দায়িত্বজ্ঞানহীন মন্তব্য করেছেন। অতীতেও আমরা দেখেছি নির্বাচন এলেই বিএনপি জনগণের কাছে না গিয়ে নানা ধরনের কূটকৌশল ও অপতৎপরতা শুরু করে। তিনি বলেন, নিজেদের রাজনৈতিক ব্যর্থতার কারণে নিশ্চিত পরাজয় জেনে তারা সুষ্ঠু নির্বাচনের পরিবেশ বিনষ্টে বিভ্রান্তিকর মন্তব্য করে থাকে এবং একের পর এক দোষারোপ করে ভোটারদের উৎসাহ-উদ্দীপনা নষ্টের অপচেষ্টা চালায়। নওগাঁ-৫ ও ঢাকা-৫ আসনের উপনির্বাচনেও দেশবাসী বিএনপি’র চিরায়ত অপরাজনীতির এই কৌশল প্রত্যক্ষ করেছে। কারবালার প্রান্তরের চেয়েও ভয়াবহ ছিল ১৫ই আগস্টের হত্যাকাণ্ড উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের বলেন, খুনিরা শেখ রাসেলকেও ছাড়েনি। রাসেল মানবিক গুণাবলীর অধিকারী ছিলেন। উদারভাবে মানুষের সঙ্গে মেলামেশার শিক্ষাটা তিনি পরিবার থেকেই পেয়েছিলেন। মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে পরিবারের সবার সঙ্গে ছোট রাসেলকেও বন্দি জীবনযাপন করতে হয়েছে। ঠিকঠাক মতো খাবার দাবার নেই, খেলা নেই, বইপত্র নেই। কী নিদারুণ কষ্টে যে দিন কেটেছে। চোখের কোণে সর্বদা পানি জমে থাকলেও কোনো অভিযোগ ছিল না রাসেলের। বরং কেউ জিজ্ঞাসা করলে রাসেল বলতো চোখে ময়লা জমেছে। এ থেকে বোঝা যায় শেখ রাসেলের মানসিক বোঝাপড়া তার শারীরিক বয়সের চাইতে অধিক বিস্তৃত ছিল। তিনি বলেন, শেখ রাসেল অত্যন্ত মেধাবী, বিচক্ষণ ও তীক্ষ্ন মস্তিষ্কের অধিকারী ছিল। শৈশবেই তার মধ্যে দেশপ্রেম জাগ্রত ছিল। বাঙালির মুক্তি আন্দোলনের স্লোগান ‘জয় বাংলা’ ছিল তার রন্ধ্রে রন্ধ্রে। বাঙালির এই স্বাধীনতার ইতিহাসে জড়িয়ে আছে শেখ রাসেলের নাম। স্বাধীন বাংলাদেশের এগিয়ে যাওয়ার সঙ্গে রাসেলেরও বড় হওয়ার স্বপ্ন ছিল। আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ১৫ই আগস্টের সেই বিশ্ব ইতিহাসের জঘন্যতম পৈশাচিক হত্যাকান্ডের মধ্য দিয়ে সেদিন বিশ্ব মানবতা থমকে গিয়েছিল, সমগ্র বাংলাদেশ হয়েছিল লাঞ্ছিত, নিথর হয়ে পড়েছিল বুলেটবিদ্ধ শিশু শেখ রাসেলের লাশ। শেখ রাসেল আমাদের স্মৃতিতে অম্লান, অনুভূতিতে অক্ষয় আর চেতনায় চির জাগরূক। আমরা চাই শিশুদের অধিকার বাস্তবায়নের মাধ্যমে তাদের জন্য বাসযোগ্য এক পৃথিবী গড়ে উঠুক। আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি নির্মল রঞ্জন গুহের সভাপতিত্বে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল, স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক এ কে এম আফজালুর রহমান প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।
আজ থেকে সহযোগী সংগঠনের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা
আওয়ামী লীগের পাঁচ সহযোগী সংগঠনের সম্মেলনের দীর্ঘদিন পর পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা হতে যাচ্ছে আজ থেকে। দলটির সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের গতকাল জানান, সোমবার থেকে স্বেচ্ছাসেবক লীগের কমিটি ঘোষণার মাধ্যমে এ কার্যক্রম শুরু হবে। তিনি বলেন, সম্মেলন হওয়া সহযোগী সংগঠনগুলোর পূর্ণাঙ্গ কমিটি জমা পড়েছে। করোনার জন্য অনেকদিন ধরে সাংগঠনিক কার্যক্রম না চলায় এসব কমিটি করতে সময় লেগেছে। কিন্তু, এখন সব সংগঠনই পূর্ণাঙ্গ কমিটি কেন্দ্রে জমা দিয়েছে। এর ধারাবাহিকতায় স্বেচ্ছাসেবক লীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা হবে। তিনি জানান, কৃষক লীগ, শ্রমিক লীগ, মহিলা শ্রমিক লীগ, মৎস্যজীবী লীগ, তাঁতী লীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটিও পর্যায়ক্রমে ঘোষণা করা হবে।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
Md. Harun al-Rashid
১৯ অক্টোবর ২০২০, সোমবার, ১২:১১

নাটকের সংলাপগুলি একই পান্ডুলিপি থেকে নেয়া। মঞ্চও একটাই- একই দর্শক। কেবল শিল্পী কলাকুশলী ভিন্ন। এখানে রুচি অরুচির প্রশ্ন অবান্তর।

Zaman
১৮ অক্টোবর ২০২০, রবিবার, ৮:৪৫

জনগনের সাথে নির্বাচন শুধু নয় সবক্ষেত্রেই তামাশা করছে আওয়ামী লীগ নামক বর্তমান বেশরম দলটি।

Mohd Aminul Islam
১৯ অক্টোবর ২০২০, সোমবার, ৬:৪৭

Kader ra korese AMASHAR natok, tai BNP korse tamasha. What to do???? Bisho behaya politics

Zakir hossain
১৮ অক্টোবর ২০২০, রবিবার, ১:৫১

আওয়ামীলীগের কাছ থেকে লজ্জা নামক শব্দটি মনে হয় হারিয়ে যাচ্ছে। শতাব্দীর সেরা নির্বাচনের কারিগর আওয়ামীলীগ। ভবিষ্যতে বিশ্বের অনেক উন্নত দেশ বাংলাদেশের নির্বাচনের মডেল অনুসরণ করবে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে বিশেষজ্ঞরা আসছে আমাদের নির্বাচনী ব্যবস্থা শিক্ষা নিতে।

অন্যান্য খবর