× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতা
ঢাকা, ২৫ নভেম্বর ২০২০, বুধবার
নিউ ইয়র্ক টাইমসের রিপোর্ট

চীনা ব্যাংকে আছে ট্রাম্পের একাউন্ট

বিশ্বজমিন

মানবজমিন ডেস্ক | ২১ অক্টোবর ২০২০, বুধবার, ১০:১০

চীনের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্যযুদ্ধ থাকলেও প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের পক্ষ থেকে স্বীকার করা হয়েছে যে, চীনের ব্যাংকে তার একটি ব্যাংক একাউন্ট আছে। এ খবর দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাবশালী অনলাইন নিউ ইয়র্ক টাইমস বলছে, ওই একাউন্টটি নিয়ন্ত্রণ করে ট্রাম্প ইন্টারন্যাশনাল হোটেলস ম্যানেজমেন্ট। ২০১৩ থেকে ২০১৫ সালের মধ্যে তারা স্থানীয় পর্যায়ে এর বিপরীতে আয়কর দিয়েছে। এ বিষয়ে ট্রাম্পের এক মুখপাত্র বলেছেন, এশিয়ায় হোটেল ব্যবসাকে বিস্তৃত করার জন্য ওই একাউন্ট খোলা হয়েছিল। অনলাইন বিবিসি বলছে, চীনে মার্কিন ব্যবসা নিয়ে তীব্র সমালোচনা করেন ডনাল্ড ট্রাম্প। বিশেষ করে চীনের সঙ্গে তার সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের যে বাণিজ্যিক যুদ্ধ তা নিয়ে তিনি আরো বেশি সমালোচনামুখর। নিউ ইয়র্ক টাইমস লিখেছে, তারা ট্রাম্পের আয়কর রেকর্ড হাতে পাওয়ার পর এসব তথ্য জানতে পেরেছে। এতে ট্রাম্পের ব্যক্তিগত এবং কোম্পানির আর্থিক বিষয়ের বিস্তারিত বর্ণনা রয়েছে।
এর আগে এই পত্রিকাটিই খবর দিয়েছিল যে, ২০১৬ ও ২০১৭ সালে মাত্র ৭৫০ ডলার আয়কর দিয়েছেন ট্রাম্প, যখন তিনি প্রেসিডেন্ট হন। রিপোর্টে বলা হয়েছে স্থানীয় পর্যায়ে চীনা ওই ব্যাংক একাউন্ট আয়কর দিয়েছে এক লাখ ৮৮ হাজার ৫৬১ ডলার।
এখানে উল্লেখ্য, যুক্তরাষ্ট্রে প্রেসিডেন্ট নির্বাচন আগামী ৩রা নভেম্বর। তার আগে প্রতিদ্বন্দ্বী ডেমোক্রেট প্রার্থী জো বাইডেন ও তার চীনা নীতির ঘোর সমালোচনা করছেন ট্রাম্প। তার প্রশাসন চীনে জো বাইডেনের ছেলে হান্টার বাইডেন ও তার বাণিজ্য নিয়ে আঙ্গুল তুলেছে।
ওদিকে ট্রাম্প অর্গানাইজেশনের একজন আইনজীবী অ্যালান গার্টেন নিউ ইয়র্ক টাইমসকে বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রে অফিস আছে ট্রাম্প ইন্টারন্যাশনাল হোটেলস ম্যানেজমেন্টের। স্থানীয় পর্যায়ের আয়কর দেয়ার জন্য তারা চীনের একটি ব্যাংকে একাউন্ট খুলেছে। তবে সেখানে কোনো বাণিজ্য, লেনদেন বা অন্য কোনো ব্যবসায়িক কর্মকান্ড পরিচালিত হয়নি ২০১৫ সাল থেকে। যদিও ওই একাউন্ট এখনও ওপেন আছে, তবে এটি আর কোনো কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে না।
বিবিসি লিখেছে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের বহুবিধ ব্যবসায়িক স্বার্থ আছে যুক্তরাষ্ট্র ও দেশের বাইরে। এর মধ্যে স্কটল্যান্ডে ও আয়ারল্যান্ডে রয়েছে গলফ কোর্স। আছে পাঁচ তারকা বিলাসবহুল হোটেল চেইন। নিউ ইয়র্ক টাইমস বলেছে, বিদেশে- বিশেষ করে চীনে, বৃটেনে এবং আয়ারল্যান্ডের মতো বিদেশি ব্যাংকে আছে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের ব্যাংক একাউন্ট।
এখানে উল্লেখ্য, চীন থেকে মার্কিন প্রতিষ্ঠানগুলোকে সরে আসার জন্য ট্রাম্প আয়কর ছাড় দেয়ার প্রস্তাব করেছিলেন আগস্টে। যেসব মার্কিন প্রতিষ্ঠান চীনকে কাজের আউটসোর্স হিসেবে ব্যবহার করবে তাদের সঙ্গে সরকারের চুক্তি বাতিল করার হুমকিও দিয়েছিলেন তিনি। এক বক্তব্যে তিনি ১০ মাসের মধ্যে এক কোটি কর্মসংস্থান সৃষ্টির প্রত্যয় ঘোষণা করেছিলেন। বলেছিলেন, ‘আমাদেরকে চীনের ওপর থেকে নির্ভরশীলতা বন্ধ করতে হবে’।
নিউইয়র্ক টাইমসের রিপোর্ট অনুসারে পক্ষান্তরে ট্রাম্প নিজেই ব্যবসার জন্য চীনে জমি খুুঁজছেন। তার এ উদ্যোগে গতি পায় ২০১২ সালে। এ সময়ে সাংহাইয়ে একটি অফিস খোলা হয়। নিই ইয়র্ক টাইমস ট্রাম্পের যে আয়করের রেকর্ড হাতে পেয়েছে তাতে দেখা যায়, দীর্ঘ সময় ধরে চীনে বিশেষ প্রকল্পের জন্য ৫টি ছোট কোম্পানিতে ট্রাম্প বিনিয়োগ করেছেন কমপক্ষে এক লাখ ৯২ হাজার ডলার। এসব কোম্পানি ২০১০ সাল থেকে এ পর্যন্ত কমপক্ষে ৯৭ হাজার ৪০০ ডলার খরচ দেখিয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে আয়করের মতো ছোটখাট খরচ এবং একাউন্টিং ফি।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর