× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতা
ঢাকা, ২৬ নভেম্বর ২০২০, বৃহস্পতিবার

সন্ধ্যা আরতির পর বন্ধ থাকবে পূজামণ্ডপ

অনলাইন

স্টাফ রিপোর্টার | ২১ অক্টোবর ২০২০, বুধবার, ৬:৩২

করোনা মহামারির জন্য এবছর সন্ধ্যা আরতির পরপরই দর্শনার্থীদের জন্য বন্ধ করে দেয়া হবে সারা দেশের পূজামণ্ডপ। সন্ধ্যা আরতির পর আর কোনো দর্শনার্থী মণ্ডপে প্রবেশ করতে পারবেন না। তবে পূজার সাথে যারা সংশ্লিষ্ট তারা মণ্ডপের ভেতরে থাকতে পারবেন। এছাড়া নিজ নিজ উদ্যেগে প্রতিমা বিসর্জনের ব্যবস্থা করতে হবে। এক্ষেত্রে কোনো রকম শোভা যাত্রা করা যাবে না। শুধুমাত্র একটি করে ট্রাকে প্রতিমা নিয়ে ঘাটে গিয়ে বিসর্জন করতে হবে। আজ বিকালে বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের এক বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। এর আগে গত সপ্তাহে পূজা কমিটির আরেক বৈঠকে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছিল রাত ৯টা পর্যন্ত দর্শনার্থীরা মণ্ডপে প্রবেশ করতে পারবেন।
কিন্তু করোনার দ্বিতীয় ঢেউ নিয়ে সরকারের সতর্কতার পর নতুন করে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে পূজা উদযাপন পরিষদ।
বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক নির্মল কুমার চ্যাটার্জী মানবজমিনকে বলেন, প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রিসভার বৈঠকে করোনার দ্বিতীয় ওয়েভ নিয়ে জনগণকে সচেতন করেছেন। মাস্ক ছাড়া ঘরের বাইরে যেতে নিষেধ করেছেন। আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে বলেছেন প্রয়োজনীয় প্রদক্ষেপ নেওয়ার জন্য। সেই দৃষ্টিকোণ থেকে আমরা বলেছি স্বাস্থ্যবিধি মেনে পূজামণ্ডপে যেতে পারবে। তবে তার সাথে আমরা নতুন নির্দেশনা যুক্ত করেছি। পূর্বের নির্দেশনায় ছিল রাত ৯টায় পূজামণ্ডপ বন্ধ রাখতে হবে। নতুন নির্দেশনায় সময়টা আরও এগিয়ে এনেছি। সন্ধ্যা আরোতির পর সারা দেশের পূজামণ্ডপে আর কোনো দর্শনার্থী প্রবেশ করতে পারবে না। সন্ধ্যার পর দর্শনার্থীর জন্য মণ্ডপ বন্ধ থাকবে। তবে যারা পূজার সঙ্গে যুক্ত তারা পুজা মণ্ডপের ভেতরে থাকতে পারবেন। সাধারণ দর্শনার্থী প্রবেশ করতে পারবে না। তিনি আরও বলেন, এছাড়া বৈঠকে প্রতিমা বিসর্জনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়েছে। প্রতিমা বিসর্জনের সময় কোনো শোভা যাত্রা হবে না। যাদের প্রতিমা তাদেরকে ঘাটে নিয়ে যেতে হবে। নিজ উদ্যোগে প্রতিমা বিসর্জনের ব্যবস্থা করতে হবে। অন্যান্য বছর আমরা দুই শতাধিক ট্রাক নিয়ে শোভাযাত্রা করি। প্রতিটা প্রতিমার সাথে আরও বাড়তি ৫/৬টি ট্রাক থাকে। কিন্তু এবছর যারা প্রতিমা ট্রাক থেকে নামাবে তারা ব্যতীত আর কেউ থাকতে পারবে না।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর