× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতা
ঢাকা, ২৪ নভেম্বর ২০২০, মঙ্গলবার

'ধর্ম নিয়ে কটুক্তি',নোবিপ্রবির দুই শিক্ষার্থী বহিষ্কার

শিক্ষাঙ্গন

নোবিপ্রবি প্রতিনিধি | ২৮ অক্টোবর ২০২০, বুধবার, ৫:০১

'ধর্ম নিয়ে কটুক্তি' করায় নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ( নোবিপ্রবি) ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী প্রতীক মজুমদার এবং একই শিক্ষাবর্ষের ফার্মেসী বিভাগের শিক্ষার্থী পাল দীপ্তকে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাময়িকভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে।

বুধবার বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার প্রফেসর ড. মোঃ আবুল হোসেন ও ডেপুটি রেজিস্ট্রার মোহাম্মদ জসীম উদ্দিন কর্তৃক স্বাক্ষরিত একটি বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

রেজিস্ট্রার দপ্তর থেকে প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, কর্তৃপক্ষের আদেশক্রমে ও শৃংখলাবোর্ডের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত এনে হযরত মুহাম্মদ (সঃ) ও  ইসলাম ধর্ম নিয়ে কটুক্তি করায় অভিযুক্ত দু'জন শিক্ষার্থীকে সাময়িক ভাবে বহিষ্কার এবং হলের সিট বাতিল করা হয়েছে। এটি বাংলাদেশ সরকারের আইন মোতাবেক দণ্ডনীয় অপরাধ বিধায় এরুপ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, সেইসঙ্গে তাদেরকে কেন স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হবেনা এবং ডিজিটাল সিকিউরিটি আইনে মামলা করা হবে না সে বিষয়ে আগামী ২রা নভেম্বর  মধ্যে রেজিস্ট্রার বরাবর কারণ দর্শানোর নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

উল্লেখ্য, গত দুইদিন যাবত উত্তাল ছিলো নোবিপ্রবি ক্যাম্পাস। অভিযুক্তদের স্থায়ী বহিষ্কারের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল, মানববন্ধন ও অবস্থান কর্মসূচি পালন করে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীরা।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
মুহাম্মদ রায়হান
২৯ অক্টোবর ২০২০, বৃহস্পতিবার, ১০:০৮

নোয়াখালী প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আমার নিজের এরিয়া।সে আলোকে বলছি,এদেরকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা উচিত। কেননা, বিশ্ববিদ্যালয়ের অবস্থান অনেকটা অজপাড়া গাঁ'এর মতো জায়গায়।সেখানে ধর্মপ্রান,অন্ধধার্মীকের পরিমান বেশি। সেখানে বাংলা শিক্ষার আলো এখনো পুরাপুরি স্থান করে নিতে পারেনি।তাই এসব মানুষগুলোর এই বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে খারাপ ধারনা তৈরি হবে।এতে করে ঐ বিশ্ববিদ্যালয়ের বাকি ছাত্রছাত্রী,শিক্ষকমন্ডলী,অন্যান্য কর্মচারীগন হেয় প্রতিপন্ন ও হতে পারেন।এসব সাধারণ মানুষগুলো ছাত্রছাত্রীদের সহযোগিতার হাত কখনো বাড়াবেন না।যার ফলে পদে পদে সাধারণ শিক্ষার্থীরা কষ্ট ভোগ করবে।তাই বাকি ছাত্রছাত্রীদের ভালো কামনা করে হলেও এদেরকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার কার উচিত।

আবুল কাসেম
২৮ অক্টোবর ২০২০, বুধবার, ৭:২০

এদেরকে সাময়িক বহিষ্কার করাই যথেষ্ট ? ফ্রান্সে মহানবী হজরত মুহাম্মদ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে অবমাননা করাতে সারা বিশ্ব যেখানে অগ্নিগর্ভ হয়ে উঠেছে। সেখানে বাংলাদেশে কেনো, কাদের প্ররোচনায় বিপদগামীরা এমন নিন্দনীয় কাজের সাথে জড়িত হচ্ছে তার তদন্ত হওয়া আবশ্যক এবং দৃষ্টান্তমূলক কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা করাও অপরিহার্য। যারা মূর্খ, অর্বাচীন, বর্বর ও দুর্জন তাদের শিক্ষা লাভ করে কি লাভ । শিক্ষা গ্রহণ করে যারা আলোকিত হয় না বরং আইয়ামে জাহেলিয়াত বা অন্ধকার যুগে ফিরে যেতে চায়, মহা পুরুষদের সম্মান দিতে শেখে না, মূল্যবোধ শেখে না , ভদ্রতা-শালীনতা শেখে না তারা তো অন্ধ, বধির ; তাদের শিক্ষার কিবা মূল্য আছে। সুতরাং তাদেরকে আজীবনের জন্য বহিষ্কার করে দৃষ্টান্ত স্থাপন করা হোক এবং মহানবী স. এর প্রতি যথাযথ সম্মন জানানো হোক। নাহয় অচিরেই করোনার চেয়েও ভয়ংকর আজাব ও গজব সবকিছুই ধ্বংস করে ছাড়বে।

অন্যান্য খবর