× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতা
ঢাকা, ২৯ নভেম্বর ২০২০, রবিবার

কালীগঞ্জে অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূকে ৪ দিন আটকে রেখে গণধর্ষণ

বাংলারজমিন

কালীগঞ্জ (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি | ৩০ অক্টোবর ২০২০, শুক্রবার, ৯:৩০

ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে ৫ মাসের অন্তঃসত্ত্বা এক গৃহবধূকে (১৯) যশোরের নওয়াপাড়া এলাকার একটি বাড়িতে চারদিন আটকে রেখে গণধর্ষণের অভিযোগে ঝিনাইদহ আদালতে মামলা হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুর সাড়ে ১২ টার দিকে ওই গৃহবধূ নিজে বাদী হয়ে ঝিনাইদহ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে ৪ জনকে আসামি করে মামলাটি দায়ের করেন।
মামলার বিবরণ ও আসামিপক্ষের আইনজীবী আকিদুল ইসলাম জানান, ধর্ষিত গৃহবধূর স্বামীর বাড়ি যশোর সদর উপজেলার মথুরাপুর গ্রামে। সে চুয়াডাঙ্গা থেকে যশোর সড়কে চলাচলকারী শাপলা পরিবহনের হেলপার। আর গৃহবধূর বাবার বাড়ি ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার তেঁতুলবাড়িয়া গ্রামে। দু’বছর আগে তাদের পারিবারিকভাবে বিয়ে হয়। বর্তমানে ওই গৃহবধূ পাঁচ মাসের গর্ভবতী। চলতি মাসের ১০ তারিখে তার স্বামী ফোনে জানায় দুপুরে বারোবাজার বাসস্ট্যান্ডে এসে গাড়িতে উঠলে তাকে বারীনগর বাজারে নামিয়ে দিবে। স্বামীর কথা অনুযায়ী ঘটনার দিন দুপুরে বারোবাজার বাসস্ট্যান্ডে আসে।
সে সময় সেখানে দাঁড়িয়ে থাকা তেঁতুলবাড়িয়া গ্রামের তিন যুবক মথুরাপুর পৌঁছে দেবে বলে ওই সড়কে চলাচলকারী গড়াই পরিবহনে তুলে যশোরের নওয়াপাড়ায় একটি বাড়িতে নিয়ে আটকে রাখে। এরপর পিয়াস, তরু, রাকিব ও তরিকুল চার দিক আটকে রেখে পালাক্রমে তাকে ধর্ষণ করে। এরমধ্যে প্রধান আসামি পিয়াস শাপলা পরিবহনের সুপারভাইজার। পরে মেয়েটিকে তারা ছেড়ে দিলে সে বাবার বাড়ি চলে আসে। তখন নানা ভয়ভীতি দেখিয়ে ওই গৃহবধূকে মামলা না করতে চাপ দিতে থাকে। পরে বৃহস্পতিবার দুপুরে ওই গৃহবধূ নিজে বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে পিয়াস, তরু, রাকিব ও তরিকুলের বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন। আইনজীবী আরো জানান, মামলা হয়েছে। এখন আদালতের প্রক্রিয়া অনুসারে বিচারকার্য চলবে।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর