× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতা
ঢাকা, ২৬ নভেম্বর ২০২০, বৃহস্পতিবার

ঘুষ নেয়ার অভিযোগে ঈশ্বরগঞ্জ থানার ওসি প্রত্যাহার

অনলাইন

স্টাফ রিপোর্টার, ময়মনসিংহ থেকে | ৩০ অক্টোবর ২০২০, শুক্রবার, ২:১৭

মামলা গ্রহণে ঘুষ নেয়ার অভিযোগে ঈশ্বরগঞ্জ থানার ওসিকে প্রত্যাহার এবং এক কনস্টেবল বরখাস্ত করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার ঈশ্বরগঞ্জ থানার ওসি মোখলেছুর রহমান আকন্দকে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়েছে এবং কনস্টেবল এমদাদকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।
জানা যায়, ঈশ্বরগঞ্জ ইউনিয়নের কাকনহাটি গ্রামের আসাদুজ্জামান লুলু পৈতৃক জমিতে পুকুর খনন করে মাছ চাষ, ফলজ বাগান ও পানের বরজ করে। প্রতিবেশী নয়ন মিয়ার পরিবারের সাথে লুলুর জমাজমি নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল দীর্ঘদিন ধরে। বিরোধের জেরে লুলুর বাড়িঘর ভাংচুর, হামলা ও জমাজমি দখল করতে পারে এমন আশংকায় গত ২১ অক্টোবর এর প্রতিকার চেয়ে থানায় লিখিত অভিযোগ করেন আসাদুজ্জামান লুলু।

পরদিন ২২অক্টোবর নয়নসহ তার লোকজন তান্ডব চালিয়ে লুলুর বাড়ির বাগানের গাছপালা, পানের বরজ ভাংচুর বাড়ির টিউওবয়েলটি নিয়ে যায় এবং জমিতে টিনের বেড়া দেয়। এ সময় লুলুর ভাই আবু রায়হান রুমেল বাধাঁদিলে তাকে মারধর করে হামলাকারীরা।

আসাদুজ্জামান লুলুর অভিযোগ, তিনি ও তার চাচাতো ভাই আব্দুল হালিম থানায় গিয়ে ওসিকে বিষয়টি জানালে তিনি তাদের কাছে ২০হাজার টাকা ঘুষ দাবী করেন। টাকা ছাড়া কাজ হবে না বলে জানিয়ে দেন। নিরুপায় হয়ে লুলু ১৭হাজার টাকা ওসিকে দেন। পরে কনস্টেবল এমদাদকেও আরও ১৫০০ টাকা দিতে হয় লুলুর।

বিষয়টি পুলিশের উর্ধ্বতন কতৃপক্ষের নজরে আসলে পুলিশ সুপার বিষয়টি তদন্তের জন্য অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (গৌরীপুর সার্কেল) সাখের হোসেন সিদ্দিকীকে দায়িত্ব দেন।
তদন্তে ঘটনাটির সত্যতা প্রমানিত হওয়ায় প্রতিবেদন দাখিলের প্রেক্ষিতে পুলিশ সুপার তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেন

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
Alayer Khan
৩১ অক্টোবর ২০২০, শনিবার, ৩:০৬

ওদের বহিষ্কার এবং জেলে দেওয়া উচিত।

Mohammed Faiz Ahmed
৩১ অক্টোবর ২০২০, শনিবার, ১০:০৪

ঘুসখোরদের পরিচয় তুলে ধরা দরকার, তাদের সাথে আত্নিয়তা করা হতে বিরত থাকুন,তাদেরকে সামাজিক ভাবে বয়কট করুন,দেখবেন কেহ ঘুস নিবে না।

Kazi
৩০ অক্টোবর ২০২০, শুক্রবার, ৮:৩১

Discrimination. Those who are not happy with their salary after so many increments, and still greedy to become rich overnight, they can turn cruel for bribes, arresting people and kill for bribe Like Akbar @ Sylhet and Deelip at CHITTAGONG.

Dr. Md Abdur Rahman
৩০ অক্টোবর ২০২০, শুক্রবার, ১১:০১

No withdraw or temporary suspension !! Just put in JAIL till the investigation is finished. If found guilty life long imprisonment !!!

Zahangir
৩০ অক্টোবর ২০২০, শুক্রবার, ৯:৫৯

ঘুষতো বেশীরভাগ পুলিশই নেয়। অহেতুক ঈশ্বরগঞ্জ পুলিশের প্রত্যাহার কিংবা শাস্তি মোটেই কাম্য নয়। এগুলো স্রেফ লোকদেখানো। সত্যিকারের commitment ছাড়া লাকদেখানো measure নিয়ে পুলিশ কেনো, কোনো দুর্নীতিই নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব নয়।

ziaur Rahman
৩০ অক্টোবর ২০২০, শুক্রবার, ৮:০৫

ঘুষ গ্রহণ করলে সাথে সাথে চাকুরী থেকে বিদায় করে দেন। প্রতাহার করলে কোন লাভ নাই। আবার ঘুষ খাইবে।

Md. Harun al-Rashid
৩০ অক্টোবর ২০২০, শুক্রবার, ২:৪৭

ওসি ১৭০০০ নিলো -দন্ড বদলী, সিপাহী ১৫০০ নিলো দন্ড বরখাস্ত। এক যাত্রায় দুই ফল!

অন্যান্য খবর