× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতা
ঢাকা, ২৫ জানুয়ারি ২০২১, সোমবার

যুক্তরাজ্যে করোনা ভীতি বাড়ছে, মারা গেছেন ৬৪ হাজার

অনলাইন

সাঈদ চৌধুরী
(২ মাস আগে) নভেম্বর ২৩, ২০২০, সোমবার, ৩:৩৮ পূর্বাহ্ন

বিলেতে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে প্রতিদিন দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে কারো না কারো মৃত্যুর খবর আসছে। আপনজনের প্রয়ান শোকে বাতাস ভারী হয়ে ওঠছে। ভীতি বাড়ছে সর্বত্র। ঘনিষ্ট ও জনপ্রিয় কমিউনিটি নেতাদের চির বিদায়ে বাংলাদেশি সমাজের সর্বত্র শোকের ছায়া নেমে এসেছে। যে পরিবার অভিভাবক শূন্য হচ্ছে তাদের তীব্র দুঃখ বেদনা অন্যরা অনুমান করতে পারছেনা। অনেক পরিবারের সুখ-শান্তির সোনালী নীড় ভেঙ্গে পড়ছে। মৃত ব্যক্তির পরিবারকে শোক ও বিলাপের পরিবর্তে ধৈর্যধারণে উৎসাহিত করা ছাড়া আর কিছুই যেন করার নেই।
গতকাল ২২ নভেম্বরের সরকারি পরিসংখ্যান মোতাবেক এক সপ্তাহে ২২২৫ জন শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেছেন।  কোভিড ১৯ তথা করোনাভাইরাসে এ পর্যন্ত যুক্তরাজ্যে ৬৩,৮৭৩ জন মারা গেছেন। এর মধ্যে লন্ডনে ৮৯০৩, ইস্ট মিডলেন ৪৪৬৭, ওয়েস্ট মিডলেন ৬২৯৭, ইস্ট অব ইংল্যান্ড ৫৪১২, নর্থ ইস্টে ৩৪৩১, নর্থ ওয়েস্টে ৯৮৪১, সাউথ ইস্টে ৭৬৬২, সাউথ ওয়েস্টে ৩০৮০, ইয়র্কশায়ার এন্ড হাম্বার ৫৭৮০, নর্দান আয়ারল্যান্ড ১১০৫, স্কটল্যান্ড ৪৮৫৫, ওয়েল্স ৩০৪০ জন।

বিলেতে এখন করোনার দ্বিতীয় থাবা বইচে। অনেক বেশি ভয়ঙ্কর হয়ে উঠেছে এই মরণ ভাইরাস। আশঙ্কা হচ্ছিল যেখানে টেম্পারেচার কম সেখানে এই ভাইরাস দ্বিতীয় থাবা বসাতে পারে। তখন এখানকার তাপমাত্রা  প্রায় ১৫ থেকে ১৭ ডিগ্রী সেলসিয়াসের কাছাকাছি ছিল। এর মধ্যেই দ্বিতীয়বার থাবা বসিয়েছে মরণ ব্যাধি করোনা ভাইরাস ।
এখন তৃতীয় ঢেউ নিয়ে ইউরোপকে সতর্ক করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)। সুইজারল্যান্ডের সলোথার্নার জেইতুং পত্রিকায় রবিবার দেয়া সাক্ষাৎকারে ডেভিড নাবারো এই আশঙ্কার কথা জানিয়েছেন। ডব্লিউএইচওর কোভিড-১৯ বিষয়ক বিশেষ দূত হুশিয়ার করে দিয়ে বলেছেন ২০২১ সালের শুরুর দিকে সংক্রমণের তৃতীয় ঢেউ শুরু হতে পারে।
জাতিসংঘের ভাইরাস বিশেষজ্ঞ বিশ্লেষন করে বলেছেন, করোনার প্রথম ঢেউ নিয়ন্ত্রণে আসার পর গরমের মাসগুলোতে এটি প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় অবকাঠামো তৈরিতে ইউরোপ ব্যর্থ হয়েছে। ফলে কঠিন ভাবে দ্বিতীয় ঢেউ মোকাবেলা করতে হচ্ছে। কিন্তু যে কোন মূল্যে যদি তারা যথেষ্ট পরিমানে প্রয়োজনীয় অবকাঠামো নির্মাণ করতে ব্যর্থ হন, তাহলে নতুন বছরের শুরুতে তৃতীয় ঢেউ মোকাবেলা করতে হবে। যা খুবই হবে কঠিন ও ভয়াবহ।
বিভিন্ন দেশের বৈজ্ঞানিক এবং বিশেষজ্ঞরাও জানাচ্ছেন যে, যদি করোনার টিকা দ্রুত না আসে তাহলে আবারও বাড়তে পারে করোণা সংক্রমণ। আর এটা এতটাই ভয়ঙ্কর হবে যেখানে মানুষ নিজেকে বাচানো অনেকটাই কঠিন হয়ে উঠবে। হাসপাতালে বেড পাওয়া অনেক মুশকিল হয়ে যাবে।

ঠান্ডা আবহাওয়ায় সংক্রমণ অনেক বেশি সক্রিয় হয়।  আর তার জন্য এটা ঘটছে। বিষয়টি নিয়ে  আগেভাগে চিন্তাভাবনা করছেন বৃটেনের প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন। তিনিও বলেছেন, খুব তাড়াতাড়ি ব্যবস্থা নিতে হবে। তা না হলে এই মরণ ভাইরাস আবার মারাত্মকভাবে থাবা বসাবে। ফলে প্রত্যেকটা স্টেপ বুঝে শুনে নেয়া উচিত।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
Abdur Rahman
২৪ নভেম্বর ২০২০, মঙ্গলবার, ১২:৫১

করোনাভাইরাসে এ পর্যন্ত যুক্তরাজ্যে ৬৩,৮৭৩ জন মারা গেছেন। এর মধ্যে লন্ডন, ওয়েস্ট মিডলেন ও নর্থ ওয়েস্টে খারাপ অবস্থা। এবারের ক্রিসমাস ভিন্ন ধরনের হতে পারে, নতুন করে লকডাউন ঘোষণার সময় এমন বার্তাই দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন।

Siddique
২৩ নভেম্বর ২০২০, সোমবার, ৪:৩৪

In UK Number of deaths is not 63,873, please correct the number ..

অন্যান্য খবর