× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতা
ঢাকা, ২৭ জানুয়ারি ২০২১, বুধবার

প্রেমিকার বিয়ে হওয়ায় জীবন দিলো প্রেমিক

বাংলারজমিন

সোনাইমুড়ী (নোয়াখালী) প্রতিনিধি
২৫ নভেম্বর ২০২০, বুধবার

কিশোরী প্রেমিকার বিয়ে হওয়ায় মনের কষ্টে পটাশ খেয়ে মো. রিফাত হোসেন (১৯) নামের এক যুবক আত্মহত্যা করেছে। ঘটনাটি ঘটেছে সোনাইমুড়ী উপজেলার বজরা ইউনিয়নের পূর্ব চাঁদপুর গ্রামের সালামত উল্যা জমদার বাড়িতে। প্রেমিক রিফাত এলাকায় বাবুর্চির কাজ করতো। তার এমন মৃত্যুতে এলাকায় শোক নেমে এসেছে। কিশোরী প্রেমিকা একই গ্রামের ও স্থানীয় বজরা বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের ৮ শ্রেণির ছাত্রী। গতকাল দুপুরে পুলিশ নিহতের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করেছে। স্থানীয়রা জানান, কিশোরী প্রেমিকা বিদ্যালয়ে আসা-যাওয়া কালে একই এলাকার রিফাতের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। কয়েকদিন আগে পারিবারিকভাবে ওই কিশোরীর বিয়ে ঠিক হয়।
২৩শে নভেম্বর সোমবার তার বিয়ে হওয়ার খবর পেয়ে প্রেমিক রিফাত ওই কিশোরীর বাড়িতে গেলে তার পিতা রিফাতের সঙ্গে অশোভন আচরণ ও মারধর করে মোবাইল ফোন, সঙ্গে থাকা টাকা ছিনিয়ে নেয়। প্রেমিকার  পিতার এমন নিষ্ঠুর আচরণ সইতে না পেরে সোমবার রাতেই রিফাত পোকা মারার ওষুধ (পটাশ) খেয়ে অচেতন হয়ে পড়ে। পরিবারের লোকজন অচেতন অবস্থা দেখে রিফাতকে  দ্রুত উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। নিহতের পিতা আব্দুল মালেক  জানান, প্রতিবেশী চৌধুরীর স্কুল পড়ুয়া কিশোরী মেয়ের সঙ্গে আমার ছেলের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। মেয়েটির বিয়ের কথা শুনে আমার ছেলে তাদের বাড়িতে গেলে চৌধুরী ও তার পরিবারের লোকজন রিফাতকে মারধর করে মোবাইল ফোন, নগদ টাকা ছিনিয়ে নেয়ায় সে অপমান সইতে না পেরে আত্মহত্যা করে। সোনাইমুড়ী থানার ওসি মো. গিয়াস উদ্দিন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, প্রেমিকার বিয়ে হওয়ায় রিফাত বিষপান করে আত্মহত্যা করেছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছি। ময়নাতদন্তের জন্য লাশ মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন পাওয়া গেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর