× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতা
ঢাকা, ২১ জানুয়ারি ২০২১, বৃহস্পতিবার

রাজশাহীতে এএসআইকে হত্যায় স্ত্রী-সন্তানের সাজানো ফাঁদ

বাংলারজমিন

স্টাফ রিপোর্টার, রাজশাহী থেকে
২৬ নভেম্বর ২০২০, বৃহস্পতিবার

 রাজশাহীতে পুলিশের সাবেক এএসআইকে হত্যা মামলায় ফাঁসাতে নানারকম চক্রান্ত করার অভিযোগ উঠেছে তার স্ত্রী ও ছেলে-মেয়ের বিরুদ্ধে। এ নিয়ে চরম হুমকির মুখে রয়েছেন পুলিশের এই সাবেক সদস্য। বুধবার দুপুর ১২টায় রাজশাহী প্রেস ক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে স্ত্রী-সন্তানের বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ করেছেন ওই পুলিশ সদস্য। ভুক্তভোগী এএসআই চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার হাজী আনেস সরদারের ছেলে নজরুল ইসলাম। তিনি বর্তমানে রাজশাহী নগরীর বুলনপুর এলাকায় বসবাস করেন। নজরুল ইসলাম জানান, ২০১৭ সালে তিনি হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে পুলিশ বাহিনী থেকে অবসর নেন। এরপরই তার স্ত্রী নাসিমা, ছেলে নাদিম ও দুই মেয়ে তার সকল সম্পত্তি হাতিয়ে নেয়ার জন্য নানারকম চক্রান্ত শুরু করে ও তাকে হত্যা করতে উদ্ধত হয়। গতবছর কাঁচের বোতল দিয়ে মাথায় আঘাত করলে তিনি গুরুতর আহত হন।
তার পাশে স্ত্রী-সন্তানরা কেউ দাঁড়ায়নি। পরে তিনি ব্রেইন স্ট্রোক করলে সেবা শুশ্রূষার অভাবে বাধ্য হয়ে আরেকজনকে বিয়ে করেন। সংবাদ সম্মেলনে তিনি অভিযোগ করেন, হাসপতালে চিকিৎসা শেষে বাড়ি ফিরলে তার চিকিৎসার কাগজপত্র, বাড়ির জমির দলিল ও কাছে থাকা নগদ টাকাপয়সা ছিনিয়ে নিয়ে নিজের বাড়ি থেকে তাকে বের করে দেয়া হয়। সবশেষ গত শনিবার তার ছেলে ও মেয়ে পরিকল্পিতভাবে দরজা বন্ধ করে মাকে অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে। সে সময় স্ত্রী নাসিমা নিজ শরীরে কেরোসিন তেল ঢেলে আগুন দিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করে স্বামী নজরুলকে হত্যা মামলায় ফাঁসানোর চেষ্টা চালায়। বর্তমানে চরম হুমকির মুখে রয়েছেন তিনি। এ ঘটনায় নিরাপত্তা নিশ্চিতপূর্বক আরএমপির উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের হস্তক্ষেপ কামনা করে সকলের কাছে দোয়া চেয়েছেন পুলিশের সাবেক এই এএসআই। এ বিষয়ে অভিযুক্তদের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তারা ফোন রিসিভ না করায় তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। এ ব্যাপারে রাজপাড়া থানার ওসি শাহাদৎ হোসেন খান জানান, নিরাপত্তা দেয়া তাদের দায়িত্ব। থানায় মামলা হলে এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর