× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতা
ঢাকা, ২২ জানুয়ারি ২০২১, শুক্রবার

১৯ বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা গুচ্ছ পদ্ধতিতে

শিক্ষাঙ্গন

স্টাফ রিপোর্টার
(১ মাস আগে) ডিসেম্বর ১, ২০২০, মঙ্গলবার, ৩:০৬ পূর্বাহ্ন

দেশের ১৯টি সাধারণ এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০২০-২০২১ শিক্ষাবর্ষে গুচ্ছ পদ্ধতিতে ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। এই গুচ্ছের অধীনে মানবিক, বাণিজ্য ও বিজ্ঞান এ তিনটি বিষয়বস্তুর ওপর পরীক্ষা নেয়া হবে। এসব পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়সমূহে সরাসরি ভর্তি পরীক্ষা হবে। উচ্চ মাধ্যমিকের পাঠ্যসূচির ওপর ভিত্তি করে প্রশ্নপত্র প্রণয়ন করা হবে।

গুচ্ছ পদ্ধতিতে ভর্তি পরীক্ষা গ্রহণের বিষয়ে সাধারণ এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলরদের (ভিসি) সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় আজ মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত হয়। এতে চূড়ান্তভাবে এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। গত ২৬শে ফেব্রুয়ারি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়সমূহে তিনটি গুচ্ছে ভর্তি পরীক্ষা গ্রহণের বিষয়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত হয়েছিল।

বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. কাজী শহীদুল্লাহ- এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় ইউজিসি সদস্য প্রফেসর ড. মো. সাজ্জাদ হোসেন, প্রফেসর ড. মুহাম্মদ আলমগীর, প্রফেসর ড. বিশ্বজিৎ চন্দ ও প্রফেসর ড. মো. আবু তাহের উপস্থিত ছিলেন।

সভায় সাধারণ এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় গুচ্ছের যুগ্ম আহ্বায়ক ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি প্রফেসর ড. মীজানুর রহমান বলেন, ভিসিদের সমন্বয়ে গঠিততব্য কেন্দ্রীয় ভর্তি পরীক্ষা কমিটি এ গুচ্ছের ভর্তি পরীক্ষার পদ্ধতি নির্ধারণ করবেন।
কমিটি ভর্তি পরীক্ষা নিয়ে শিক্ষার্থীদের একটি স্কোর দিবেন। এ গুচ্ছের বিশ্ববিদ্যালয়সমূহ নিজ নিজ শর্ত ও চাহিদা উল্লেখ করে শিক্ষার্থী ভর্তি বিষয়ে পত্রিকায় বিজ্ঞাপন প্রকাশ করবে। স্কোর নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়সমূহ শিক্ষার্থী ভর্তি করবে। এজন্য আলাদা করে  কোন ধরনের ভর্তি পরীক্ষা নেয়া হবে না।

সভায় ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে ইউজিসি চেয়ারম্যান প্রফেসর কাজী শহীদুল্লাহ বলেন, করোনার কারণে গুচ্ছ পদ্ধতিতে ভর্তি পরীক্ষা হতে বিশ্ববিদ্যালয়ের পিছু হঠার সুযোগ নেই। শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের কথা চিন্তা করে সরাসরি ও সহজ উপায়ে ভর্তি পরীক্ষা নেয়ার বিষয়ে প্রস্তুতি গ্রহণের জন্য তিনি ভিসিদেরকে আহ্বান জানান।

কৃষি বিষয়ক ৭টি বিশ্ববিদ্যালয়ে গতবছর  স্নাতক শ্রেণিতে গুচ্ছ পদ্ধতিতে ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এবারও সেভাবেই হবে এরসঙ্গে যুক্ত হলো এবার ১৯ বিশ্ববিদ্যালয়। নতুন করে যুক্ত হওয়া বিশ্ববিদ্যালয়গুলো হলো ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়, হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, নোয়াখালি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, কুমিল্লা বিশ্বদ্যিালয়, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়, যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, বেগম রোকেয়া বিশ্বদ্যিালয়, পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়, রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়,  রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ডিজিটাল ইউনিভার্সিটি, শেখ হাসিনা বিশ্ববিদ্যালয়, বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়।

ইউজিসি থেকে জানানো হয়, কৃষি ও প্রকৌশল গুচ্ছের বিশ্ববিদ্যালয়সমূহের সঙ্গে শিগগিরই সভা হবে। সেখানে গুচ্ছ ভর্তির বিষয়ে তাদের অবস্থান সবশেষ জানিয়ে দেয়া হবে।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
আবুল কাসেম
১ ডিসেম্বর ২০২০, মঙ্গলবার, ৬:০০

মেডিকেলের গুচ্ছ পদ্ধতির ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের মধ্যে যারা মেধা তালিকার প্রথম দিকে থাকে সে অনুযায়ী প্রথমে ঢাকা মেডিকেল কলেজ, দ্বিতীয়ত সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ, তৃতীয়ত সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ এভাবে মেডিকেল কলেজের মান অনুসারে সারা দেশের মেডিকেল কলেজগুলোতে উত্তীর্ণদের বন্টন করে ভর্তি করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্ষেত্রে মেধাতালিকা অনুযায়ী কিভাবে ছাত্র ভর্তি করা হবে তা আগেভাগেই ঘোষণা করা দরকার। তবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এবং বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) ভর্তি পরীক্ষা আলাদা থাকলে ভালো হবে। কারণ এদুটো বিশ্ববিদ্যালয়ের ঐতিহ্য, গুরুত্ব, মর্যাদা ও ভাবমূর্তি অন্যগুলোর চেয়ে আলাদা। সঙ্গত কারণেই সারা দেশের মেধাবীদের আগ্রহভরাদৃষ্টি এদুটোর দিকে সবসময়ই থাকে। মেডিকেল কলেজের ভর্তি পরীক্ষা গুচ্ছ পদ্ধতিতে হয় বিধায় এর প্রশ্নপত্র ফাঁস হওয়ার অনেক নজির আছে। সেজন্যই ইদানিং কালে দেখা যাচ্ছে আমাদের ডাক্তারদের ভারতীয় ডাক্তারদের চেয়ে, এমনকি আন্তর্জাতিকভাবেও মান অনেক নিচে। সুতরাং গুচ্ছ পদ্ধতির মধ্যে পরীক্ষার্থীদের সুবিধা হলেও প্রশ্নপত্র ফাঁস হওয়ার সম্ভাবনা থেকে যায়। এভাবে শিক্ষা যদি মানহীন হয়ে পড়ে তাহলে সেই শিক্ষা দিয়ে জাতির কী লাভ। অতএব পদ্ধতি যা-ই হোকনা কেনো পরীক্ষার মান পুরোপুরি বজায় রাখাটা গুরুত্বপূর্ণ।

অন্যান্য খবর