× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতা
ঢাকা, ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২১, শনিবার

ইবিতে পরীক্ষার সিদ্ধান্ত

শিক্ষাঙ্গন

ইবি প্রতিনিধি
(২ মাস আগে) ডিসেম্বর ২২, ২০২০, মঙ্গলবার, ৬:২৫ অপরাহ্ন

স্বাস্থ্যবিধি মেনে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে অনার্স ও মাস্টার্সের চূড়ান্ত পরীক্ষা গ্রহণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে কর্তৃপক্ষ। মঙ্গলবার বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি প্রফেসর ড. শেখ আবদুস সালামের সভাপতিত্বে একাডেমিক কাউন্সিলের সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

তবে পরীক্ষা গ্রহণের সিদ্ধান্ত হলেও আবাসিক হল খোলা হচ্ছেনা বলে জানিয়েছেন রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) এস এম আব্দুল লতিফ। এসময় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা পরিবহন সুবিধা পাবে বলেও জানান তিনি।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
Sanowar
২৩ ডিসেম্বর ২০২০, বুধবার, ২:১০

এই মুহুর্তে বিশ্ববিদ্যালয় না খোলায় ভালো। জীবনের মূল্য আগে

আবুল কাসেম
২২ ডিসেম্বর ২০২০, মঙ্গলবার, ৬:২১

একে একে প্রায় সবকয়টি বিশ্ববিদ্যালয় শেষ বর্ষের পরীক্ষার আয়োজন করছেন। করোনার কারণে এতোদিন ক্লাস পরীক্ষা সবই বন্ধ ছিলো। এতে শিক্ষাবর্ষ পিছিয়ে গেছে। সেই ক্ষতি তো আর পুষিয়ে নেয়া যাবেনা। এদিকে এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফল ঘোষণার পর ভর্তি পরীক্ষা হবে এবং নতুন বর্ষে শিক্ষার্থী ভর্তি করতে হবে। তাই এমুহূর্তে শেষ বর্ষের পরীক্ষা না নিয়ে উপায়ও নেই। স্বাস্থ্যবিধি মেনেই পরীক্ষা নেয়া হবে বলা হচ্ছে। পরীক্ষার্থীদের নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা নিশ্চয়ই বিশ্ববিদ্যালয়ের দায়িত্ব। কিভাবে স্বাস্থ্যবিধি মানতে ও মানাতে হবে এবং পরীক্ষার হল সেনিটাইজার দিয়ে জীবাণুমুক্ত করাও বিশ্ববিদ্যালয়ের দায়িত্ব। অবাক হয়ে লক্ষ্য করলাম, রাজশাহী প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (রুয়েট) কর্তৃপক্ষ অনলাইনে পরীক্ষার্থীদের জন্য একটি ফরম দিয়েছেন। সেখানে লেখা রয়েছে পরীক্ষার্থীরা এবং তাদের অভিভাবকদেরকে আলাদা আলাদা ভাবে স্বীকারোক্তি দিতে হবে এই মর্মে যে, আমি অমুক। বর্তমানে আমি সুস্থ আছি। যদি আমি রোগাক্রান্ত হই তাহলে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ সে জন্য দায়ী হবেনা। এভাবে অভিভাবকদের কাছ থেকেও অনুরূপ অঙ্গীকার নেয়া হচ্ছে, যদি আমার সন্তান সংক্রমিত হয় তাহলে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ সেজন্য দায়ী থাকবেনা। অথচ, বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের দায়িত্ব পরিপূর্ণ ভাবে, এমনভাবে সবকিছু জীবাণুমুক্ত করা যাতে পরীক্ষার্থীরা নিরাপদ বোধ করে। তাঁরা অঙ্গীকার নিচ্ছেন তাতে পরীক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে দুশ্চিন্তা, ভয় ও হতাশা কাজ করছে। তাঁদের উচিত পরীক্ষার্থীদের আশ্বস্ত করা। নাহলে অনলাইনে পরীক্ষা নেয়া। অথবা মহামরি নিয়ন্ত্রণ করে পরীক্ষা নেয়া। যখন অঙ্গীকার নেয়া হচ্ছে, আক্রান্ত হলে আমি দায়ী হবো, তখন মনস্তাত্ত্বিক ভাবে পরীক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মনে ভীতির সঞ্চার করছে। এটা কতোটা উচিত এবং যুক্তিসঙ্গত হচ্ছে তা বিবেচনার দাবি রাখে।

অন্যান্য খবর