× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতা
ঢাকা, ৯ মার্চ ২০২১, মঙ্গলবার

তুলে দেয়া হচ্ছে বেসরকারি কলেজের অনার্স-মাস্টার্স কোর্স

শিক্ষাঙ্গন

স্টাফ রিপোর্টার
(২ মাস আগে) ডিসেম্বর ৩০, ২০২০, বুধবার, ১:৩৬ অপরাহ্ন

তুলে দেয়া হচ্ছে দেশের বেসরকারি কলেজের অনার্স-মাস্টার্স কোর্স। তবে নতুন করে এসব প্রতিষ্ঠানে চালু করা হবে কারিগরি শিক্ষাসহ বিভিন্ন কোর্স। শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি এমনটাই আভাস দিয়েছেন গতকালকের ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে। ইতিমধ্যে এ ব্যাপারে সরকারের শিক্ষামন্ত্রণালয় কাজ শুরু করেছে।        

কারণ হিসেবে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী জেলায় জেলায় বিশ্ববিদ্যালয় করে দিচ্ছেন। কাজেই যারা অনার্স-মাস্টার্স করবেন তারা বিশ্ববিদ্যালয় থেকেই করবেন। আমরা আর সনদধারী বেকার তৈরি করতে চাই না। তবে ডিগ্রি পাস কোর্সের পাশাপাশি বিভিন্ন শর্টকোর্স করতে করার চিন্তা রয়েছে সরকারের।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, বেসরকারি অনার্স কলেজে লেখাপড়া করে চাকরি পান না অনেকে।
প্রত্যাশা ও প্রাপ্তির মধ্যে বিরাট একটা ব্যবধান তৈরি হয়, যারা এই প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যান তাদের মধ্যে হতাশা তৈরি হয়। অভিভাবকদের জন্যও এটি সুখকর নয়। সন্তানকে পড়ালেন, তাদের একটি চাকরির প্রত্যাশা থাকে, চাকরি হয় না। কোনও কিছু করবে সেটির প্রয়োজনীয় যোগ্যতা তারা অর্জন করতে পারে না। সেসব নানা সমস্যা সমাধানের উদ্যোগ আমরা নিচ্ছ।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, দেশে ৩১৫টি বেসরকারি কলেজে অনার্স-মাস্টার্স কোর্স চালু রয়েছে। এসব কলেজের ডিগ্রি স্তরের শিক্ষকরা বেতন-ভাতার অন্তর্ভূক্ত হলেও অনার্স-মাস্টার্স পর্যায়ে কোন সুযোগ সুবিধা পান না।

১৯৯৩ সালে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ডিগ্রি স্তর পর্যন্ত পরিচালিত এমপিওভুক্ত কলেজগুলোতে অনার্স-মাস্টার্স চালূর অনুমোদন দেয়। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় সংশ্লিষ্ট কলেজের টিউশন ফি থেকে এসব শিক্ষকদের বেতন-ভাতা দেয়ার নির্দেশনা দেয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে। এ কারণেই অনার্স-মাস্টার্স স্তরের শিক্ষকের পদ কলেজগুলোর জনবল কাঠামোয় স্থান পায়নি। ফলে খুব বেশি বাড়তি সুবিথধা পায়নি এ স্তরের শিক্ষকরা। এমপিওভুক্ত হওয়ার সুযোগ থেকেও বিঞ্চিত হয়েছেন তারা। এ সমস্যা সমাধানে বিভিন্ন সময় দাবি-দাওয়া জানিয়ে আসলেও তার সুরাহা হয়নি। এসকল শিক্ষকদের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানেও নানা বিচার-বিশ্লেষণ চলছে বলে মন্ত্রী জানান।  

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
Shahid
৬ জানুয়ারি ২০২১, বুধবার, ৭:৪১

বেসরকারি কলেজে অনার্স কোর্স ফ্যাক্টর না। ফ্যাক্টর আপনাদের অতি বাড়াবাড়ি মুলক পাঠ্য।

মোঃ শরিফ উদ্দিন
৩০ ডিসেম্বর ২০২০, বুধবার, ৮:৩০

অনার্স মাস্টার্স কোর্স যদি বাদ দেয়া হবে চালু করা হয়েছিল কেন? অনার্স করে ছাত্র ছাত্রী বেকার হচ্ছে আর ডিগ্রি করে কি ক্যাডার তৈরি হচ্ছে?? যদি বাদ দেয়া হয় তবে এতো ছাত্র ছাত্রী (৪/৫ লক্ষ) এদের কি হবে?? এখানে ১/২/৩/৪ বিভিন্ন বর্ষের ছাত্র ছাত্রী আছে তাদের কি হবে?? এদের সবাইকে কি সরকার অটো পাশ দিয়ে দিবে?? আবার এতো শিক্ষক (৫/৬ হাজার) তাঁদের কি হবে?? তাঁরা এ বয়সে পরিবার পরিজন নিয়ে কোথায় দাঁড়াবে?? সরকার যদি এমন সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকে তাহলে সরকারকে বলবো ৬ হাজার পরিবারকে আগে ধ্বংস / হত্যা করে অথবা তাদের কর্মসংস্থান করে তারপর এমন সিদ্ধান্ত নিন। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিগ্রি শিক্ষকের বেতন সরকার দিবে আবার জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অনার্স মাস্টার্স শিক্ষকের বেতন সরকার দিবে না তা কি করে হয়?? দুটিই তো জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্তর্ভুক্ত তাহলে একজন বেতন পাবে আরেকজন পাবে না কেন?? এ কেমন বৈষম্য.....???

আহমেদ
৩০ ডিসেম্বর ২০২০, বুধবার, ১০:১১

এ মানহীন বেকার সৃষ্টির কারখানা গুলোর বিষয়ে আরও আগেই সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত ছিল।তবে যত তাড়াতাড়ি সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন হয় ততই মঙ্গল।

মুহাম্মদ বিলাল হোসাই
৩০ ডিসেম্বর ২০২০, বুধবার, ৯:৪৬

সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত। বাস্তবায়ন চাই।

Ferdous
৩০ ডিসেম্বর ২০২০, বুধবার, ৩:৫৫

শিক্ষা মন্ত্রীর মতের সাথে আমি একমত ।কারণ এসব কলেজে অনার্স ও মাস্টার্স এর জন্য কোন মান সম্পন্ন শিক্ষক নেই এমনকী পর্যাপ্ত কোন অবকাঠামোও নেই ।এসব করাও সম্ভব নয়। তাই যত তাড়াতাড়ি বেসরকারি কলেজ থেকে অনার্স মাস্টার্স ক্লাস তুলে দেওয়া যায় ততই মঙ্গল ।

Kazi
৩০ ডিসেম্বর ২০২০, বুধবার, ২:২৩

কারিগরি শিক্ষা অত্যন্ত প্রয়োজন । দেশে ও বিদেশে এর চাহিদা ও মূল্য আছে। আমাদের দেশের যুব সমাজ এখনও বিদেশমুখি। কারিগরি শিক্ষা থাকলে বিদেশে এর প্রয়োগ করে সহজ পরিশ্রমে বেশী আয়ের সুযোগ পাবে। দেশে ও প্রায়ই দেখি হাসপাতালে অনেক যন্ত্র মেরামতের অভাবে অকেজো পড়ে আছে। আমার ধারণা কারিগরের স্বল্পতা দায়ী । টেকনিক্যাল শিক্ষা থাকলে চাকরি না থাকলেও বেকার থাকবে না শিক্ষিত যুবক। দেশের উন্নতির সঙ্গে চাহিদাও বাড়বে কারিগরি শিক্ষিতদের। এই উদ্যোগ নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয় ।

Md. Harun al-Rashid
৩০ ডিসেম্বর ২০২০, বুধবার, ১:৫৭

কারিগরী শিক্ষা চালু করা অত্যন্ত ভাল উদ্দ্যোগ কিন্তু অনার্স কোর্স বন্ধ করা সমীচিন নয়।কারন এখনো জেলা পর্যায়ের সরকারী কলেজগুলোতে অনেক বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের চেয়ে ঢের ভাল লেখাপড়া হয়। এগুলোতে ডিপামেন্ট ছাড়াও কেন্দ্রিয় লাইব্রেরীগুলি ভাল বই নিয়ে সমৃদ্ধ। এ সমস্ত কলেজে পিএইচডি ধারি শিক্ষকদের ভাল বেতনে নিয়োগ দিন। অনার্স কোর্সের ছাত্রদের বেতন একটু বড়িয়ে হলেও কার্যক্রমটি চালু রাখুন।

অন্যান্য খবর