× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতা
ঢাকা, ২ মার্চ ২০২১, মঙ্গলবার

‘ব্যক্তির চেয়ে গণতান্ত্রিক সিস্টেম শক্তিশালী- যুক্তরাষ্ট্র তার প্রমাণ’

দেশ বিদেশ

কূটনৈতিক রিপোর্টার
৮ জানুয়ারি ২০২১, শুক্রবার

ব্যক্তির যত ক্ষমতাই থাকুক না কেন, তার চেয়ে গণতান্ত্রিক সিস্টেম যে অনেক বেশি শক্তিশালী- সেটা মার্কিন পার্লামেন্টে হামলা পরবর্তী ঘটনাগুলোতে প্রমাণিত হয়েছে। এমনটাই মনে করেন সদ্য সাবেক পররাষ্ট্র সচিব এম শহীদুল হক। পরাজিত প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের উগ্র-সমর্থকদের ক্যাপিটল হিলে জঘন্যতম হামলার বিষয়ে দেয়া প্রতিক্রিয়ায় ওই কূটনীতিক বলেন, সশস্ত্র হামলা, গুলি, পুলিশি অ্যাকশন, হতাহত হওয়াসহ ওয়াশিংটনের অনেক ঘটনা অবাক বিস্ময়ে দেখেছে দুনিয়া। কিন্তু শেষ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রে গণতন্ত্রের জয় হয়েছে। হিকআপ পরবর্তী ঘটনাগুলো যুক্তরাষ্ট্রের সমৃদ্ধ গণতন্ত্রকে আরো সুসংহত করবে বলেই আমার বিশ্বাস। মার্কিন নির্বাচন পরবর্তী ঘটনাগুলোকে ‘ডেমোক্রেসি ইন দ্য নিউ ওয়ার্ল্ড’ আখ্যা দিয়ে তিনি বলেন, আমি মনে করি ক্ষমতার পালাবদলকে কেন্দ্র করে ওয়াশিংটনে যে তাণ্ডবলীলা হয়েছে সেটি নতুন গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার প্রতিফলন। এই ঘটনা গণতন্ত্রের জন্য একটি পরীক্ষা। অসহিষ্ণু সমাজেও যে গণতন্ত্র বিকশিত হতে পারে- এটি তারই নমুনা।
শহীদুল হক বলেন, নিউ নরমালের মধ্যে গণতন্ত্রের টিকে থাকার বিষয়টি এখানে ফুটে উঠেছে। অসহিষ্ণু সমাজ ব্যবস্থা ও সিদ্ধান্ত মেনে নেয়ার শ্রদ্ধাবোধের ঘাটতির মধ্যেও যে গণতন্ত্র বিকশিত হতে পারে সেটি এখানে দেখা যাচ্ছে। পূর্বের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় সহিষ্ণুতা, দলমত নির্বিশেষে একমত হওয়া তথা পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধের প্রবল চর্চা ছিল। এখন সেটি অনেকটা পরিবর্তন হয়েছে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত গণতন্ত্রেরই জয় হয়। যুক্তরাষ্ট্রের ঘটনা প্রমাণ করেছে দেশটিতে গণতন্ত্র এখনো ভেঙে পড়েনি। সৌন্দর্য্য হচ্ছে কট্টর রিপাবলিকান আইনপ্রণেতারাও বলেছেন গণতন্ত্রে সহিংসতার কোনো জায়গা নেই। ভাইস প্রেসিডেন্ট মাইক পেন্স কঠোর ভাষায় পার্লামেন্ট ভবন আক্রমণের নিন্দা করেছেন। দলমত নির্বিশেষে সবাই এক বাক্যে এটাকে বাড়াবাড়ি বলেছেন। শহীদুল হক মনে করেন রাজনৈতিক কারণে যুক্তরাষ্ট্রে উগ্র-পপুলিস্ট ও ন্যাশনালিস্টদের উৎসাহিত করা হয়েছে ব্যক্তি স্বার্থের জন্য। কিন্তু অবশেষে দৃঢ় গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা, যেটি বহু বছরের সাধনায় যুক্তরাষ্ট্রে গড়ে উঠেছে, তার কারণে ব্যক্তির চেষ্টা সফল হয়নি। তিনি বলেন, গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলো শক্তিশালীকরণ কঠিন। তবে যদি সিস্টেম দাঁড় করানো যায় এবং এটি আঁকড়ে ধরার চর্চা বাড়ানোর যায় তখন  ভঙ্গুর ও অসহিষ্ণু সমাজেও গণতন্ত্র বা গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা টিকে থাকে। যুক্তরাষ্ট্র গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের বিষয়টিকে অত্যন্ত গুরুত্ব দেয় এবং সারা বিশ্বে তা প্রচার করে। ক্যাপিটল হিলের ঘটনা যুক্তরাষ্ট্রের বৈশ্বিক গণতন্ত্র চর্চায় কোনো প্রভাব ফেলবে কিনা? এমন প্রশ্নে তিনি বলেন- না, আমি তা মনে করি না। ক্যাপিটল হিলের ঘটনা পৃথিবীর জন্যও একটি বার্তা। এ থেকে অনেকের অনেক কিছু শেখার আছে।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
Liton
১৮ জানুয়ারি ২০২১, সোমবার, ৪:৪০

ঐ দিন যারা ক্যাপিটাল হিলে ঢুকে ছিল তারা উগ্র বাদী , বোকা এবং অন্ধ ভক্ত ।ওখানে ঢুকে যে নির্বাচনের ফলাফল পরিবর্তন করা যাবে না এটা তাদের মাথায় ছিল না। তাদের অধিকাংশ স্কুল পাশ করে নাই,অন্ধ ভক্ত ও রাগে এ কাজ করেছে।গনতন্ত্রের ভিত খুব শক্তি শালী এখানে।

ঊর্মি
৮ জানুয়ারি ২০২১, শুক্রবার, ২:১০

- "ক্যাপিটল হিলের ঘটনা পৃথিবীর জন্যও একটি বার্তা। এ থেকে অনেকের অনেক কিছু শেখার আছে" এই " অনেকের " মধ্যে আমাদের দেশেরও কেউ আছে নাকি ???

অন্যান্য খবর