× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতা
ঢাকা, ২২ জানুয়ারি ২০২১, শুক্রবার

মৃত মেয়েটিকে তিনবার ধর্ষণ না করলেও চলতো!

মত-মতান্তর

ডা. আলী জাহান, যুক্তরাজ্য থেকে
১৩ জানুয়ারি ২০২১, বুধবার
সর্বশেষ আপডেট: ১১:৩১ পূর্বাহ্ন

ঢাকার কলাবাগান থানা এলাকায় ইংরেজি মাধ্যমের এ লেভেলের ছাত্রী আনুশকা নুর আমিনকে নিয়ে আলোচনা-পর্যালোচনা এখন তুঙ্গে। বাংলাদেশের মানুষ সব সময় কিছু একটা নিয়ে ব্যস্ত থাকতে ভালোবাসেন। আপাতত সেই ব্যস্ততার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে আনুশকা নূর আমিনের মৃত্যুর ঘটনা। পুলিশ, ডাক্তার, আদালত থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষও এই মহাযজ্ঞে আনন্দের সাথে যোগদান করছেন। রাষ্ট্রের ছোট কর্তা, বড় কর্তা, মাঝারি কর্তা সবাই মতামত দিচ্ছেন। প্রজারাও বাদ যাচ্ছেন না।

আনুশকার সাথে তার বন্ধু দিহানের কী সম্পর্ক ছিল তা কিছুটা অনুমান করা যায়। বাংলাদেশে ধর্ষণের একটি সংজ্ঞা দেয়া আছে। মেডিকেল সাইন্সে Forensic Medicine সাবজেক্ট যখন আমাদের পড়ানো হতো তখন থেকেই আমরা সেই সংজ্ঞা ঠোঁটস্থ করেছি, আত্মস্থ করেছি।
সাধারণ মানুষ সেই সংজ্ঞা না জানলেও, ডাক্তার, পুলিশ এবং আদালত তা নিশ্চয়ই জানেন বা জানা উচিৎ। সেই সংজ্ঞাকে যদি আমরা বিশ্লেষণ করি তাহলে আনুশকার ঘটনাটিকে ধর্ষণ বলা একটু কঠিন। আমি সেই বিশ্লেষণে এখন যাচ্ছি না। ধর্ষণ হয়েছে কিনা তা ফরেনসিক পরীক্ষা, পুলিশ এবং আদালতের শুনানি এবং রিপোর্টে পরিষ্কার হবার কথা। রায়ের আগে সবগুলো ব্যাপার গোপনীয়ভাবে হবার কথা। চূড়ান্ত মতামত জানার জন্য আমাদের আদালতের রায়ের দিকে তাকিয়ে থাকতে হবে। কিন্তু আমাদের সেই ধৈর্য নেই। আমাদের কর্তাব্যক্তিরা নিজস্ব উদ্যোগে মতামত দিয়ে চলেছেন। আনুশকা ধর্ষিতা হয়ে মৃত্যুবরণ করেছে একবার। আর মারা যাবার পর মেয়েটিকে এবং মেয়ের পরিবারটিকে মোট কয়বার ধর্ষণ করা হয়েছে?

আনুশকা হত্যাকাণ্ডের এবং তথাকথিত ধর্ষণের একটি রগরগে বর্ণনা দিয়েছেন আমাদের পুলিশ বিভাগ। মৃত মেয়েটিকে প্রথমবার ধর্ষণ করা হলো। সেই সাথে তার পরিবার এবং ঘনিষ্ঠ বন্ধু বান্ধবীদের মান সম্মানকে ধর্ষণ করা হলো। বাংলাদেশের বিদ্যমান আইন কি এই ধর্ষণকে সমর্থন করে? মেয়েটি ধর্ষিতা হয়ে অথবা অ্যাডভেঞ্চারে গিয়ে মৃত্যু বরণ করেছে। কিন্তু মরে গিয়েও মেয়েটি আবারও ধর্ষিতা হচ্ছে। তার পরিবার, আত্মীয়স্বজন এবং বন্ধুবান্ধবরাও একই সাথে ধর্ষিত হচ্ছে।

যে ডাক্তার প্রাথমিক ময়নাতদন্ত করেছেন তিনি ধর্ষণের একটি গ্রাফিক বর্ণনা দিয়েছেন। মিডিয়াকে ডেকে এনে চমৎকার ব্রিফিং করেছেন! ধর্ষণের আলামত থেকে শুরু করে ধস্তাধস্তির কোন প্রমাণ আছে কিনা তাও তিনি বলেছেন। আনুশকা ওখানে আবার ধর্ষিতা হয়েছে। তার সাথে তার পরিবারও ধর্ষণের শিকার হয়েছে। ফরেনসিক মেডিসিনের রিপোর্ট হবে গোপনীয়। সেই গোপনীয় রিপোর্ট আদালতে যাবে। আদালতে শুনানি হবে। তারপর সিদ্ধান্ত হবে আসলেই ধর্ষণকার্য সংগঠিত হয়েছে কিনা। বাংলাদেশে কি এই আইন চালু আছে? ফরেনসিক ডাক্তারকে কে এই অধিকার দিয়েছে যে, তিনি মিডিয়াকে ডেকে এনে ধর্ষণের আলামতের বর্ণনা দেবেন? বাংলাদেশে কি ব্যক্তি বা পরিবারের গোপনীয়তা বলতে কিছু নেই? সবকিছু উদোম?

মৃত মেয়েটিকে তৃতীয়বার ধর্ষণের মহান কাজটি সম্পাদন করেছে আমাদের কিছু মিডিয়া! মানুষকে বিনোদন দেবার জন্য কিছু কিছু মিডিয়া মেয়েটিকে নিয়ে অনেক কাহিনী ছাপিয়েছে। পরিবারের পরিচয় প্রকাশ করেছে। মেয়েটির ছবি প্রকাশ করেছে। কোথায় রক্ত পাওয়া গেছে, বিছানার চাদর বা সোফায় শারীরিক সম্পর্কের আলামত পাওয়া গেছে- সেই খবরও কোন কোন মিডিয়া প্রকাশ করেছে। মৃত আনুশকার ধর্ষণকার্য আবার সম্পাদিত হয়েছে। আমি যতদূর জানি যে বাংলাদেশে এই ধরনের একটি আইন রয়েছে যে ধর্ষিতা মেয়ের ছবি বা পরিচয় পত্রিকায় বা মিডিয়ায় প্রকাশ করা যাবে না। কে শুনে কার কথা? শুধু ছবি প্রকাশ করেই ক্ষান্ত হয়নি পত্রিকা বা টিভি চ্যানেলগুলো। পরিবারের চৌদ্দগুষ্টির খবর পর্যন্ত প্রকাশ করেছে। কী তামাশার ব্যাপার!

আনুশকা ধর্ষণ এবং হত্যাকাণ্ডের খবরের মাঝখানে আমাদের এক বড় পদের শাহেনশাহ নতুন একটি প্রশ্ন করেছেন। তিনি আনুশকার মা-বাবাকে প্রশ্ন করেছেন, ছেলেমেয়েরা কোথায় যায় এই খবর যদি না রাখতে পারেন তাহলে তাদের জন্ম দিয়েছেন কেন? খবরটি পড়ে আমার চোখ ছানাবড়া হয়ে গেলো। বাচ্চা জন্ম দেয়ার নতুন এই শর্ত বাংলাদেশ কখন চালু হয়েছে? এই শাহেনশাহ কি সরকারের কর্মকর্তা? জনগণ কি ট্যাক্সের টাকা দিয়ে এই রাজপুত্রকে তাদের নিরাপত্তা প্রদানের জন্য নিয়োগ দিয়েছে? সম্ভবত ওনার খেয়াল ছিল না। বাংলাদেশ কথা বললে সেই কথার জন্য কোন ট্যাক্স দিতে হয় না এবং পরিণতি ভোগ করতে হয় না। সেজন্যই আমাদের কথাগুলো লাগামহীন হয়ে যাচ্ছে। বিশেষ করে ক্ষমতার আশেপাশে থাকলে আপনার ক্ষমতা অসীম। আপনি যা ইচ্ছা তা বলতেই পারেন। যা ইচ্ছা তা করতে পারেন।

কোন মা-বাবাই চায় না তাদের ছেলেমেয়েরা এভাবে মৃত্যুবরণ করুক। কোন মা-বাবাই চায় না তাদের ছেলেমেয়েরা তাদের পরিবারের জন্য বিপজ্জনক হয়ে উঠুক। তারপরেও ঘটনা-দুর্ঘটনা ঘটে যায়। আমরা বলতে পারি কিছুটা হলেও মা-বাবাকে তার দায়-দায়িত্ব নিতে হবে। রাষ্ট্রের কোনো দায়িত্ব নেই? ট্যাক্স দিয়ে যাদের মাসিক বেতন আমরা সরবরাহ করি তাদের কোনো দায়দায়িত্ব নেই? কেউ কেউ বলতে পারেন যে, পিতা-মাতারা তাদের দায়িত্ব সেভাবে পালন করেননি। কিন্তু তাই বলে তাদেরকে সমাজে প্রকাশ্যে মানহানি করার অধিকার নিশ্চয়ই পুলিশ, মিডিয়া বা ডাক্তারের নেই। ১৮ বছর হয়ে গেলে সেই সন্তানের দায়-দায়িত্ব কি মা-বাবার উপর চাপানো যায়?

বাংলাদেশের যে রক্ষণশীল সমাজ ব্যবস্থা রয়েছে সেখানে একটি মেয়ের গ্রুপ স্টাডির কথা বলে ছেলে বন্ধুর বাসায় সময় কাটানোকে অনেকেই মানতে চাইবেন না। বাংলাদেশের ধর্ম-সমাজ-সংস্কৃতি এই ব্যাপারটিকে সমর্থন করবে না। সে কারণে অনেকেই সেই ছেলে মেয়ের অভিভাবকদের উপর হয়তো ক্ষুব্ধ হয়ে আছেন। তাদের সেই রাগের যৌক্তিকতা আছে। তবে কিশোর-কিশোরী তরুণ-তরুণীদের মনের খবর যারা রাখেন তারা নিশ্চয়ই জানেন এই সময়ে তারা প্রচুর অনুকরণ ও অনুসরণ করে। বাংলাদেশের নাটক সিনেমায় এ ধরনের দৃশ্য দেখানো হয়। অনেক ক্ষেত্রেই এই কিশোর-কিশোরীরা সেই নাটক এবং সিনেমার কাহিনী গুলোকে বাস্তবে রূপ দিতে গিয়ে বিপর্যয়ের সম্মুখীন হচ্ছে। এর দায় দায়িত্ব নেবে কে? যারা এই কাজকে নাটক সিনেমায় সমর্থন করছেন তারাই আবার উল্টা বলছেন ধর্ষককে ফাঁসি দেয়া হোক। তাদের কাছে আমার প্রশ্ন, যদি প্রমাণিত হয় (আমার ব্যক্তিগত অভিমত) আইনের সংজ্ঞায় যাকে ধর্ষণ বলে বর্ণনা করা হয়েছে তা আসলে এ ক্ষেত্রে ঘটেনি এবং মেয়েটি নিরেট অ্যাডভেঞ্চারে গিয়ে মারা পড়েছে তাহলে তারা কী করবেন? যদি প্রমাণিত হয় দুজনের সম্মতিতে এ ধরনের কর্ম সম্পাদিত হতে গিয়ে হঠাৎ করে একজনের মৃত্যু হয়েছে তাহলে উনারা কী বলবেন? যারা এই কাজগুলোকে প্রমোট করেছেন তাদের বক্তব্য জানার বড় ইচ্ছে। তখন কাকে ফাঁসি দেবার জন্য উনারা দাবী করবেন?

যে মেয়েটি মারা গেছে সে তো কারো সন্তান। পরিণত বয়সি সন্তান। মেয়েটিকে কীভাবে মারা গেছে তা নির্ধারণের দায়িত্ব আদালতের ওপর আছে। আদালতের চূড়ান্ত রায় আসার আগে মৃত মেয়েটিকে আর ধর্ষণ করবেন না। এই ছেলে এবং মেয়ের পরিবারের অধিকার আছে বেঁচে থাকার। তাদেরকে বাঁচতে দিন। মৃত মেয়েটিকে ধর্ষণের সাথে সাথে তাদের পরিবারকে ধর্ষণ করবেন না। যদি আপনাদের রাগ প্রকাশ করতেই হয় তাহলে যে বা যারা এ ধরনের কাজকে বাংলাদেশের সমাজ ও সংস্কৃতিতে প্রমোট করছেন তাদেরকে জবাবদিহিতার অধীনে নিয়ে আসুন।

ডা. আলী জাহান
কনসালটেন্ট সাইকিয়াট্রিস্ট এবং প্রাক্তন পুলিশ সার্জন (Forensic Medical Examiner), যুক্তরাজ্য।
[email protected]

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
সাইমন
২০ জানুয়ারি ২০২১, বুধবার, ৯:২৫

বাংলাদেশ থেকে সকল পর্ণোগ্রাফি ওয়েব সাইট গুলো দ্রুত বন্ধ করে দেওয়া হোক। বিদেশি পর্ণোগ্রাফি ওয়েব চ্যানেলের প্রতি আকৃষ্ট হয়ে যুব সমাজ ধ্বংসের মুখে চলে যাচ্ছে। দ্রুত পর্ণোগ্রাফি ওয়েব সাইট গুলো বন্ধ করতে হবে।

mah
১৫ জানুয়ারি ২০২১, শুক্রবার, ৫:১৯

If you cannot take proper care of your children why bring them in the world the first time. This is true. The parents have to know what kids are up to. There should not be any question about it. A girl died through an assault, it is rape. Suggesting it that it might be a result of fantasy is just nonsense.

Rahman
১৪ জানুয়ারি ২০২১, বৃহস্পতিবার, ৯:১২

Thank you Doctor for your analytical comments. We must be aware of our “Personal Limitations”

Dipta
১৪ জানুয়ারি ২০২১, বৃহস্পতিবার, ৮:৫৭

so excellent writing

Md Yousuf Ali Mia
১৪ জানুয়ারি ২০২১, বৃহস্পতিবার, ৮:৪২

I think the writer can not distinguish in between rape and normal sex. Can he show any single case any girl died when normal sex. If so happens thousands of girls or wife would die. Here definitely it's a predetermined murder. It look's the guy did not show a minimum sympathy or love with the girl, When the guy looks any blood or the girl getting pain or feeling bad he should stop at that stage but he didn't. So, the guy should be punished as per law.

imam hossain
১৪ জানুয়ারি ২০২১, বৃহস্পতিবার, ৮:১৪

সুন্দর কথা।তবে ধর্মিয় অনুশাসন মেনে চলা দরকার।ধর্ষিতার ছবি না ছাপানো ভালো। ধর্ষকের বাবা মা যে ভাবে জোর দিয়ে ছেলের পক্ষে সাফাই গাইছে টা ঠিকনা।

Islam
১৪ জানুয়ারি ২০২১, বৃহস্পতিবার, ৭:০২

দয়া করে হতভাগ্য নিহত মেয়েটার চরিত্র হনন করবেন না।

Prosenjite Saha
১৪ জানুয়ারি ২০২১, বৃহস্পতিবার, ৪:২৯

Excellent Writing. Selut Boss.

দিদারুল আলম স্বপন
১৩ জানুয়ারি ২০২১, বুধবার, ১০:১৩

যথেষ্ট ঠিক বলেছেন, আমরা অনিবার্য কারনে রাজা পছন্দ করিনা কিন্তু সবাই রাজা হতেই চাই। শাহেনশাহরা আমাদেরই সৃষ্টি। আমাদের রাষ্ট্র কাঠামো রাজা-শাহেনশাহ উপযোগি, প্রজারা মূখ্য নই। এভাবেই চলছে, চলবেও!

Sadiya Sheikh
১৩ জানুয়ারি ২০২১, বুধবার, ৯:১০

স্যার আপনার প্রত্যেকটি কথায় যুক্তি আছে।আমাদের মধ্যে এখন আকাশ সংস্কৃতির প্রভাব পড়ছে। যার চক্করে পড়ে কত শত ছেলে -মেয়ে যে নষ্ট হচ্ছে একমাএ আল্লাহ যানে।এই সমস্যা থেকে রেহাই পেতে হলে আপনার মতো সচেতন মানুষের প্রয়োজন।

Islam
১৩ জানুয়ারি ২০২১, বুধবার, ৮:১৯

অনুশকা হত্যাকাণ্ড জঘন্য ও পরিকল্পিত হত্যাকান্ড। যে বা যারা এই হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত তাদের সর্বোচ্চ দৃষ্টান্তমুলক শাস্তির জন্য সমাজের সকলকে সোচ্চার হতে হবে।

Fakir Mabud Ali
১৩ জানুয়ারি ২০২১, বুধবার, ৭:৩০

Very Nice for your Advice Allah Bless U.

Touhidul Islam
১৩ জানুয়ারি ২০২১, বুধবার, ৬:২৩

Eyta 100% dorshon . Konu meyer samner part fatanur por bolbe na , Amar pasha fatiye blood bahir kore daw. Ekjoner 1 hathe chori marle bolbe na , Amar arek hathe chori mere blood. bahir koro . Ekjoner 1paaye guli korle bolbe na , Amar arek paaye guli koro. Jara mone kore eyta rape na , trader common sense nai . Husband , wifer mordhe o rape hoy .

ড. মো: মাহতাব হোসেন
১৩ জানুয়ারি ২০২১, বুধবার, ৬:৪৬

স্যার আপনাকে ধন্যবাদ। আপনার মেসেজটি যথেষ্ট ম্যাটেরিয়াল। আমিও সন্তানের বাবা।আমার সোনা-মণিদের ভবিষ্যৎ নিয়ে আমি ভীষণ চিন্তিত। মহারাজা সন্তান জন্মদানের যে শর্তারোপ করেছেন তা রীতিমতো লজ্জাষ্কর। আনুশকা এবং দিহানের পেছনের গল্পটা একটু বলবেন প্লীজ।

Ahmed Anwar
১৩ জানুয়ারি ২০২১, বুধবার, ৬:২৫

I was young, grown up and now I am Old. The phases of age i passed thru and understood the curiosity. We need to have some sort of education of safety and ethics to teach to our young people and stop the promote all the western way of life. I am saddened to the deep of my heart for Anushka and her family. May God bless my country and the people.

Nixon
১৩ জানুয়ারি ২০২১, বুধবার, ৫:২২

ডা: আলী জাহান আপনার কথায় যুক্তি আছে । আমাদের সমাজকে অবশ্যই এই ব‍্যাপারে ভাবতে হবে বা উচিৎ । ধন্যবাদ

S.M. SOHEL
১৩ জানুয়ারি ২০২১, বুধবার, ৫:৪৭

আপনার মতামত অনেক সুন্দর হয়েছে, আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ। প্রকৃতপক্ষে আমাদের লাগামহিন স্বাধীনতায় আমাদেরকে এতদুর নিয়ে এসেছে। অনতিবিলম্বে এইগুলো বন্ধ করা জরুরী। না হলে আমাদের ভবিষ্যৎ প্রযন্ম কি শিখবে? কোন দিকে যাবে, তা স্পষ্ট। কি করবেন বলেন, এই সব বাস্তব কথাগুলো তুলে ধরতে গেলে, অন্যায়ের প্রতিবাদ করতে গেলেও আপনার বিপক্ষে বড় একটি দল তৈরি হয়ে যাবে। যারা আপনাকেই দোষী বলে আখ্যায়িত করবে। কিছুই করার নাই আমাদের। বর্তমানে ইউটুব চ্যানেল আমাদেরকে আরো একধাপ এগিয়ে নিয়েগেছে। টাকার জন্য আমরা কতটুকু নিচে নামতে পারি, তা ইউটুব অপেন করলেই বুঝতে পার। আমার মতে এইসব সমস্যাগুলোর অতিদ্রুত সমাধান হওয়া জরুরী।

Advocate Md. Abdus S
১৩ জানুয়ারি ২০২১, বুধবার, ৪:৫৪

আমার মন্তব্যটার অনুমোদন দিলেন না? না দেওয়ার কারনটা জানালে খুশি হতাম।

Nejam Kutubi
১৩ জানুয়ারি ২০২১, বুধবার, ৪:৩৪

আমার দেশের সাধারন মানুষও এই কথা গুলো জানেন ও বুঝেন। কিন্তু কর্তা ব্যক্তিরা কিছুই জানেন না। উপরের থেকে আরো উপরের ব্যক্তিরা মুখে ললিপপ দিয়ে আছেন। তারা জানেনা, বুঝেননা। আপনি ওদের ফাটা কান পর্যন্ত পৌঁছান। (ধর্ষককে স্টেডিয়ামে প্রকাশ্যে ফায়ারিং স্কোয়াডে দেয়ার দাবি ড. সৈয়দ আনোয়ার হোসেনের। >>https://mzamin.com/article.php?mzamin=258049&cat=21) জানিনা সৈয়দ আনোয়ার স্যারের কথাটি কখন বাস্তবে দেখতে পাবো। উপরে ক্ষমতায় গেলে হয়ত এই কথার সাথে আপনিও নিজেও দ্বিমত হবেন, বা আপনার এই আলোচনার সাথেও নিজেই সাংঘর্ষিক কথা বলবেন।

Md. Sohel Rana Sabuj
১৩ জানুয়ারি ২০২১, বুধবার, ৪:৩১

এটা বাংলাদেশ। খেলা নিজেই খেলে আর রেফারিও নিজেই থাকে।

Salim Ahmed
১৩ জানুয়ারি ২০২১, বুধবার, ৩:১৬

রাইট

mohammed shahin
১৩ জানুয়ারি ২০২১, বুধবার, ৪:০৬

রাইট স্যার আপনাকে ধন্যবাদ সত্ত কথা বলার জন্য

MD. HASAN SHAHID FER
১৩ জানুয়ারি ২০২১, বুধবার, ৩:৫৪

চোখ ভেজানো আপনার মর্ম স্পর্শী লেখার সাথে একমত পোষণ করছি । কারো নাম ঠিকানা উল্লেখ না করে বিটিভি'র কোনো জনপ্রিয়ও অনুষ্টানের মাধ্যমে সারাবিশ্বে এই লেখাটির ব্যাপক প্রচার কামনা করছি ।...............ফেরদৌস ।

Amin shobuj
১৩ জানুয়ারি ২০২১, বুধবার, ২:৪২

কথা গুলো সত্যি অসাধারণ লাগছে।

Rahman
১৩ জানুয়ারি ২০২১, বুধবার, ২:০৫

সহমত।

Md. Shaheen Mia
১৩ জানুয়ারি ২০২১, বুধবার, ২:১২

আমরা নি:সন্দেহে বলতে পারি মিডিয়াগুলো নোংরামি ছড়াবার জন্য অনেকখানি দায়ী। কোন সেলিব্রেটির বিয়ের আগে বাচ্চা হলো, কোন সেলিব্রেটি লিভ টুগেদার করছেন-এসব সংবাদকে স্বাভাবিক সংবাদ হিসেবে উপস্থাপন করা হয় প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়াতে। সিনেমায় নোংরামির জন্য দোষ দেয়া হয় ময়ুরী আর মুনমুনকে। সুশীল সমাজ কর্তৃক সমাদৃত 'ব্যাচেলর' আর 'থার্ড পার্টি সিংগুলার নাম্বার' সিনেমা থেকে বাঙালী কী শিখেছে? অনৈতকতা ছাড়া আর কিছুই নয়।

Dewan Amir Shohel
১৩ জানুয়ারি ২০২১, বুধবার, ২:০২

আপনার লিখাটি পড়ে যদি, জাতির কর্তা ব্যক্তিদের একটু বোধদয় হয়, আর সাথে সাথে মিডিয়া যদি আরো সচেতন হয়, তবেই আপনার এ লেখা সার্থক হবে। আপনার মঙ্গোল কামনা করছি।

sienat
১৩ জানুয়ারি ২০২১, বুধবার, ১২:৫৬

স্যার আপনার প্রতি সম্মান রেখেই বলছি এবং আপনার কথাকে সমর্থন করছি তবে যদি মিডিয়ায় ব্রিফিং দেওয়া না হতো তাহলে বলা হতো এই ঘটনা আওয়ামী লীগ বা প্রশাসন করেছে সেজন্য বাইরের কাউকে কিছু জানতে দেওয়া হচ্ছেনা। যেমন কুর্মিটোলায় ঢাবি ছাত্রী ধর্ষনের আলামত মিডিয়ায় দেখানোর পরও এক শ্রেণীর লোক মজনুকে ধর্ষক মানতে নারাজ। এই ঘটনায় দিহানের যদি মুখে দাড়ি থাকতো তাহলে সে হয়ে যেতো জামাত শিবির আর ছাত্রলীগ হলে তো দেশ তোলপাড় হয়ে যেতো।

Fahmida
১৩ জানুয়ারি ২০২১, বুধবার, ১২:৫৩

আমাদের মনূষ্য সমাজ থেকে দিন দিন মনূষ্যতা হারিয়ে যাচ্ছে যার ফলে এইরুপ ঘটনা বৃদ্ধি পেয়েছে.

Md mosaruf hossin
১৩ জানুয়ারি ২০২১, বুধবার, ১২:০০

রাইট স্যার আপনাকে ধন্যবাদ সত্ত কথা বলার জন্য

রাতুল বোস
১৩ জানুয়ারি ২০২১, বুধবার, ১১:৩৯

যদি আপনি বাংলাদেশে থেকে থাকেন কোনোদিনো তাহলেতো জানার কথা, এই জাতীয় ব্রিফিয় নতুন কিছুনা। তবে আমি এই বেলাতে এই ব্রিফিং এর জন্য খুশি, কারন বাংলাদেশে মেয়ে দের প্রতি মিডিয়া আইন সবাই বায়াসড। এইসব ব্রিফিং না হলে সন্তানের ঠিক গাইডেন্স দিতে ব্যারথ বাবা মা দেখা যেতো আরো তিনটা ছেলেকে খুনের মামলা তে ফাসিয়ে দিতো।

anisur Rahman
১৩ জানুয়ারি ২০২১, বুধবার, ১১:২৯

Perfect and ....................perfect

MOHD NAZRUL ISLAM
১২ জানুয়ারি ২০২১, মঙ্গলবার, ১০:২৬

CORRECT REALIZATION

Md. Harun al-Rashid
১৩ জানুয়ারি ২০২১, বুধবার, ১১:২৬

লেখাটির সারবত্তা যদি বুঝে থাকি তা হলো ঘটনা দৈব দূর্বিপাকে ঘটে যাওয়া দু'টি ছেলে মেয়ের বয়সের উদগ্র কামনা মেটানোর মত একটা গোপনীয় ব্যপার-যা তারা সিনেমা নাটক দেখে অনুশীলন করতে যেয়ে থাকবে। তবে এর দ্বারা প্রানহানী ঘটানোই যত বিপত্তি। সরল সমীকরনে বিবৃত করলেন মনোচিকিৎসক ও প্রাক্তন পুলিশ কর্মকতা। মিডিয়া এবং সংবেদনশীল পাঠকগন ঘটনাটি তাঁর মত করে দেখবেন এটা যেমন ঠিক নয় তেমনি অসংযত বিলাসী জীবনে অভ্যস্হ ধনীর দুলালের বেপরোয়া হয়ে উঠার পেছনে পিতামাতার ব্যর্থতা না বিবৃত করা ঠিক হয় কিভাবে। পিতামাতার দায়িত্বহীনতা দুই জনের বেলায় প্রযোজ্য। ধর্ষনতো সংস্কৃতি নয় এটা ব্যাধি। ব্যাধিই সংক্রামিত হয়। সন্তানের দেখাশুনায় পরিবারগুলির প্রস্তুতি শ্রেনিকক্ষে পাঠদানের মত রুটিন ব্যপার নয়। এটা আমানতদারি।নিরন্তর প্রক্রিয়া। উভয়ের মধ্যে একটা অভাব ছিল।সে অভাবের বিষয়টা নৈতিক শিক্ষায় পুষ্ট হলে জীবনগুলি রক্ষা পেত।

JunayedAhmad
১২ জানুয়ারি ২০২১, মঙ্গলবার, ১০:১০

কথা গুলো খুবই যুক্তসংগত,,

Hafiz kashem
১২ জানুয়ারি ২০২১, মঙ্গলবার, ১০:০৩

চমৎকার লিখেছেন স্যার, তবে একটু যদি তাদের নিয়েও কিছু লিখতেন, যারা আমাদের সমাজে ধর্ষণ প্রমোট করে চলেছেন, বিয়ে না করে লিভিং রিলেশনের সংস্কৃতি প্রমোট করে চলেছেন। যারা ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির বিরুদ্ধে গিয়ে সমাজকে দুষিত করে চলেছেন। ধর্মীয় বাধা নাই বা লিখলাম। ধন্যবাদ স্যার।

hasibul
১৩ জানুয়ারি ২০২১, বুধবার, ১০:৫৮

excellent and brave writing

shahabul Alam
১২ জানুয়ারি ২০২১, মঙ্গলবার, ৯:৫৩

বাংলাদেশে যে কি পরিমাণ ***আছে তা ফেসবুক না থাকলে বুঝতে পারতাম না। অনেক সুন্দর বিশ্লেষণ করেছেন, কিছু মিডিয়া এমন অসভ্য শিরোনাম করেছে বিষয়ে করে Rtv যা open করতে ও লজ্জা লাগছে।

এবাদুল্লাহ
১৩ জানুয়ারি ২০২১, বুধবার, ১০:৩৮

চমতকার বলেছেন, সুন্দর বিশ্লেশণ...

sagor
১৩ জানুয়ারি ২০২১, বুধবার, ১০:২৬

'যদি আপনাদের রাগ প্রকাশ করতেই হয় তাহলে যে বা যারা এ ধরনের কাজকে বাংলাদেশের সমাজ ও সংস্কৃতিতে প্রমোট করছেন তাদেরকে জবাবদিহিতার অধীনে নিয়ে আসুন।' Well said

অন্যান্য খবর