× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতা
ঢাকা, ৯ মার্চ ২০২১, মঙ্গলবার

'মহামারির মধ্যেও অত্যধিক রেমিট্যান্সপ্রবাহ নিয়ে সংশয়'

অনলাইন

স্টাফ রিপোর্টার
(১ মাস আগে) জানুয়ারি ১৭, ২০২১, রবিবার, ৮:১৯ অপরাহ্ন

করোনা মহামারির মধ্যেও অত্যধিক রেমিট্যান্সপ্রবাহ নিয়ে সংশয় তৈরি হয়েছে। দেখা দিয়েছে বিভিন্ন প্রশ্ন। মহামারির মধ্যে এত বেশি রেমিট্যান্স কোথা থেকে আসছে, কীভাবে আসছে এবং ভবিষ্যতে আরও কতদিন এভাবে আসবে এসব প্রশ্ন তার মধ্যে অন্যতম। গত বছর দুই লাখেরও বেশি প্রবাসী দেশে ফিরে এলেও প্রবাসী আয়ের রেকর্ড সৃষ্টি হয়েছে। কেউ কেউ বলছেন, কিছু দেশ থেকে প্রবাসীরা তাদের শেষ সঞ্চয় নিয়ে একেবারে দেশে ফেরার কারণে এ রেমিট্যান্সপ্রবাহ বেড়েছে। আবার সরকারি ২ শতাংশ প্রণোদনাকেও রেমিট্যান্স বৃদ্ধির কারণ হিসেবে দেখছেন অনেকেই। কিন্তু এত সব প্রশ্নের উত্তরে এই কারণগুলো কতটা যৌক্তিক তা খুঁজে দেখার সময় এসেছে।

রোববার বেসরকারি গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) এক ভার্চুয়াল সংলাপে এসব কথা বলেন, সংস্থাটির সম্মানীয় ফেলো বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য।

তিনি জানান, এসডিজি প্ল্যাটফর্মের দেয়া তথ্য অনুযায়ী, ২০২০ সালে আমাদের পাশের দেশ ভারতের রেমিট্যান্সপ্রবাহ কমেছে ৩২ দশমিক ৩ শতাংশ। ফিলিপাইনের প্রবাহ কমেছে শূন্য দশমিক ৯ শতাংশ।
কিন্তু এর বিপরীতে বাংলাদেশের রেমিট্যান্সপ্রবাহ বেড়েছে ১৮ দশমিক ৪ শতাংশ। ২০২০ সালের জানুয়ারি থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত বাংলাদেশের সংগৃহীত রেমিট্যান্সের পরিমাণ দুই হাজার ১৭৪ কোটি ১৮ লাখ মার্কিন ডলার। অন্যদিকে শুধু ছয় মাসের ব্যবধানে এ প্রবৃদ্ধি ছিল ৩৮ শতাংশ।

সিপিডি জানায়, কোভিড-১৯ মহামারির ধাক্কায় পুরো বিশ্বের অর্থনীতি পর্যুদস্ত। কমে গেছে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য। বিপুল সংখ্যক প্রবাসী শ্রমিক কাজ হারিয়ে দেশে ফিরেছেন। বিপুল সংখ্যক তাদের কর্মস্থলে ফিরে যেতে পারেননি। প্রাবাসী আয়ের ক্ষেত্রে এর প্রভাব নিয়ে সবাই শঙ্কিত ছিলেন এবং এ কারণে বিশ্বব্যাপী প্রবাসী আয় হ্রাস পাবে বলে ধারণা করা হয়েছিল। কিন্তু বিস্ময়ের সঙ্গে দেখা যাচ্ছে যে, প্রবাসী আয়ের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ রেকর্ড করে চলেছে। প্রবাসী আয়ের এ ঊর্ধ্বমুখী ধারা যেমন আমাদের জন্য স্বস্তিদায়ক, ঠিক একইভাবে তা নিয়ে রয়েছে নানা আলোচনা। এই অর্থের উৎস নিয়েও রয়েছে নানা বিতর্ক।

সমাপনী বক্তব্যে দেবপ্রিয় বলেন, দেশে ফেরা শ্রমিকদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা না গেলে সমস্যায় পড়বে বাংলাদেশ। কারণ কর্মসংস্থানের ওপর ভিত্তি করেই বৈশ্বিক উন্নয়ন কর্মসূচি অর্জন নির্ভর করছে। অনেকেই বলছেন, রেমিট্যান্সের প্রবাহ ২০২১ সালে শেষ পর্যন্ত চলতে পারে আবার কারও কারও মতে অব্যাহত থাকবে এই প্রবৃদ্ধি। তিনি আরও বলেন, প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংকের মাধ্যমে ২০০ কোটি টাকা বিতরণ কার্যক্রম নেয়া হয়েছে তার মধ্যে মাত্র কয়েক লাখ টাকা বিতরণ করেছে ব্যাংকটি। নানা অসুবিধার কারণে প্রবাসীদের কাছে টাকা পৌঁছাতে পারছে না তারা। এখন প্রশ্ন উঠেছে, কেন অন্য কোনো সিডিউল ব্যাংকের মাধ্যমে এই ঋণ বিতরণ করা হবে না।খেটে খাওয়া এইসব মানুষের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থার জন্য যেকোনোভাবে সরকারের এগিয়ে আসা উচিত বলে মনে করেন তিনি।

সংলাপে রিফিউজি অ্যান্ড মাই গ্রিটিং মুভমেন্ট রিসার্চ ইউনিট (রামরু) এর চেয়ারপারসন অধ্যাপক তাসনীম সিদ্দিকী বলেন, রেমিট্যান্সের ঊর্ধ্বগতি মানে প্রবাসীরা ভালো আছেন এটা ভাবা উচিত নয়। তবে যেসব প্রবাসী ইতিমধ্যেই কাজ হারিয়ে দুরবস্থার মধ্যে রয়েছেন তাদের বিষয়ে বিশেষ গুরুত্ব দেয়া উচিত।

সিপিডির ফেলো অধ্যাপক মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) ১০.৭.১ দেশগুলোকে বিদেশে শ্রমিক পাঠানোর খরচ কমাতে হবে। একই সঙ্গে কী পরিমাণ রেমিটেন্স প্রবাহিত হচ্ছে, তা বিবেচনা না করে বাংলাদেশ থেকে বিপুল ব্যয়ে শ্রমিক পাঠানোর মূল্য তার উপযুক্ত প্রাপ্য দিয়ে সমাধান করা উচিত। তিনি বলেন, প্রবাসে যাওয়া শ্রমিকদের পেছনে বেশি ব্যয় এবং তাদের পরিবারের প্রকৃত রেমিটেন্স সুবিধার বিষয়টি আমাদের মাথায় রাখতে হবে।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
Kazi
১৮ জানুয়ারি ২০২১, সোমবার, ১:২৫

Mr Devopriyo and Mr Mustafizur Rahman Canada, USA declared Covid compensation packages for all individuals and businesses. Individuals are getting more than what he could earn. The bigger amount is selected to give mental strength in individual to fight against covid. But Bangladeshi foolish people are sending extra money to Bangladesh. Britain didn't give individual such compensation. But to get mercy from Allah, blessings from poor relatives they are also sending more help for poor relatives. The 2% compensation on legal remittance off course a right decision by government. This encourages people to stop illegal laundering. This has change a lot. Government can estimate how much money were sent before through illegal channels. Corruption money were charged thru that channel. So corrupt money now loss means to convert in foreign currency. One point I could not agree, people bring all savings to bring to Bangladesh as a result remittance increased. No totally disagree. Because poor labour has no tremendous savings in the country where he works. They live hand to mouth. This remittances will or may decrease. But we have various occasions like Ramadan, Eid so it will increase by that time again. Canada and USA will continue compensation packages until Corona is over. So inflow of cash in these countries will never cease. Remittance will not cease too.

Nam Nai
১৮ জানুয়ারি ২০২১, সোমবার, ১০:৪৫

These researchers rely on Books than the real situation on the ground . The fact is 40-50% of Remmitance used to come via Hundi , due to Coro Virus ( and Airlines flight not available plus 2% Govt. incentives ) increased the flow of money .

আহমেদ
১৭ জানুয়ারি ২০২১, রবিবার, ৮:২৭

Because of bank pay 2%.

মোস্তফা কামাল
১৭ জানুয়ারি ২০২১, রবিবার, ৬:১৯

করোনা কালীন সময়ে হুন্ডি লেনদেন কমে যাওয়ার ফলে রেমিট্যান্স এর প্রবাহ ব্যাংক চ্যানেলে চলে এসেছে সাথে যোগ হয়েছে সরকার যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত প্রণোদনা। আর ইহাই প্রবাসীদের প্রকৃত আয়। হুন্ডি সিন্ডিকেট ১০০% ব্ন্ধ করা গেলে রেমিট্যান্স আরও দ্বিগুণ হবে।

Zahedul Haque
১৭ জানুয়ারি ২০২১, রবিবার, ৩:০১

ব‍্যাঙ্ক, বীমা,শেয়র মার্কেট ও বিভিন্ন সেক্টর থেকে চুরি, ডাকাতি ও লুটপাটের টাকা বিদেশী প্রবেসীদের রেমিটেন্স হয়ে ঢুকছে। আবার সময় মত এই টাকা তুলে নিবে, এটি শেখ হাছিনার কেরামতি

Rafe Chowdhury
১৭ জানুয়ারি ২০২১, রবিবার, ১২:৪০

Thank you for your report Mr writer. I think majority of the people who live in the foreign countries has a soft heart and they always want to support their loved ones in bangladesh. No matter how much they earn and what income they have . Because of this current pandemic people are more supportive than ever. If you consider my family we earn very less but we donate nearly all after keeping little for our bread and butter. I believe everyone like us living in the UK and somewhere else are same specially now . Donating a lot right now. This could be one of the reasons remittance are more in bangladesh. People who carry out research into financial activities should consider my opinion if they want to get better results. T Sorry about the English writing. Thanks

Saif
১৭ জানুয়ারি ২০২১, রবিবার, ১০:৪০

No hundi and huge retirement income (indemnity) but overall good sign. Joy bangla.

Nejam Kutubi
১৭ জানুয়ারি ২০২১, রবিবার, ১০:৩২

এখানেও সন্দেহ? উন্নয়ন হলেও আমাদের দোষ! সরকার কি ফক্সি খেলেছে?

Toheedur Rahman
১৭ জানুয়ারি ২০২১, রবিবার, ৯:২৯

মনে হচ্ছে পাচার হওয়া টাকার একটা অংশও চোরেরা এই সুযোগে রেমিট্যান্স ঘোষনা দিয়ে নিয়ে আসছে।

Morshed
১৭ জানুয়ারি ২০২১, রবিবার, ৯:২৪

আমি যেই লোক মাসে ২ লাখ টাকা পাঠাতাম এই বছর মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত ২ লাখ পাঠাইতে পারি নাই। এর অবৈধ সরকার বলছে রেকর্ড পরিমান রেমিট্যান্স আসছে।

Mohammad Rahman
১৭ জানুয়ারি ২০২১, রবিবার, ৮:১৮

Black money converted to white

Ikram
১৭ জানুয়ারি ২০২১, রবিবার, ৭:৪৭

Bank 2% pay koray na

অন্যান্য খবর