× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতা
ঢাকা, ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২১, শনিবার

চিরিরবন্দরে সরকারি ঘর পাচ্ছে ২১৫টি গৃহহীন পরিবার

বাংলারজমিন

চিরিরবন্দর (দিনাজপুর) প্রতিনিধি
২০ জানুয়ারি ২০২১, বুধবার

মুজিববর্ষে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ উপহার হিসেবে পাকা ঘর পাচ্ছে দিনাজপুরের চিরিরবন্দর উপজেলার ২১৫টি গৃহহীন পরিবার। প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ উপহার পেয়ে খুশি ভূমিহীন পরিবারগুলো। প্রধানমন্ত্রীর উপহার  হিসেবে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের অর্থায়নে ভূমিহীন ও গৃহহীনদের জন্য এ ঘরগুলো দ্রুত নির্মিত হচ্ছে।
সরজমিনে দেখা যায়, উপজেলার ১২টি ইউনিয়নের গৃহহীনদের জন্য নির্মিত বাড়ির কাজ চলছে। কোথাও বা কাজ শেষের দিকে। উপজেলার তেঁতলিয়া ইউনিয়নের বৈকুণ্ঠপুর গ্রামের ভূমিহীন খুকিবালা রায় জানান, ‘বিয়ের কয়েক বছর পর স্বামী মারা যান। সন্তানরা আলাদা থাকায় অন্যের বাড়িতে কাজ করে কুঁঁড়েঘরে জীবনযাপন করেন। প্রধানমন্ত্রীর দেয়া পাকা বাড়ি ও জমির খবরে যেন খুশির শেষ নেই তার।’ একই ইউনিয়নের গোন্দল গ্রামের ৫৮ বছর বয়সী আদিবাসী মহিলা মাইনো বাসরা বলেন, ‘মুই বুড়া (পুরাতন) টিন আর সিনডার (পাটখড়ি) চাটি (বেড়া) দিয়া ঝুঁপড়িঘর করি আছুনু। বাইরোত ভাত আন্দি (রান্না) খাছো।
মুই মেলা কষ্ট করি জীবন চালাছো। মাসখানেক আগত ইউএনও মোর বাড়িত আসি ছবি তুলি নিছে আর কয়া গেইছে মোক নাকি শেখের বেটি বাড়ি দ্যাছে। এ্যালা নয়া ঘর তৈরি হইছে। ভগবান শেখের বেটির ভালো করুক।’ তার মতো উপজেলার ২১৫টি দরিদ্র গৃহহীন পরিবার মুজিববর্ষে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ উপহার হিসেবে পাচ্ছেন পাকা বাড়ি। এতে উচ্ছ্ব্সিত তারা।
দুই কক্ষবিশিষ্ট সেমিপাকা ঘর নির্মাণে প্রতিটি ঘর বাবদ বরাদ্দ দেয়া হয়েছে ১ লাখ ৭১ হাজার টাকা। প্রতিটি ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারের জন্য থাকছে আধুনিক সুযোগ-সুবিধা সংবলিত দুই কক্ষবিশিষ্ট ঘর, টয়লেট, কিচেন ও স্টোর রুম। এরই মধ্যে কাজের অগ্রগতি প্রায় শেষের দিকে। নির্মাণাধীন ঘরগুলো সার্বিকভাবে তদারকি করছেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) আয়েশা সিদ্দীকা, সহকারী কমিশনার (ভূমি) ইরতিজা হাসান ও উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. মনোয়ারুল ইসলাম।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিসার মো. মনোয়ারুল ইসলাম জানান, উপজেলায় ৩ কোটি ৭৬ লাখ ৬৫ হাজার টাকায় এ ঘরগুলো নির্মিত হচ্ছে। কাজ প্রায় শেষের পথে। আগামী ২-৩ দিনের মধ্যে সম্পূর্ণ হয়ে যাবে।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) আয়েশা সিদ্দীকা জানান, ‘বাংলাদেশের একজন মানুষও গৃহহীন থাকবে না’- প্রধানমন্ত্রীর এই প্রতিশ্রুতিকে সামনে রেখে সরকারের আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পের মাধ্যমে প্রকৃত ভূমিহীন ও গৃহহীনদের পাকা গৃহ নির্মাণের এই প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। সময়মতো কাজ শেষ করার পাশাপাশি নির্মাণকাজের গুণগত মান ঠিক রাখতে নিয়মিত তদারকি করা হচ্ছে। আগামী ২৩শে জানুয়ারি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ভিডিও কনফারেন্সিংয়ের মাধ্যমে একযোগে দেশব্যাপী এ ঘরগুলোর বিতরণ উদ্বোধন করবেন।

   

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর