× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতা
ঢাকা, ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২১, রবিবার
ভ্যাকসিন কূটনীতি

দক্ষিণ এশিয়ায় ভারত-চীন প্রতিযোগিতা

অনলাইন

কূটনৈতিক রিপোর্টার
(১ মাস আগে) জানুয়ারি ২১, ২০২১, বৃহস্পতিবার, ১০:০৫ অপরাহ্ন

ভ্যাকসিন দিয়ে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মন পেতে চাইছে ভারত ও চীন। দেশ দু’টির মধ্যে এ নিয়ে বেশ প্রতিযোগিতার আভাস স্পষ্ট। প্রায়শঃই আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যম এ সংক্রান্ত নানা বিশ্লেষণ ছাপছে। সর্বশেষ বার্তা সংস্থা রয়টার্স-এর দিল্লি ও কাঠমা-ুর যৌথ ডেটলাইনে “ইন্ডিয়া’স ভ্যাকসিন ডিপ্লোমেসি ইন সাউথ এশিয়া পুশেস ব্যাক এগেইনস্ট চায়না” শীর্ষক বিশ্লেষণে তা ওঠে এসেছে। সেখানে বলা হয়েছেÑ আগামী কয়েক সপ্তাহে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোতে মিলিয়ন মিলিয়ন করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিন পৌঁছাবে ভারত। এর মধ্য দিয়ে এ অঞ্চলের সরকারগুলোর ব্যাপক প্রশংসা পাবে তারা। যা দক্ষিণ এশিয়ায় চীনের প্রভাবের বিরুদ্ধে শক্তি হিসাবে বিবেচ্য হবে। এস্ট্রাজেনেকার সেই ভ্যাকসিন ভারতের সিরাম ইনস্টিটিউট তৈরি করছে।
যা বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশে যাচ্ছে। বাংলাদেশ ও নেপালে এরইমধ্যে ভ্যাকসিন পৌঁছে গেছে। ভারতীয় জনগণের পক্ষ থেকে এসব দেশের জনগণের জন্য উপহার হিসাবে ওই চালান পাঠানো হয়েছে। মিয়ানমার ও সেশেলসেও এই ভ্যাকসিন পাঠানো হবে। ভ্যাকসিন বিষয়ে নেপালি স্বাস্থ্যমন্ত্রী হৃদায়েশ ত্রিপাঠি বলেন, ভারত সরকার ভ্যাকসিন পাঠিয়ে আমাদের শুভকামনা জানিয়েছে। নেপালের সাধারণ মানুষ যারা করোনায় সবথেকে বেশি সংকটে পড়েছে তারা এই পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়েছে। সম্প্রতি ভারত ও নেপালের মধ্যেকার স¤পর্ক সীমানা ইস্যুতে তলানিতে গিয়ে পৌঁছায়। একইসময় নেপালে চীনের ক্রমাগত অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক প্রভাব ভারতকে উদ্বিগ্ন করে তুলে। চীন প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, নেপালের করোনা মোকাবেলায় সাহায্য করবে। চীনা ভ্যাকসিনের অপেক্ষায় রয়েছে নেপাল। এ নিয়ে নেপালি ওষুধ নিয়ন্ত্রণ সংস্থার মুখপাত্র সান্তোশ কে. সি. বলেন, আমরা চীনের কাছে তাদের ভ্যাকসিন অনুমোদনের জন্য সকল নথিপত্র ও তথ্য চেয়েছি। বিশ্লেষণে বলা হয়, চীনা ফার্ম সিনোভ্যাক বায়োটেকের ১ লাখ ১০ হাজার ডোজ ভ্যাকসিন (ফ্রি) পাওয়ার কথা ছিল বাংলাদেশের। কিন্তু ঢাকা উন্নয়ন ব্যয় মিটাতে অস্বীকৃতি জানানোর কারণে তা আটকে যায়। ফলে ভ্যাকসিনের জরুরি সাপ্লাই’র জন্য বাংলাদেশ ভারতের দিকে হাত বাড়ায়। ভারত অবশ্য সাড়া দিয়েছে। মোদি সরকার বাণিজ্যিকভাবে ভ্যাকসিন পাঠানোর আগে বাংলাদেশকে উপহার হিসাবে ২০ লাখ ডোজ পাঠিয়ে দিয়েছে। যা বৃহস্পতিবার ঢাকায় এক অনুষ্ঠানে হস্তান্তর করা হয়। বাংলাদেশের স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা বলছেন, ইন্ডিয়ার তৈরি অ্যাস্ট্রাজেনেকা ভ্যাকসিন অন্য ভ্যাকসিনের চেয়ে ব্যতিক্রম। কারণ এটি বাংলাদেশের মতো দেশে সাধারণ রেফ্রিজেটরে রেখে পরিবহন এবং সংরক্ষণ করা যায়।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর