× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতা
ঢাকা, ১ মার্চ ২০২১, সোমবার

কুয়েতে বাংলাদেশিসহ একাধিক দেশের নাবিকদের অনশন তৃতীয় সপ্তাহে

বিশ্বজমিন

মানবজমিন ডেস্ক
(১ মাস আগে) জানুয়ারি ২৪, ২০২১, রবিবার, ৫:১৬ অপরাহ্ন

কুয়েতের শুয়াইবা বন্দরে এমভি উলা নামের একটি জাহাজে কর্মরত বাংলাদেশ, ভারত, তুরস্ক ও আজারবাইজানের নাবিকদের অনশন তৃতীয় সপ্তাহে গড়িয়েছে। তাদের বেশিরভাগই একটানা ১৪ মাসের বেশি ধরে জাহাজে রয়েছে এবং তাদেরকে গত ১১ মাস ধরে কোনো বেতন দেয়া হচ্ছে না। নাবিকরা এখন তাদের বকেয়া বেতন দাবি ও পরিবারের কাছে ফিরে যাওয়ার সুযোগ চেয়ে অনশন করছেন।  

জাহাজের মালিকের কাছে নাবিকদের প্রায় ৪ লাখ ডলার বেতন বকেয়া রয়েছে। গত ৭ই জানুয়ারি নাবিকদের এই অনশন শুরু হয়। এরইমধ্যে অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৬ জন। খাবার ও পানি না খাওয়ায় তাদের জীবন ঝুঁকিতে রয়েছে। আন্তর্জাতিক পরিবহণ শ্রমিকদের নিয়ে কাজ করে এমন সংগঠন আইটিএফের এক কর্মকর্তা মোহাম্মদ আরাচেদি।
তিনি বলেন, কুয়েত কর্তৃপক্ষকে অবশ্যই এই নাবিকদের জীবন বাঁচাতে ব্যবস্থা নিতে হবে। জাহাজের মালিক হচ্ছেন কাতারের নাগরিক এবং এটি পালাউয়ের পতাকাধারী। উভয় পক্ষই অনশরনত নাবিকদের কথা ভুলে গেছে। তাই এখন কুয়েতই যাতে তাদের নেতৃত্বের প্রমাণ হিসেবে এই সংকট সমাধান করতে উদ্যোগি হয় দেশটির শাসকগোষ্ঠীর প্রতি সে আহবান জানিয়েছি আমরা। তিনি আরো জানান, জাহাজের বেশিরভাগ ক্রু ১৪ মাস ধরে টানা জাহাজে আছেন। অনেকেই আছেন দুই বছরের বেশি সময় ধরে। তারা কুয়েত সরকারের কাছে দাবি করছেন, যাতে স্থানীয় নাবিকদের জাহাজে নিয়োগ দিয়ে, তাদের বাড়ি ফেরার সুযোগ করে দেয়া হয়।  

জিডিএন অনলাইন জানিয়েছে, গত ১১ মাস ধরে এমভি উলার কাতারি মালিক জাহাজের নাবিকদের বেতন পরিশোধ বন্ধ রেখেছেন। জাহাজটি আসওয়ান ট্রেডিং এন্ড কন্ট্রাক্টিং কো¤পানির। কো¤পানিটিকে ২০১৭ সালে কালো তালিকাভুক্ত করা হয়। এখন জাহাজে কর্মরত নাবিকদের বিষয়ে আর ভাবছেনা কো¤পানিটি। নাবিকরা বলছেন, বেতনের টাকা ছাড়া তারা খালি হাতে জাহাজ ছেড়ে চলে যেতে পারেন না।

আইন অনুযায়ী, যখন কোনো জাহাজ পরিত্যাক্ত করা হয় তখন পতাকাধারী রাষ্ট্র কর্মরত নাবিকদের বেতন নিশ্চিত করে। সে হিসেবে প্রথমে এ দায়িত্ব ছিল পালাউয়ের। ২০২০ সালের সেপ্টেম্বরে পালাউ জাহাজটির নিবন্ধন বাতিল করে। কিন্তু তারা এই সংকট সমাধানের কোনো চেষ্টা চালায়নি।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর