× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতা
ঢাকা, ৫ মার্চ ২০২১, শুক্রবার

জেএসসি ও পিইসি পরীক্ষা স্থায়ীভাবে বাতিলের সুপারিশ

অনলাইন

অনলাইন ডেস্ক
(১ মাস আগে) জানুয়ারি ২৪, ২০২১, রবিবার, ৯:৫২ অপরাহ্ন

জেএসসি (অষ্টম শ্রেণির জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট) এবং পিইসি (পঞ্চম শ্রেণির প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী) পরীক্ষা স্থায়ীভাবে বাদ দেয়ার সুপারিশ করেছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ও ইস্ট ওয়েস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান উপদেষ্টা মোহাম্মদ ফরাসউদ্দিন। রোববার আন্তর্জাতিক শিক্ষা দিবস উপলক্ষে রাজধানীতে বাংলাদেশ ইউনেস্কো জাতীয় কমিশন আয়োজিত এক আলোচনা সভায় এই সুপারিশ করেন মোহাম্মদ ফরাসউদ্দিন। ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে আলোচনা সভায় ফরাসউদ্দিন বলেন, পঞ্চম শ্রেণির ও অষ্টম শ্রেণির পাবলিক পরীক্ষা নিয়ে কিন্তু অভিযোগ আছে। তিনি বলেন, এই কোভিড-১৯-এর কারণে এবার এই দুই পরীক্ষা হয়নি। একে স্থায়ীভাবে বাদ দেয়া যায় কিনা, সেই চিন্তা বোধ হয় করা দরকার। আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি বলেন, পিইসি ও জেএসসি পরীক্ষা নিয়ে নানা মত রয়েছে। বিশেষ করে প্রাথমিকের পরীক্ষাটি অধিকাংশ মানুষই বলছেন তারা এটি চান না। এগুলো নিয়ে আলাপ-আলোচনা নানা জায়গায় হচ্ছে।
এটি নিয়ে এই মুহূর্তে কোনো সিদ্ধান্ত আমাদের কাছে নেই। তারপরও এগুলো নিয়ে আমরা ভেবে দেখছি। কম বয়সীদের কোভিড-১৯ আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি কম হওয়ায় স্বাস্থ্যবিধি মেনে প্রাথমিক বিদ্যালয় খুলে দেয়ার ব্যবস্থার পক্ষে মত দেন মোহাম্মদ ফরাসউদ্দিন। তার পরামর্শ হলো- দিনে সকাল-বিকাল দুটি পালায় ভাগ করে ক্লাস নেয়া। প্রতি ভাগ সপ্তাহে তিন দিন বিদ্যালয়ে আসবে। তবে প্রাথমিক ও মাধ্যমিকের শিক্ষকদের মূল বেতনের সমপরিমাণ অতিরিক্ত আর্থিক সুবিধা দিয়ে অনুপ্রাণিত করার পরামর্শ দেন তিনি। ফরাসউদ্দিন বলেন, এভাবে এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের কাটছাঁট সিলেবাসে তিন মাস ক্লাস করতে পারলে মে মাসের শেষে এসএসসি এবং জুনের শেষে এইচএসসি পরীক্ষা নেয়া যেতে পারে। আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব মাহবুব হোসেন। অনুষ্ঠনে বক্তব্য দেন শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী, কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব আমিনুল ইসলাম খান, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিব হাসিবুল আলম, ইউনেসকোর বাংলাদেশের প্রতিনিধি বিয়াট্রিস কালডুন।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
Juned Ahmed Chowdhur
২৫ জানুয়ারি ২০২১, সোমবার, ২:২৪

Psc o Jsc examination satro jibone kub joruri,karon er maddome valo satrora aro valo hoy ebong tader vitor utshaho jugai jar karone mul teke ekti satro goria ute,jar fole ssc hsc te valo result hoy.borong ekta kaj kora jete pare durbol satro ke fail raka jabe na tader ke o ekta certificate dia upor er class e porar bebosta raka joruri,jai ta British o europe kore take tara fail satro ke o ekta certificate dia upor er class e promotion dei.

আবুল কাসেম
২৪ জানুয়ারি ২০২১, রবিবার, ৭:৪৪

বহু আগে থেকেই বিজ্ঞজনেরা পিইসি ও জেএসসি'র পাবলিক পরীক্ষা বাতিলের দাবি জানিয়ে আসছেন। মূলত এ দুটো পরীক্ষা শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের ভোগান্তি ছাড়া কোনো উপকারে আসেনি। এ দুটো পরীক্ষা দিয়েছে কচি শিশুমনের উপর মাত্রাতিরিক্ত চাপের বিরূপ প্রভাব প্রতিক্রিয়া এবং শিক্ষা জীবন থেকে ঝরে পড়া। শিশু কিশোরদের অপরিণত বয়সে তাদের উপর পরীক্ষার বোঝা চাপিয়ে দিয়ে একঝাঁক শিক্ষার্থীকে একরকম শিক্ষা থেকে ঝরিয়ে পড়তে বাধ্য করা নয় কি? শিক্ষা থেকে যাদেরকে ঝরে পড়তে বাধ্য ও বঞ্চিত করা হয়েছে তাদের জীবনে অন্ধকার নেমে আসা স্বাভাবিক। এরপর এরা যখন নানারকম অপরাধে জড়িয়ে পড়ে তখন অন্ধকার নেমে আসে পরিবারের উপর। ভূপেন হাজারিকার 'না ফোটা ফুলের কলিরা ঝরে গেছে অনাদরে'র মতো এরাও ফোটার আগেই ঝরে পড়ে। হতাশা থেকে এরা যখন অপরাধের পথে পা বাড়ায় তখন এদেরকে বলা হয় 'কিশোর অপরাধী'। যাই হোক, কচি শিশুদের উপর পরীক্ষার বোঝা না চাপিয়ে তাদেরকে ভবিষ্যতের জন্য উপযুক্ত করে গড়ে তোলাই হচ্ছে যুক্তিযুক্ত। আমরাই তাদেরকে বলে থাকি 'একবার না পারিলে দেখো শতবার'। তাহলে তারা একবার না পারলে আমরা শতবার তাদেরকে শেখাতে পারবোনা কেনো? পরীক্ষা নয়, মানুষ হওয়ার জন্য বরং শিক্ষাটাই জরুরি। এ প্রসঙ্গে আরেকটি বিষয়ের দিকে নজর দেয়া আবশ্যক। সেটা হচ্ছে, কোচিং বাণিজ্য। কোচিং বাণিজ্য শিক্ষার্থীদের প্রতিভা বিকাশের অন্তরায়। মাঝখান থেকে অভিভাবকদের উপর বাড়তি খরচের চাপ তৈরি হয়। সুতরাং, কোচিং বাণিজ্যও বন্ধ করা অপরিহার্য। আগামী মাস থেকে সীমিত আকারে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়া হচ্ছে। তবে কোচিং সেন্টার খোলা ঠিক হবে না। কারণ করোনা'র গতি প্রকৃতি বিশ্বের অনেক দেশে নতুন মোড় নিচ্ছে। তা ছাড়া করোনা ভাইরাস এখনো নিঃশ্বেস হয়ে যায়নি। বিদ্যালয় খুললেও তাই কোচিং সেন্টার খুলতে দেয়া ঠিক হবে না।

অন্যান্য খবর