× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতা
ঢাকা, ৯ মার্চ ২০২১, মঙ্গলবার

লঞ্চ শ্রমিকদের আকস্মিক কর্ম বিরতি

অনলাইন

স্টাফ রিপোর্টার, বরিশাল থেকে
(১ মাস আগে) জানুয়ারি ২৫, ২০২১, সোমবার, ৮:০৪ অপরাহ্ন

বরিশাল জেলার হিজলার মেঘনার মিয়ার চরে ঘন কুয়াশায় নিজাম শিপিং কোং’এর এডভেঞ্চার-১ও এডভেঞ্চার-৯ সংঘর্ষের ঘটনায় মেরিন কোর্টে চলমান মামলায় দুই লঞ্চের মাস্টার জামাল হোসেন ও মাস্টার রুহুল আমিনের জামিন বাতিল করে জেল হাজতের নির্দেশ দেন মেরিন কোর্ট বিচারক। সোমবার সকালে নিয়মিত মামলায় মেরিনকোর্ট আদালতে হাজির হলে আদালত তাদের জামিন বাতিল করা হয়। এই সংবাদ বরিশালে পৌঁছলে বরিশাল নৌ-বন্দরের পন্টুনে নোঙ্গর ঢাকাগামী প্রায় ৭ থেকে ৮টি লঞ্চের শ্রমিকরা লঞ্চ মাস্টারদের জামিন মঞ্জুর না করা পর্যন্ত তারা কর্ম বিরতির ডাক দিয়েছে। দুপুর ২টার দিকে বরিশাল নৌ-বন্দরের বাঁধা লঞ্চগুলো একে এক পন্টুন ত্যাগ করে বরিশাল সদর উপজেলার কীর্তনখোলা নদীর অপর প্রান্তের চরকাউয়া নামক স্থানে নোঙ্গর করে রেখেছে।

আকস্মিকভাকে ঢাকাগামী লঞ্চের শ্রমিকরা কর্মবিরতি ঘোষণা করায় অগ্রিম টিকিট কাটা কেবিন যাত্রীরা বিপাকে পড়েছে। সন্ধ্যা ৭টা নাগাদ সুন্দরবন লঞ্চের কাউন্টার থেকে জানানো হয় লঞ্চ নিয়ে শ্রমিকরা মাঝনদীতে রয়েছে। লঞ্চ না ছাড়ার সম্ভাবনা বেশি।

বরিশাল নৌ-যান শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি মাস্টার আবুল হাসেম বলেন, গত বছরে মেঘনার মিয়ার চরে ঘন কুয়াশায় রাত আনুমানিক ১টার দিকে একই প্রতিষ্ঠানের দুটি লঞ্চের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে দুটি লঞ্চের কোন যাত্রীর ক্ষয়ক্ষতি হয়নি।
এঘটনায় দুই লঞ্চের মাস্টার সহ চারজনের সার্টিফিকেট সনদ চার মাসের জন্য জব্দ করে। পরবর্তীতে সরকার বাদী হয়ে মেরিন কোর্ট আদালতে মামলা দায়ের করা হয়। মাস্টার রুহুল আমিন ও মাস্টার জামাল হোসেন স্বেচ্ছায় আদালতে হাজিরা দিতে গেলে বিচারক তাদের জামিন বাতিল করে জেল হাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন। তিনি বলেন, এখানে কোন সংগঠন কর্ম বিরতির পক্ষে ডাক দেই নাই। শ্রমিকরা তাদের সহযোদ্ধাদের মুক্তির দাবিতে কর্ম বিরতি ঘোষণা করেছে।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
Md. Harun al-Rashid
২৬ জানুয়ারি ২০২১, মঙ্গলবার, ১০:০০

সহকর্মী আর সহযোদ্ধা এক কথা নয়। লঞ্চ শ্রমিকগন কেন এবং কখন কাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করলো? আর আদালতের বিরুদ্ধে মানে দেশের আইনি ব্যবস্হার বিরুদ্ধে এমন যুদ্ধ যদি সত্যিই ঘোষণা করা হয়ে থাকে তা হলে সেখানে নৈরাজ্য ও বিচার ব্যবস্হার প্রতি একটা প্রকাশ্য চেলেন্জ ছুঁড়ে দেয়া রাষ্ট্র দ্রোহিতার নামান্তর। এদের যথা সময়ে যথাযথ ব্যবস্হায় থামানো না গেলে নৌপরিবহণের ক্ষেত্রে শৃঙ্খলা রক্ষা করা দূরহ হয়ে পড়বে।

অন্যান্য খবর