× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতা
ঢাকা, ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২১, শনিবার

বারিধারা মাদরাসার ভারপ্রাপ্ত মুহতামিম বরখাস্ত

অনলাইন

স্টাফ রিপোর্টার
(১ মাস আগে) জানুয়ারি ২৫, ২০২১, সোমবার, ৮:৩৭ অপরাহ্ন

জামিয়া মাদানিয়া বারিধারা মাদরাসার ভারপ্রাপ্ত মুহতামিম পদ থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে আল্লামা নাজমুল হাসানকে। রোববার সন্ধ্যায় প্রতিষ্ঠানটির মজলিসে ইলমি (শিক্ষা পরিচালনা কমিটি) এর বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। বৈঠকে মাদরাসাটির প্রধান প্রয়াত আল্লামা নূর হোসাইন কাসেমী’র কনিষ্ঠ ছেলে মুফতি জাবের কাসেমীকে মাদরাসার মুহাদ্দিস পদে নিয়োগ দেয়া হয়েছে। এসব সিদ্ধান্তের পর থেকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ বিভিন্ন মাধ্যমে বিষয়টি নিয়ে নানা আলোচনা হচ্ছে। যদিও মাদরাসা কর্তৃপক্ষ থেকে বলা হয়েছে, মাদরাসায় কোন বিশৃঙ্খলা বা এমন কোন কর্মকা- হচ্ছে না যাতে করে মাদরাসার কার্যক্রম ব্যাহত হয়। এই বিষয়ে বিভ্রান্তি ছড়ানো থেকে বিরত থাকার জন্য দেশবাসীর প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানিয়েছে মাদরাসা কর্তৃপক্ষ।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক মাদরাসার কয়েকজন শিক্ষকের সঙ্গে কথা হয় মানবজমিনের। তারা বলেন, মাদরাসার ভারপ্রাপ্ত মুহতামিম নাজমুল হাসান দায়িত্ব পাওয়ার পর থেকে কিছু অন্যায় ও স্বেচ্ছাচারী সিদ্ধান্তের কারণে আভ্যন্তরীণ কোন্দল সৃস্টি হয়েছিল। যার প্রেক্ষিতে মাদরাসার হিতাকাঙ্খী, শুভাকাঙ্খী, ছাত্র শিক্ষকসহ মাদরাসার কর্তৃপক্ষ মারাত্মকভাবে অস্বস্তিতে ছিলেন।
তাই মাদরাসাকে পরিস্কার, পরিচ্ছন্ন ও সুন্দর ভাবে পরিচালিত করতে মাদরাসার শুরা কমিটি জরুরি বৈঠকে বসেন। ভারপ্রাপ্ত মুহতামিমকে বরখাস্তের ঘটনায় মাদরাসার ভেতরে কিছুটা উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছিল। তবে কোথাও কোন বিশৃঙ্খলা হয়নি। যদিও বাহিরের কাউকেই মাদরাসার ভেতরে প্রবেশ করতে দেয়া হচ্ছে না। আর জরুরি প্রয়োজন ছাড়া কাউকে মাদরাসা থেকে বের হতে দেয়া হচ্ছে না।
রোববার হওয়া ৫ সদস্যের কমিটির বৈঠকর সময় নাজমুল হাসান মাদরাসায় উপস্থিত ছিলেন না। জামিয়া মাদানিয়া বারিধারার শায়খুল হাদীস আল্লামা উবায়দুল্লাহ ফারুকের সভাপতিত্বে বৈঠকে মুফতি মকবুল হোসাইন কাসেমী, মুফতি মনির হোসাইন কাসেমী, মুফতি ইকবাল হোসাইন কাসেমী, মুফতি জাকির হোসাইন কাসেমী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
জানতে চাইলে মাদরাসার মুহাদ্দিস মুফতি মনির হোসাইন কাসেমী মানবজমিনকে বলেন, ভারপ্রাপ্ত মুহতামিমের উপর বিক্ষুব্ধ হয়ে প্রায় ৫০ জনের অধিক শিক্ষক ওনার ব্যাপারে অনাস্থা জ্ঞাপন করেন। শিক্ষকদের এমন অনাস্থা পেয়ে মাদরাসার সভাপতি এবং শিক্ষা বিষয়ক সচিব (নাজেমে তালিমাত) বসে ভারপ্রাপ্ত মুহতামিমকে বরখাস্তের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। তবে মাদরাসায় কোন বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়েছে এমন খবর সত্য নয়। মাদরাসার কার্যক্রম আগে যেমন ছিল এখনো তেমন চলছে।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর