× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতা
ঢাকা, ৫ মার্চ ২০২১, শুক্রবার

বাইডেন প্রশাসনের ভারতীয় বংশোদ্ভূতরা ভারতকে কতোটা সাহায্য করতে পারবেন?

অনলাইন

তারিক চয়ন
(১ মাস আগে) জানুয়ারি ২৬, ২০২১, মঙ্গলবার, ৮:০৬ অপরাহ্ন

যুক্তরাষ্ট্রের নতুন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের প্রশাসনে বিশ জনের মতো ভারতীয় বংশোদ্ভূত ব্যক্তিকে হয় নিয়োগ নয়তো মনোনয়ন দেয়া হয়েছে। ভাইস প্রেসিডেন্ট কমালা হ্যারিস নিজেও একজন ভারতীয় বংশোদ্ভূত। তাই স্বাভাবিকভাবেই অনেক ভারতীয়রা উচ্ছ্বসিত। কিন্তু, ভারতের প্রখ্যাত জাতীয় নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ ভারত কারনাদ মনে করেন বাইডেন প্রশাসনে নিয়োগ পাওয়া ভারতীয় বংশোদ্ভূতরা আসলে ভারতের কোন কাজে আসবেন না। তারা ভারতকে কোনরূপ সাহায্য করবেন না। দ্য সিটিজেন-এ ইংরেজিতে লেখা তার এ সংক্রান্ত নিবন্ধে বলা হয়, জোসেফ বাইডেন যুক্তরাষ্ট্রের নতুন প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্বভার গ্রহণ করেছেন। সাথে সাথেই দক্ষিণ এশিয়ার হাস্যকর মিডিয়া, বিশেষত ভারতীয় সংবাদপত্র, টিভি চ্যানেলগুলো বাইডেনের হোয়াইট হাউসে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাবেক কর্মকর্তা সুমনা গুহ (সিনিয়র ডিরেক্টর, সাউথ এশিয়া, ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিল) এবং জর্জটাউন ইউনিভার্সিটির তরুণ ছাবড়ার (সিনিয়র ডিরেক্টর, টেকনোলজি এন্ড ন্যাশনাল সিকিউরিটি, ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিল) নিয়োগ নিয়ে তুমুল প্রচার শুরু করে দিয়েছে।

অন্যান্য পদে সাংবাদিক শান্তি কালাঠিল (সমন্বয়ক, গণতন্ত্র ও মানবাধিকার, ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিল) এবং ট্রাম্পের আমলে পদত্যাগকারী আরেক প্রাক্তন কূটনীতিক উজরা জেয়া (প্রেসিডেন্টের নাগরিক সুরক্ষা, গণতন্ত্র ও মানবাধিকার বিষয়ক আন্ডার সেক্রেটারি) নিয়োগপ্রাপ্ত হয়েছেন।

কাশ্মীরি বংশোদ্ভূত দুই নারীও জ্যেষ্ঠ পদে স্থান পেয়েছেন। বাইডেন-হ্যারিস ইকোনমিক ট্রানজিশন টিমের নেতৃত্বদানকারী সামিরা ফাজিলি ন্যাশনাল ইকোনমিক কাউন্সিলের ডেপুটি ডিরেক্টর এবং আয়শা শাহ হোয়াইট হাউস ডিজিটাল স্ট্র্যাটেজি ইউনিটের পার্টনারশিপ ম্যানেজার পদে স্থান পেয়েছেন।

এসব নিয়োগ ভারতের জন্য কূটনৈতিক সুবিধা হিসেবে প্রশংসিত হচ্ছে যখন ভারতীয় বংশোদ্ভূত যুক্তরাষ্ট্র প্রশাসনের কর্মচারীদের রেকর্ড থেকে দেখা যাচ্ছে তারা সাধারণত অন্যান্য আমেরিকানদের তুলনায় ভারতের সমালোচনা বেশি করে থাকেন।
বাস্তবিকভাবে অদূর ভবিষ্যতে ভারতের স্বার্থের জায়গাগুলো তীব্র সমালোচনার মুখে পড়তে চলেছে।

কারণটা বলছি। মোদি সরকারের সবচেয়ে বড় দুর্বলতা হল এটি ভারতের সংখ্যালঘু মুসলিম সম্প্রদায়ের প্রতি কঠোর এবং ভারতের পূর্ববর্তী  সরকারগুলো যে কাজ থেকে বিরত ছিল শেষ পর্যন্ত সেটাই তারা করেছে। যেমন- সংবিধান স্বীকৃত জম্মু কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা বাতিল করে একে পুরোপুরিভাবে ভারতের সাথে একীভূত করা। তদুপরি, এটি সমস্ত ভারতীয়কে কাশ্মীরে বসবাস ও আবাসনের একই যুক্তিসঙ্গত অধিকার ভোগ করার অনুমতি দেয় যেমনটি কাশ্মীরিরা ভারতের অন্যান্য প্রদেশে ভোগ করেন।

ডনাল্ড ট্রাম্পের ইসলামফোবিয়ার (যার মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ সব মুসলমানের জন্য বন্ধ ছিল)  সাথে মোদী সরকারের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক এবং নির্বাচনী মিল ছিল। এর ফলে মানবাধিকার, ধর্মীয় স্বাধীনতা এবং সংখ্যালঘুদের প্রতি আচরণের যে সমস্যাগুলো মোদি’র ‘বন্ধু বারাক’ প্রায় ৫ বছর আগে তার প্রজাতন্ত্র দিবসে তুলে ধরেছিলেন এবং যেগুলো দিল্লী ও ওয়াশিংটনের মধ্যে বিবাদের উৎস ছিল, সেগুলো মুছে যায়। কারণ ট্রাম্পের প্রেসিডেন্ট থাকাকালীন এই বিষয়গুলো দ্বিপক্ষীয় এজেন্ডায় অনুপস্থিত ছিল, এটা মোদি এবং ট্রাম্পের মধ্যে ব্যক্তিগত এক অমায়িক বন্ধুত্বের সূচনা করে।

মোদি সরকার মাঝেমধ্যে বিব্রতকর অবস্থায় পড়লেও সেগুলো তেমন কিছু ছিল না, যেমন যুক্তরাষ্ট্রের ধর্মীয় স্বাধীনতা কমিশন ভারতকে কেবল নজরদারির তালিকায় রাখছিল কারণ ট্রাম্পের হোয়াইট হাউস সাধারণভাবে মুসলমানদের ব্যাপারে কোন গুরুত্বই দেয়নি এবং অনেকদূরে ভারতে তাদের সাথে কী আচরণ করা হচ্ছে সে সম্পর্কেতো ধারণা আরো কম ছিল যতক্ষণ মোদি সরকার ভারতীয় বিমানবাহিনীর জন্য আরো এবং আরো লকহিড সি-১৭ ও সি-১৩০জে পরিবহণ বিমান এবং নৌবাহিনীর জন্য বোয়িং পি-৮১এস কিনে যাচ্ছিল, মাল্টি বিলিয়নার ডলারের যে চুক্তিগুলোর কারণে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম প্রস্তুতকারী কারখানাগুলো সচল ছিল।

পরিস্থিতি উল্টে গেছে। বিবেচনা করুন: এতোদিন ধরে উপেক্ষিত মানবাধিকার বিষয়গুলোতে বাইডেন প্রশাসন কড়া নজর রাখবে। ঘটনাক্রমে যেগুলো বাইডেনের নিজ দেশের কালো, ল্যাটিন এবং অভিবাসী শ্রেণীকে দেখে রাখার ঘরোয়া কর্মসূচীর সাথে মিলে যায়।

বাইডেনের দক্ষিণ এশিয়া সম্পর্কিত পররাষ্ট্র  নীতিমালার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকা গুহ; স্বাধীন মানবাধিকার সংস্থায় থাকা কালাঠিল, স্টেট ডিপার্টমেন্টের জেয়া এবং তাদের কর্মীদের সাথে ন্যূনতম আগামী চার বছর সমন্বয় করে কাজ করবেন।

এর মাধ্যমে ওয়াশিংটনের চোখে সহজেই ধরা পড়ে এমন বহিরাগত বিষয়গুলো যেমন- সংখ্যালঘু অধিকার সম্পর্কে উদারপন্থী অবস্থান থেকে বিরত থাকা, পোষ্য হিন্দুত্ববাদী থিম - গরু জবাই, লাভ জিহাদ ইত্যাদি ইস্যুতে মোদি সরকারকে চাপ দেয়া হবে।

এসব সংবেদনশীল বিষয় নিয়ে চারদিকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের সমস্ত কূটনৈতিক নাচানাচি বাইডেনের পরামর্শদাতা অধিকতর বিশ্বমানবিক ভারতীয় বংশোদ্ভূতদের প্রভাবিত করবে না।

গত সপ্তাহে ক্যাপিটলে ডানপন্থী ‘বিদ্রোহ’ ওয়াশিংটনের এস্টাবলিশমেন্টের স্বার্থে আঘাত করেছে বলেই বাইডেন চীন বিষয়ে ট্রাম্পের নীতিকে সাময়িকভাবে দৃড়তার সাথে আঁকড়ে রাখবেন। তদুপরি, নিজ মন্ত্রিসভায় সিনিয়র নিয়োগপ্রাপ্তদের জন্য দ্রুত মার্কিন সিনেটের অনুমোদনের বিষয়ে তার অগ্রাধিকার এবং ট্রাম্পের নির্বাহী আদেশ স্থগিত করে দেয়া বা সেগুলো পুরোপুরি পূর্বাবস্থায় ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়া তাকে আগামী ছয় মাসের জন্য ব্যস্ত রাখবে।

সুতরাং আফগানিস্তানের উপর প্রভাবকে বাদ দিলে বাইডেনের ভারতকে খুব বেশি মনোযোগ দেওয়ার সম্ভাবনা নেই এবং সেক্ষেত্রে এনএসএ অজিত দোভালের সাম্প্রতিক কাবুল সফরের সময় যা ঘটেছিল তা যুক্তরাষ্ট্রের আগ্রহকে প্রমাণিত করবে। এই ছয় মাস মেয়াদ মোদী সরকারকে তার মানবাধিকার আইনকে পরিষ্কার করার সময় দিতে পারে।

ভাইস প্রেসিডেন্ট কমালা হ্যারিস হওয়া সত্ত্বেও, যা হবেনা সেটি হল- হঠাৎ করেই ভারত লাভবান হবার জন্য উচ্চমূল্যের যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক প্রযুক্তির সুইচটি তাদের কাছে নিক্ষেপ করা হবে। গুহর মতো ছাবড়াও ভারতের সাথে উচ্চ প্রযুক্তির লেনদেনের অনুমতি দেওয়ার ক্ষেত্রে কৃপণ হবেন।

আশির দশকের মাঝামাঝি সময়ে রিগ্যানের দিন থেকেই (যখন বরফ গলছিল) এটা যুক্তরাষ্ট্রের এস্টাবলিশমেন্টের ভঙ্গি ছিল এবং তৎকালীন প্রতিরক্ষা সচিব ক্যাস্পার ওয়েইনবার্গার তার সফরে ভারতকে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক প্রযুক্তিতে উন্মুক্ত প্রবেশাধিকার দেওয়ার কথা বলেছিলেন। দিল্লি দেখতে পেলো যে প্রতিশ্রুত বন্যাটি ছিল আসলে বিন্দু বিন্দু জল এবং তারপর ভারতের তা পেতে প্রাণ হারাবার দশা হয়। এখনওতো ঘটনা সেটাই।

প্রকৃতপক্ষে, যুক্তরাষ্ট্র আসলে দিল্লির কাছ থেকে মানবাধিকারের মোর্চা এবং যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে বাণিজ্য ছাড়ে লাভবান হবার জন্য আরো অনেক বেশি দাবি করতে পারে, যেহেতু মোদির জন্য সেসব দেয়াটাই যুক্তিসঙ্গত হবে। বাইডেন ওবামার ‘ইনসোর্সিং’ মন্ত্রকে প্রতিধ্বনিত করার পাশাপাশি ফাজিলির পছন্দ হবে যুক্তরাষ্ট্রের সংস্থাগুলোকে চীন থেকে ভারতে নয়,  যুক্তরাষ্ট্রে তাদের উৎপাদন ভিত্তি এবং মূলধন বিনিয়োগ স্থানান্তর করতে উৎসাহ প্রদান করা। কারণ, অন্য সব কিছুর মতো, ভারত সরকার সংস্কারের এমন এক নিবিড় গতি বজায় রেখেছে যা আজ অবধি বিশ্বের বিনিয়োগকারীদের ভারতে নিয়ে আসতে বা তাদের উৎপাদন কেন্দ্র এখানে স্থাপনের জন্য অনুপ্রাণিত করে না। সুযোগের জানালা যা কিছু সময়ের জন্য  ট্রাম্প আমলে উন্মুক্ত ছিল তাও বন্ধ হয়ে গেছে।

ট্রাম্পের বিদায়ের ঠিক কয়েকদিন আগে হোয়াইট হাউস কর্তৃক একটি নীতিপত্র প্রকাশের লক্ষ্য ছিল- এশিয়া বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের নীতি যাতে বাইডেন ট্রাম্পের চীন নীতিতেই আটকে থাকেন।

এই নথির খসড়া তৈরি করেন ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে ট্রাম্পের প্রধান অভ্যন্তরীণ পরামর্শদাতা  ম্যাট পটিংগার। তিনি আশা করেছিলেন, গুহ এই কাগজ অনুসারে ভারতকে "চীনের প্রতিপক্ষ হিসেবে" ধারণা করবেন ”এবং এতে বলা হয় ভারত তার সামরিক বাহিনী এমনভাবে গড়ে তোলার দিকে ঝুঁকছে যাতে এটি "যুক্তরাষ্ট্রের সাথে কার্যকরভাবে সহযোগিতা করতে" সক্ষম হয়।

এটা বিবেচনায় নিলে, মোদি যে কয়েক দশক ধরে রাশিয়ার সাথে গড়ে উঠা ঘনিষ্ঠ সম্পর্ককে ছাড়ার কোন ইঙ্গিত দেননি, এর অর্থ কী? আগেপরে উত্তেজনা মাথা পর্যন্ত ঠিকই আসবে যখন যুক্তরাষ্ট্রের বিরোধীদের 'কাউন্টারিং' এর মধ্য দিয়ে নিষেধাজ্ঞার আইন করা হবে। ভারত সম্ভবত যুক্তরাষ্ট্রের বিরোধিতার মুখে রাশিয়ান এস-৪০০ বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা কেনায় নিষেধাজ্ঞায় পড়বে।

গুহ-ছাবড়া টিম সেই বিশেষ চুক্তি থেকে নিজেকে দূরে রাখতে ভারতের প্রতি ট্রাম্পের অবস্থানের উপর জোর দেবে। কিন্তু সেটা হবে না, সুতরাং এটি যুক্তরাষ্ট্র-ভারত দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে অনিশ্চয়তায় ফেলবে।

ঘটনাক্রমে, একই ভুলের কারণে র‌্যাডক্লিফ লাইনের অপর প্রান্তেও আনন্দ বইছে। পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত আমেরিকানদের বাইডেন প্রশাসনে নিয়োগপ্রাপ্তির খবরে পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম জ্বলজ্বল করছে। তাদের মধ্যে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য হলেন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দফতরের নীতি পরিকল্পনা বিষয়ক প্রধান হিসেবে সালমান আহমেদের নিয়োগ। নীতিগত গুরুত্বের শর্তের দিক থেকে সালমান আহমেদ গুহ এবং অন্য সব ভারতীয়কে ছাড়িয়ে গেছেন। আলী জায়েদীও রয়েছেন, যিনি বাইডেনের জলবায়ু বিষয়ক উপ উপদেষ্টা পদ গ্রহণ করবেন।

গুহ-জেয়া-কালাঠিল যদি মানবাধিকারের উপর জোর দেন, কাশ্মীর যদি এ বিষয়ে আহমেদের ভাবনাকে আলাদা করে দেয় এবং হোয়াইট হাউস থেকে আয়শা শাহ যদি দক্ষতার সাথে মোদীকে রাজনৈতিকভাবে দুর্বল করার জন্য সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার করেন, তবে মোদী সরকারের জন্য পরিস্থিতি সবচেয়ে খারাপ হবে।

তদুপরি, "সীমান্ত সন্ত্রাসবাদ" ট্রাম্প সরকারের চেয়ে বাইডেন সরকারকে আরও কম অনুরণিত করবে কারণ পাকিস্তানের সাথে সন্ত্রাসবাদ মোকাবেলায় যুক্তরাষ্ট্রের কোন পক্ষই আর অনীহা প্রকাশ করবে না। সর্বোপরি, দিল্লিকে 'কম্প্রিহেনসিভ টেস্ট ব্যান ট্রিটি' স্বাক্ষর করার জন্য চাপ দেওয়া হবে - যার জন্য ওবামা নিয়মিত চাপ দিয়েছিলেন। ওবামার যুগের বহু নীতি নিয়ে বাইডেন এগিয়ে চলার প্রেক্ষাপটে  দক্ষিণ এশিয়াও এর ব্যতিক্রম হবে না।

যুক্তরাষ্ট্রে এসব কিছুর বিপরীতে ভারতে মোদি-অমিত শাহ জুটির নিজেদের অবস্থান দৃড়ভাবে আঁকড়ে ধরে রাখার অর্থ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক দ্রুত দক্ষিণের দিকে সড়ে যেতে থাকবে।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর