× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতা
ঢাকা, ২ মার্চ ২০২১, মঙ্গলবার
প্রধানমন্ত্রীর আশ্রয়ন প্রকল্প

টাকা দিয়েও ঘর পাননি সবিতা (ভিডিও)

অনলাইন

মির্জাগঞ্জ (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি
(১ মাস আগে) জানুয়ারি ২৭, ২০২১, বুধবার, ১১:৫৮ পূর্বাহ্ন

‘ঘর দেবে কইয়্যা টাকা নিছে, ছবি নিছে, ভোটার কার্ডের ফটোও নিছে। হুনছি মোগো প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অসহায়দের ঘর দিছে। কিন্তু মোরা তো ঘর পাইলাম না? কষ্টে ভরা কন্ঠে কথাগুলো বলছিলেন মির্জাগঞ্জ উপজেলার কাঁকড়াবুনিয়া ইউনিয়নের গাজীপুরা গ্রামের দরিদ্র  উমেষের স্ত্রী সবিতা রানী। তিনি বলেন, ‘ঘর দেয়ার কথা কইয়্যা মোগো গ্রামের তসলিম সিকদার মোর ও পোলার কাছ থেকে ১০ হাজার টাহা নিছে। বলছে, চেয়ারম্যানের টাকা দিলে ঘর দিবে। সে চেয়ারম্যানের লগেই থাহে। কত লোহে ঘর পাইলো, কিন্তু মোগো ঘর দিলো না। এখন টাহাও ফেরত দেয় না, টালবাহানা করে।
এই ভাঙাচোরা ঘরে থাহি। কোন রহম পান বেচিয়া জীবন চলে। ঘর আর কপালে জুটলো না। স্থানীয় সাবেক ইউপি সদস্য মো. ফোরাম মিয়ার সঙ্গে কথা বললে তিনি জানান, উমেষ ও তার স্ত্রী দুই-একদিন আগে আমার কাছে আসছিলো। ঘরের জন্য তারা নাকি তসলিমের মারফত চেয়ারম্যানকে ১০ হাজার টাকা দিছে।   এ বিষয়ে তসলিম সিকদার জানান, ঘরের জন্য আমি উমেষের স্ত্রী সবিতা ও বিধবা আমেনা চেয়ারম্যানের উপস্থিতিতে বোর্ড অফিসে বসে একটি টেবিলে টাকা রাখছি। আমরাও তো ঘর পাইনি।  কাঁকড়াবুনিয়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ঘর দেয়ার নাম করে আমি কারও কাছ থেকে কোন টাকা নেইনি। মির্জাগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সরোয়ার হোসেন বলেন, এরকম কোন অভিযোগ পাইনি।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
Mintwo
২৭ জানুয়ারি ২০২১, বুধবার, ৪:২০

সরকার একটা ঘর দিবে আর s3খানে দুর্নীতি হবেনা ,এমনটা ভাবলে আপনি নিশ্চয়ই চাঁদের দেশে অবস্থান করছেন।

আনিসুর রহমান
২৭ জানুয়ারি ২০২১, বুধবার, ৮:৪১

তসলিম কে তদন্ত সাপেক্ষে গ্রেফতার করুন। এই ধরনের কাজ যারা করেছে, তাদের ছাড় নয়। এদের ব্যাক্তি অপকর্মের জন্য প্রধানমন্ত্রীর এই মহতী উদ্দ্যোগ প্রশ্নবিদ্ধ হতে পারে না। --- স্থানীয় প্রসাশন দ্রুত ব্যাবস্থা নিন।

সেলিম
২৭ জানুয়ারি ২০২১, বুধবার, ৬:৫১

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বলেছেন, অভিযোগ পেলে ব্যবস্হা নেবেন। কেন রিপোর্ট যখন হয়েছে, এখনই ব্যবস্হা নিতে অসুবিধা কোথায়?

ইমন
২৭ জানুয়ারি ২০২১, বুধবার, ৪:২৪

এদের কঠিন বিচার করা হোক। যাতে অন্য কোউ সাহস না পায় এমন করতে।

Palash
২৭ জানুয়ারি ২০২১, বুধবার, ১২:৩৪

এগুলো সরকারের চোখে পড়ে না। এই সমস্ত চেয়ারম্যানদের ধরে কঠিন থেকে কঠিনতম শাস্তি দেওয়া উচিৎ। যারা নাকি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর এত সুন্দুর একটা প্রকল্প নিয়ে বানিজ্য করতে পারে। যদি সরকার ব্যবস্থা না নেয় তাহলে জনগণ বুঝবে এই সমস্ত নেতা চেয়ারম্যান মেম্বারদের ব্যবসা করার সুবিধার্থেই এই প্রকল্প চালু হয়েছে। এই প্রকল্প নিয়ে ব্যবসা হয় নাই এখনো পর্যন্ত একটি জায়গা দেখা গেল না। এরা কবে যে সরকারের বরাদ্দকৃত কবরের সাড়ে তিন হাত জায়গা নিয়েও ব্যবসা শুরু করবে তা কে জানে? সরকারের উচিৎ বাংলার মানুষের কবরের জায়গাটা অন্তুত বিনামুল্যে পাওয়ার নিশ্চয়তা দিতে। ছবিতে যে মহিলা দাড়িয়ে আছে এখন এই মহিলা কি করবে দেশমাতৃকার কাছে আমাদের প্রশ্ন।

অন্যান্য খবর