× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজানস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীসেরা চিঠি
ঢাকা, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২১, মঙ্গলবার , ৬ আশ্বিন ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ১২ সফর ১৪৪৩ হিঃ

প্রসূতি মায়ের কাছ থেকে কোভিড-১৯ অ্যান্টিবডি পেতে পারে শিশু

শরীর ও মন

মানবজমিন ডেস্ক
৪ ফেব্রুয়ারি ২০২১, বৃহস্পতিবার
সর্বশেষ আপডেট: ১:২৭ অপরাহ্ন

প্রসূতি মায়ের দেহে করোনা ভাইরাসের (কোভিড-১৯) বিরুদ্ধে প্রতিরোধ ক্ষমতা জন্মে থাকলে, তার সন্তানও ভাইরাসটির বিরুদ্ধে প্রতিরোধ ক্ষমতা নিয়ে জন্মাতে পারে। গত ২৯শে জানুয়ারি জামা পেডিয়াট্রিকস সাময়ীকিতে প্রকাশিত এক প্রাথমিক গবেষণা প্রতিবেদনে এমন তথ্য পাওয়া গেছে।
বিজ্ঞান বিষয়ক অনলাইন প্রকাশনা সায়েন্সএলার্ট-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিজ্ঞানীরা গবেষণাটির জন্য ১ হাজার ৪৭০ জন প্রসূতী নারীর রক্ত পরীক্ষা করেছে। তাদের মধ্যে সন্তান জন্মদানের সময় ৮৩ জনের দেহে করোনাবিরোধী অ্যান্টিবডি পাওয়া গেছে। একইসঙ্গে, তাদের জন্ম দেওয়া সদ্যজাতদের বেশিরভাগের দেহেও ভাইরাসটির বিরুদ্ধে প্রতিরোধ ক্ষমতা পাওয়া গেছে। এ থেকে ধারণা করা হচ্ছে, মায়ের দেহে থাকা অবস্থাতেই কোভিড-১৯ বিরোধী অ্যান্টিবডি লাভ করেছে তারা।
বিজ্ঞানীরা জানান, কোনো সদ্যজাতের দেহে থাকা অ্যান্টিবডির পরিমাণ তার মায়ের দেহে থাকা অ্যান্টিবডির সঙ্গে সম্পৃক্ত। ইউনিভার্সিটি অব পেনসিলভানিয়ার পেরেলম্যান স্কুল অব মেডিসিনের ডা. স্কট হেনস্লে ও ডা. কারেন পিয়োপোলো বলেন, কোনো প্রসূতি নারীর করোনায় আক্রান্ত হওয়া ও সন্তান জন্মদানের মধ্যকার সময় যত দীর্ঘ, তার সন্তানের দেহে অ্যান্টিবডির পরিমাণও তত বেশি। এক্ষেত্রে, উপসর্গহীন বা উপসর্গযুক্ত সংক্রমণের কোনো সম্পর্ক নেই।
বিজ্ঞানীদের ধারণা, মায়ের দেহ থেকে পাওয়া অ্যান্টিবডি সদ্যজাত শিশুদের ভাইরাসটির বিরুদ্ধে সুরক্ষা দেবে। তবে সে সুরক্ষার পরিমাণ কেমন ও মেয়াদ কতদিন তা জানতে আরো গবেষণা প্রয়োজন।
তাছাড়া, ওই অ্যান্টিবডি করোনার বিরুদ্ধে লড়াইয়ে কতটা সক্ষম তাও অজানা।
তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এ গবেষণাটি প্রসূতী নারীদের দেওয়া করোনা টিকা তাদের সন্তানদের উপর কী প্রভাব ফেলবে সে বিষয়ে কিছুটা ধারণা পাওয়া যায়। হিউস্টনের বেলর কলেজ অব মেডিসিনের শিশুদের মধ্যে সংক্রামক রোগ বিষয়ক সহযোগী অধ্যাপক ডা. ফ্লোর মুনজ বলেন, করোনা সংক্রমণের পর সৃষ্ট অ্যান্টিবডি মা থেকে শিশুর দেহে স্থানান্তর নিয়ে গবেষণা করে আমরা প্রসূতীদের টিকা প্রদানের মধ্য দিয়ে সদ্যজাতদের সুরক্ষা দিতে পারবো কিনা সে বিষয়ে আরো জানতে পারবো।
নতুন গবেষণাটিতে, করোনা ভাইরাসের স্পাইক প্রোটিনে আক্রমণ করা অ্যান্টিবডি পরীক্ষা করা হয়েছে। এতে দেখা গেছে, সকল সদ্যজাত তাদের মায়ের অ্যান্টিবডি পায়নি। ৮৩ শিশুর মধ্যে ৭২ শিশুর দেহে অ্যান্টিবডি পাওয়া গেছে। এই ৭২ সদ্যজাতের নাড়ীর রক্তে ইমিউনোগ্লোবুলিন জি (আইজিজি) অ্যান্টিবডি পাওয়া গেছে। আর এই অ্যান্টিবডির পরিমাণ তাঁদের মায়ের রক্তে থাকা অ্যান্টিবডির পরিমাণের সঙ্গে সম্পৃক্ত।
অন্যদিকে, বাকি ১১ জন শিশুর দেহে অ্যান্টিবডি পাওয়া যায়নি দু'টি কারণে— ছয়টি শিশুর মায়ের দেহে আইজিজির পরিমাণ ছিল কম। ধারণা করা হয়, তারা করোনা সংক্রমণের শুরুর দিকে ছিলেন, যার কারণে সন্তান জন্মদানের আগে তাদের দেহে অ্যান্টিবডি বিশাল পরিমাণে গড়ে উঠতে পারেনি। এছাড়া, বাকি পাঁচ জন মায়ের দেহে ইমিউনোগ্লোবুলিন এম (আইজিএম) অ্যান্টিবডি পাওয়া গেছে, যা প্লাসেন্টা পার করতে সক্ষম নয়।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর