× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজানস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী
ঢাকা, ১৭ এপ্রিল ২০২১, শনিবার

৬০ শতাংশ মানুষ স্কুল খোলার পক্ষে

শিক্ষাঙ্গন

অনলাইন ডেস্ক
(১ মাস আগে) ফেব্রুয়ারি ২৩, ২০২১, মঙ্গলবার, ৪:৪২ অপরাহ্ন

অভিভাবক ও শিক্ষক বাদে অন্যান্য শ্রেণী-পেশার ৬০ দশমিক ৫ শতাংশ মানুষ স্কুল খুলে দেয়ার পক্ষে বলে জানিয়েছে নাগরিক প্ল্যাটফর্ম। বাংলাদেশের করা এক অনলাইন জরিপে তারা আরো তুলে ধরে, তাদের মধ্যে ৫২ শতাংশ মানুষ স্কুল খুলে দেয়ার পর সংক্রমণ বৃদ্ধির আশঙ্কার কথা বলেছেন। আর প্রায় ৫৫ শতাংশ অভিভাবক তাদের সন্তানকে স্কুলে পাঠাতে নিরাপদ বোধ করছেন না। প্রায় অর্ধেক অভিভাবক মনে করেন, তাদের সন্তানেরা স্কুল স্বাস্থ্য নির্দেশিকা মেনে চলতে সক্ষম না।

আজ মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত ‘অবশেষে স্কুল খুলছে: আমরা কতখানি প্রস্তুত?’ শীর্ষক এক ভার্চ্যুয়াল সংলাপে জরিপের এ তথ্য তুলে ধরে নাগরিক প্ল্যাটফর্ম। ১৭ থেকে ২২শে ফেব্রুয়ারি এই অনলাইন জরিপ পরিচালনা করা হয়। সংলাপে জরিপের তথ্য তুলে ধরেন সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) যুগ্ম পরিচালক অভ্র ভট্টাচার্য। এই জরিপে মোট ১ হাজার ৯৬০ জনের ওপর পরিচালনা করা হয়। এর মধ্যে অভিভাবক ছিলেন ৫৭৬ জন এবং শিক্ষক ছিলেন ৩৭০ জন।
বাকি ব্যক্তিরা অন্যান্য শ্রেণী-পেশার।

জরিপে অংশ নেয়া প্রায় ৮৭ শতাংশ অভিভাবক বলেছেন, তারা এই স্বাস্থ্য নির্দেশিকা সম্পর্কে অবগত। ৫৪ দশমিক ৭ শতাংশ অভিভাবক বলেছেন, তাদের সন্তানকে স্কুলে পাঠাতে নিরাপদ বোধ করছেন না। বাকি অন্য অভিভাবকেরা ইতিবাচক মত দিয়েছেন। ৫০ দশমিক ৭ শতাংশ অভিভাবক মনে করেন, তাদের সন্তানের স্কুল স্বাস্থ্য নির্দেশিকা মেনে চলতে সক্ষম না। এ ছাড়া ৬৭ শতাংশ অভিভাবক সুরক্ষার জন্য অতিরিক্ত ফি দিতে আগ্রহী নন।

অন্যদিকে, ৮৭ শতাংশ শিক্ষক স্কুলে যেতে নিরাপদ বোধ করছেন। সমপরিমাণ শিক্ষক মনে করেন, তাদের স্কুলের স্বাস্থ্য নির্দেশিকা নিশ্চিত করার সামর্থ্য রয়েছে। প্রায় ৬৯ শতাংশ শিক্ষক অতিরিক্ত ব্যয়ভার বহনে সরকারি অনুদানের কথা বলেছেন। আর অভিভাবক ও শিক্ষক বাদে জরিপে অংশ নেয়া অন্যান্য শ্রেণী-পেশার ৫৬ দশমিক ৪ শতাংশ মানুষ সরকারের স্বাস্থ্য নির্দেশিকা বাস্তবায়নযোগ্য বলে মনে করেন।

এসডিজি বাস্তবায়নে নাগরিক প্ল্যাটফর্মের আহ্বায়ক ও সিপিডির ফেলো দেবপ্রিয় ভট্টাচার্যের সঞ্চালনায় এই সংলাপে ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের ইমেরিটাস অধ্যাপক মনজুর আহমদ, সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা রাশেদা কে চৌধূরী, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক সৈয়দ মো. গোলাম ফারুক, ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান নেহাল আহমেদ, প্রবীণ শিক্ষকনেতা কাজী ফারুক আহমেদ, ব্র্যাকের শিক্ষা কর্মসূচির পরিচালক শফিকুল ইসলামসহ দেশের বিভিন্ন এলাকার শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবকসহ বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যক্তিরা বক্তব্য দেন।

 

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
MAI SAADI
২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২১, মঙ্গলবার, ১০:১৪

1000 deaths everyday, this is what they have been paying for letting school open. Imagine an Covid positive teacher unaware of this condition, taking class and how many students going to be infected and then their families....this 87% are nothing but a greedy loosers..

Zahir uddin
২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২১, মঙ্গলবার, ৭:০০

ব্রিটেনে মার্চের ৮ তারিখ সব স্কুল খুলে দিচ্ছে কিন্তু বৃটেনের তুলনায় আমাদের দেশে যে কারণেই হোক আক্রান্তের সংখ্যা অনেক অনেক কম নেই বললেই চলে। কেন এবং কি কারনে আমাদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গুলি আরও প্রায় চার মাস বন্ধ থাকবে।পৃথিবীর অন্যান্য দেশের মতো আমাদের দেশের ছাত্রছাত্রীরা ও খুব কমসংখ্যক আক্রান্ত হয়েছে এটা আসলে বয়স্কদের একটা মহামারী। আমার তিনটি ছেলে বাংলাদেশে বিভিন্ন পর্যায়ে পড়ালেখা করে অন্তত সচেতন গার্ডিয়ান হিসেবে আমি বুঝতে পারি গত এক বছরে আমার ছেলেরা পড়ালেখায় কতটুকু পিছিয়েছে। স্কুল খোলার ব্যাপারে সরকারের এসমস্ত কুটকৌশল সকল অভিভাবক এবং সচেতন নাগরিকরা বুঝতে পারে তাই অনতিবিলম্বে স্কুল কলেজ এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গুলি খুলে দেওয়ার জন্য প্রত্যেকে প্রত্যেকের জায়গা থেকে সোচ্চার হওয়ার জন্য আহ্বান জানাচ্ছি।

মোহাম্মদ সহিদ উল্লাহ
২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২১, মঙ্গলবার, ৬:০৭

#শিক্ষা_প্রতিষ্ঠানগুলো_খুলে_দিন_নতুবা ছাত্র_ছাত্রীরা তাদের ক্যাম্পাসকে এ সপ্তাহেই মুখরিত করে তুলবে। শিক্ষক-শিক্ষিকা, ছাত্র-ছাত্রী আর অভিভাবকদের সরব উপস্থিতিতে সভ্যতার ক্রমবিকাশ আর জ্ঞানের আলোয় আলোকিত করতে নতুন উদ্যমে নিয়োজিত হয়ে পড়বে সকল সরকারি-বেসরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো। এ জাতি হয়তো আর কারো আদেশ নিষেধ শুনতে অপেক্ষা ক রবে না।।। এরা বীরের জাতি। এরা বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সৈনিক

সাবের আহমদ
২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২১, মঙ্গলবার, ৫:১৭

সবকিছুইতো খোলা আছে তাহলে স্কুল কলেজ খুলে দিতে সমস্যা কোথায়?

অন্যান্য খবর