× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী
ঢাকা, ১১ এপ্রিল ২০২১, রবিবার

সরাইলে নাম খারিজে ভোগান্তি প্রতিবাদে মানববন্ধন

বাংলারজমিন

সরাইল (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি
২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২১, বৃহস্পতিবার

সিটিজেন চার্টারে ৪৫ কার্যদিবসের মধ্যে জায়গার নাম খারিজের আবেদনের নিষ্পত্তি করার কথা। কিন্তু সরাইলে বছর ঘুরেও সমাধান পাচ্ছেন না অনেকে। ফলে সহকারী কমিশনারের (ভূমি) কার্যালয়ে আবেদনের স্তূপ জমে আছে। এমন দীর্ঘসূত্রতায় সীমাহীন সমস্যায় ভুগছেন জায়গা-জমির মালিকরা। এরই প্রতিবাদে গতকাল সকালে সরাইল উপজেলা চত্বরে ভূমি অফিস সংলগ্ন স্থানে মানববন্ধন করেছেন ভুক্তভোগীরা। পরে ঘটনাস্থলে গিয়ে সমঝোতার প্রস্তাব দিয়েছেন ইএনও। আশ্বাস দিয়েছেন দ্রুত সমস্যা সমাধানের। মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারী ভুক্তভোগীরা জানায়, গত দেড় বছর ধরে নাম খারিজের আবেদন নিষ্পত্তিতে দীর্ঘসূত্রতা সরাইলের অতীতের সকল রেকর্ডকে পেছনে ফেলেছে।
মাঝখানে ২ মাস একেবারে বন্ধ ছিল। ফলে আটকে গেছে জায়গা-জমি ক্রয়-বিক্রয়। ঋণ পরিশোধ, জরুরি চিকিৎসা, বিদেশ যাওয়া, বিয়ে-শাদী, ছেলেমেয়ের স্কুলের বেতন প্রদান ও ব্যবসা-বাণিজ্য আটকে যাচ্ছে। টাকার অভাবে অনেক কৃষককে মহাজনি সুদে ইরি-বোরো ধান চাষ করতে হচ্ছে। এদিকে, ইউএনও মো. আরিফুল হক মৃদুল মানববন্ধন না করতে সমঝোতার প্রস্তাব দেন। পরে সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের অফিস কক্ষে করেন। সভায় উপস্থিত ছিলেন- ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল জব্বার, থানার দ্বিতীয় কর্মকর্তা এস আই মো. জাকির হোসেন খন্দকার, যুবলীগের সাবেক আহ্বায়ক মো. মাহফুজ আলী, স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাবেক সভাপতি মো. ইকবাল হোসেন, উপজেলা কমিউনিস্ট পার্টির সভাপতি ও সাবেক ব্যাংক কর্মকর্তা দেবদাস সিংহ রায় ও হৃদয়ে সরাইল সংগঠনের সভাপতি ফয়সাল আহমেদ মৃধা দুলাল। ভুক্তভোগীরা তাদের অভিযোগগুলো তুলে ধরেন। নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আরিফুল হক মৃদুল খারিজের আবেদনের বিভিন্ন ত্রুটি তুলে ধরেন। সেইসঙ্গে সঠিকভাবে আবেদন করার পদ্ধতি ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দেয়ার পরামর্শ দেন।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
quamrul
২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২১, বৃহস্পতিবার, ৫:৫২

But sub-registrars oppose the move and use deed writers to bring about procession and street agitation.

Md. Shahid ullah
২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২১, বৃহস্পতিবার, ৮:৪২

ভুমি হলো ভুমিমন্ত্রণালয়ের। কিন্তু হস্তান্ত, হেবা বা দানপত্র রেজিস্ট্রি করে আইনমন্ত্রণালয়ের সাব-রেজিস্টার! সাব-রেজিস্টার বাদ দিয়ে ভুমি মন্ত্রণালয়ের অধীন ভুমি হস্তান্তর করা হলে মানুষ এত ভোগান্তির শিকার হত না।

অন্যান্য খবর