× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজানস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী
ঢাকা, ১৩ এপ্রিল ২০২১, মঙ্গলবার

তাড়াশে ইউনিয়ন উপ-স্বাস্থ্যকেন্দ্র ভবনের বেহাল অবস্থা

বাংলারজমিন

তাড়াশ (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি
২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২১, শনিবার

সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলার নওগাঁ ইউনিয়ন উপ-স্বাস্থ্যকেন্দ্রের ভবনটি জরার্জীণ অবস্থা হয়ে পড়েছে। পাশের স্টাফদের থাকার আবাসিক ভবনও পরিত্যক্ত হয়ে আছে দীর্ঘদিন ধরে। এ ছাড়াও অভিযোগ রয়েছে চিকিৎসা নিতে রোগীরা দেখা পান না কর্মরত চিকিৎসকদের। জানা যায়, ১৯৮২ সালের ২০শে ডিসেম্বর নওগাঁ ইউনিয়ন স্বাস্থ্য পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রটি পাবনা সিভিল সার্জন ডা. শাহ্‌ মো. আমিনুল ইসলাম ও পরিবার পরিকল্পনার উপ-পরিচালক মি. টিএইচ চৌধুরী ভবনটির উদ্বোধন করেন। ভবনটি নির্মাণের পর একবার সংস্কার কাজ করা হলেও বর্তমানে এর অবস্থা খুবই নাজুক। ছাদের ওপর বটগাছসহ অন্যান্য পরগাছা জন্মে তাদের শেকড় ছাদের ভেতরে ঢুকে গেছে। ভবনের ছাদ ও দেয়ালে ফাটল সৃষ্টি হওয়ায় অল্প বৃষ্টি হলেই পানি ঢুকে পড়ে। দরজা-জানালাগুলোও নড়বড়ে।
স্থানে স্থানে পলেস্তরা খসে পড়েছে। ভবনের ছাদের বিভিন্ন অংশ খসে পড়েছে, দরজা-জানালার অবস্থাও খুবই জরাজীর্ণ। যেকোনো সময় সেখানে বড় ধরনের অঘটনের আশঙ্কা রয়েছে। তবে সেখানে দায়িত্বে রয়েছেন একজন উপ-সহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার, একজন ভিজিটর, একজন পিয়ন ও একজন আয়া। কিন্তু তারা থাকলেও চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত এলাকার লোকজন। সরজমিন মঙ্গলবার (২৩শে ফেব্রুয়ারি) সকাল ১২টায় গিয়ে দেখা যায়, উপ-স্বাস্থ্যকেন্দ্রটির একতলা ভবনটি প্রধান দরজাটি ভাঙাচোরা, ভেতরে কেউ নেই। নওগাঁ ইউনিয়ন উপ-স্বাস্থ্যকেন্দ্রের কর্মরত উপ-সহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার হাবিবুল্লাহ আজাদ জানান, ভবনটির অবস্থা ভালো না। তাই সেখানে থেকে অফিস করা যায় না। আবাসিক ভবনটি প্রায় ১৫ বছর ধরে পরিত্যক্ত হয়ে রয়েছে। সেখানে থাকার উপযোগী নয়। তাড়াশ উপজেলা পরিবার-পরিকল্পনা অফিসার মো. আনিসুর রহমানের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি ফোন রিসিভ না করায় তার বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।



 

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
কাজি
২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২১, শুক্রবার, ১:১৬

যতনে যতনে পরিণত হয় অবহেলায় ধ্বংস। রক্ষণাবক্ষেণ নাই। নিত্য নতুন প্রকল্প করলে ঠিকাদার লাভবান হয়। সবার হাতে ঘি লাগে।

অন্যান্য খবর