× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজানস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী
ঢাকা, ২১ এপ্রিল ২০২১, বুধবার

কার্টুনিস্ট কিশোরকে মুক্তি দেয়ার আহ্বান সিআরএনআইয়ের

বিশ্বজমিন

মানবজমিন ডেস্ক
(১ মাস আগে) ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০২১, রবিবার, ১০:৫৭ পূর্বাহ্ন

কার্টুনিস্ট আহমেদ কবির কিশোরের মুক্তি দাবি করেছে কার্টুনশিল্পীদের অধিকার বিষয়ক আন্তর্জাতিক সংগঠন কার্টুনিস্টস রাইটস নেটওয়ার্ক ইন্টারন্যাশনাল (সিআরএনআই)। এক বিবৃতিতে তারা কিশোরের স্বাস্থ্যের অবনতির কথা তুলে ধরেছে। তার সঙ্গে দুর্ব্যবহার ও নির্যাতনের অভিযোগ আছে। এ ছাড়া সম্প্রতি ঢাকার কাছে কারাগারে নিরাপত্তা হেফাজতে থাকা লেখক মুশতাক আহমেদের মৃত্যুতে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে সংগঠনটি। এ খবর দিয়েছে অনলাইন আইফেক্স ডট অর্গ। এতে সিআরএনআইয়ের বিবৃতি তুলে ধরা হয়েছে। তাতে বলা হয়েছে, সিআরএনআইয়ের রবার্ট রাসেল কারেজ ইন কার্টুনিং এওয়ার্ডজয়ী শিল্পী আহমেদ কবির কিশোর। ২০২০ সালের মে মাস থেকে তিনি জেলে।
করোনা মহামারির সময় বাংলাদেশ সরকার গৃহীত পদক্ষেপের সমালোচনা করে কার্টুন আঁকার কারণে তাকে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এই আইনটি নিয়ে কড়া সমালোচনা করেছে আর্টিকেল ১৯, কমিটি টু প্রটেক্ট জার্নালিস্টস এবং হিউম্যান রাইটস ওয়াচ। এসব সংগঠনের বিশেষজ্ঞরা একে একটি অন্যায়, অস্পষ্ট এবং অত্যধিক বিস্তৃত আইন বলে কড়া সমালোচনা করেছেন। এর অধীনে অনলাইনে কোনো কর্মকা-ের ওপর ভিত্তি করে সরকার যেকাউকে গ্রেপ্তার করতে পারে।
বিবৃতিতে সিআরএনআই আরো বলেছে, গত বছর সরকার এই মামলায় ১১ জনকে গ্রেপ্তার করে। তার মধ্যে কিশোর অন্যতম। তারপর ১০ মাস অতিবাহিত হয়েছে। এখনও তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের বিশ্বাসযোগ্যতা সীমাবদ্ধ। নিরাকার এবং দুর্বলভাবে সাজানো এই মামলায় যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছে তার মধ্যে সবচেয়ে বেশি দুর্ব্যবহার করা হয়েছে দু’জনের বিরুদ্ধে। তারা হলেন কিশোর এবং লেখক মুশতাক আহমেদ। দু’জনকেই তুলে নিয়েছে র‌্যাবের সদস্যরা। তাদেরকে রাখা হয় দেশের সর্বোচ্চ নিরাপত্তাবেষ্টিত কারাগারে। ৬ বার তাদের জামিন আবেদন প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে। স্থানীয় মিডিয়ার মতে, এ মাসের শুরুর দিকে দু’জনকেই দেখে মনে হয়েছে তাদের ওজন কমে গেছে অনেক বেশি। ২৩শে ফেব্রুয়ারি ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টে এক সংক্ষিপ্ত শুনানিতে হাজির করা হয়েছিল কিশোরকে। সেখানে তিনি একজন আইনজীবির কাছে একটি নোট ও কিছু অঙ্কনচিত্র দিয়েছেন। পরে তিনি এসব জিনিস তার পরিবারের কাছে দিয়ে দিয়েছেন। সিআরএনআই কিশোরের ভাই আহসাব কবির ও তার আইনজীবী ব্যারিস্টার জ্যোতির্ময় বড়ুয়ার সঙ্গে কথা বলেছে। কবিরের পরিবার বলেছে, তাদের আশঙ্কা কবিরকে নিরাপত্তা হেফাজতে নির্যাতন করা হয়েছে। তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়েছে। তিনি ডায়াবেটিকের কারণে ইনসুলিন নেন। তার চোখের দৃষ্টিসীমা কমে গেছে। কানে ক্ষত আছে। বাম পায়ে ক্ষত আছে। এসব অবস্থা বিবেচনায় তাকে মুক্তি দেয়ার আহ্বান জানিয়েছে সিআরএনআই।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর