× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজানস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী
ঢাকা, ২২ এপ্রিল ২০২১, বৃহস্পতিবার

দখল হয়ে যাচ্ছে কালিয়াকৈরের বংশী নদী

বাংলারজমিন

কালিয়াকৈর (গাজীপুর) প্রতিনিধি
১ মার্চ ২০২১, সোমবার

গাজীপুরের কালিয়াকৈরে এককালের প্রমত্তা বংশী নদী পুনঃখননের অভাবে এখন প্রায় মৃত। এই সুযোগে এক শ্রেণির ভূমিদস্যুরা নির্বিঘ্নে নদীর জমি দখলে নিয়ে ঘরবাড়ি ও ইটভাটাসহ বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান নির্মাণ করে অবৈধভাবে ফায়দা লুটছে। ফলে অস্তিত্ব সংকটে পড়েছে ঐতিহ্যবাহী বংশী নদী। সরজমিন তথ্য অনুসন্ধানে জানা যায়, বংশী নদীর কালিয়াকৈর অংশের ১৫ কি. মি. গতি পথের প্রায় ১০ কিলোমিটারই নাব্য হারিয়ে কৃষি ক্ষেতে পরিণত হয়েছে। দুই দশক পূর্বেও কালিয়াকৈর থেকে ধামরাই ত্রিমোহনা পর্যন্ত নদী পথের দু’ধারে শতাধিক সেচ প্রকল্প চালু ছিল। এর পানি প্রবাহ বন্ধ হওয়ায় বর্তমানে ওই প্রকল্পগুলোর ৮০টিরও বেশি প্রকল্পের প্রায় ৫০ হাজার বিঘা ইরি জমিতে সেচ সুবিধা বন্ধ হয়ে গেছে। বংশী নদীর ১৫ কিলোমিটার গতি পথের শতকরা ৫০ ভাগ জমিই এখন বেদখল হয়ে পড়েছে। বেশির ভাগ জায়গাতেই পাকা ও আধা পাকা বাড়িঘর তুলে গ্রাম বা আবাস ভূমি তৈরি করা হয়েছে।
এমনকি নদী দখল করে কেউ ইটভাটা স্থাপন আবার কেউ বাঁধ দিয়ে মাছ চাষ করছে। উপজেলার সূত্রাপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হাজী মো. বজলুর রহমান জানান, খনন করা হলে ১২ মাস এই নদী পথে কম সময়ে মালামাল রাজধানীসহ দেশের অন্যান্য অঞ্চলে প্রেরণ ও আনয়ন সহজতর হবে। এ ছাড়া এর শতাধিক সেচ প্রকল্পভুক্ত জমি পুনরায় চাষের আওতায় আসতে পারবে এবং ফসল ও মাছ উৎপাদন বৃদ্ধিতে সহায়ক ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবে। ঢালজোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আকতারুজ্জামান বলেন, জবর-দখলের কারণে ঐতিহ্যবাহী বংশী নদী আজ অস্তিত্ব সংকটে পড়েছে। তিনি বংশী নদীর জমি থেকে সমস্ত অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ ও নদীটি পুনঃখননের দাবি জানান। এ ব্যাপারে গাজীপুর জেলা প্রশাসক এসএম তরিকুল ইসলাম বলেন, সরজমিন তদন্ত করে বংশী নদী থেকে অবৈধ দখলদারদের উচ্ছেদ ও পুনঃখননের উদ্যোগ নেয়া হবে।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর