× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী
ঢাকা, ১৩ এপ্রিল ২০২১, মঙ্গলবার

জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে ঝুঁকিতে খাদ্য পানি ও জ্বালানি নিরাপত্তা

দেশ বিদেশ

কূটনৈতিক রিপোর্টার
১ মার্চ ২০২১, সোমবার

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব বা ঝুঁকি কতটা ভয়াবহ হতে পারে তা নিয়ে অন্তহীন বিচার-বিশ্লেষণ চলছে দুনিয়াজুড়ে। বাংলাদেশের মতো যেসব রাষ্ট্র জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকির সামনের সারিতে রয়েছে সেখানে এ আলোচনা আরো প্রবল। ঢাকায় বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব পিস অ্যান্ড সিকিউরিটি স্টাডিজ (বিপস) এমনই এক আলোচনার আয়োজন করেছিল যেখানে দেশি-বিদেশি কূটনীতিক, জলবায়ু পরিবর্তন বিশেষজ্ঞ, শিক্ষাবিদ, সাংবাদিক ও তরুণ এক্টিভিস্টসহ বিশিষ্টজনরা এ নিয়ে তাদের আশঙ্কার বিষয়টি তুলে ধরেন। ‘ইনআনডেটেড অ্যান্ড আনস্টাবল: আন্ডার্স্টান্ডিং দ্য সিকিউরিটি ইমপ্লিকেশনস অব ক্লাইমেট চেঞ্জ’ শীর্ষক বিপস পলিসি ক্যাফে কফি@বিপস নামে পরিচিত। বিপস প্রেসিডেন্ট এবং গ্লোবাল মিলিটারি এডভাইজরি কাউন্সিল অন ক্লাইমেট চেঞ্জের চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল এএনএম মুনিরুজ্জামান ছিলেন মুখ্য আলোচক হিসেবে তার নিবন্ধ উপস্থাপন করেন। ওই সেশন সঞ্চালনা করেন প্রথম আলোর কনসাল্টিং এডিটর আয়েশা কবির।
বক্তব্যের শুরুতেই মুনিরুজ্জামান জলবায়ু পরিবর্তনের মারাত্মক অস্তিত্ব সংকটের ঝুঁকির বিষয়টি তুলে ধরেন। তিনি বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে সব থেকে বেশি ঝুঁকিতে পড়বে খাদ্য, পানি ও জ্বালানি নিরাপত্তা।
এর ফলে যে বাস্তুচ্যুতি এবং জলবায়ু উদ্বাস্তু সংকটের সৃষ্টি হবে সেটিকে তিনি জলবায়ু পরিবর্তনের সব থেকে অস্থিতিশীল প্রভাব হিসেবে উল্লেখ করেন। যেসব রাষ্ট্র সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে কম উঁচুতে অবস্থিত এবং দ্বীপরাষ্ট্র, তারাই মূলত জলবায়ু পরিবর্তনের সত্যিকারের ঝুঁকিতে রয়েছে। সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে এসব জাতি বড় নিরাপত্তা হুমকিতে পতিত হবে। আলোচনায় তিনি মোটাদাগে যে বিষয়টি বলার চেষ্টা করেন তা হলো- চরমভাবাপন্ন আবহাওয়া এবং দুর্যোগ উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে কারণ এসব দুর্যোগ মানুষের জান ও মালের বিনাশ সাধন করে। জলবায়ু পরিবর্তনের মারাত্মক হুমকিতে থাকা বাংলাদেশ যেসব ক্ষতির মুখে পড়তে পারে বা পড়ছে তা নিয়ে বিস্তৃত আলোচনা করেন তিনি।
তিনি বলেন, হিসাব অনুযায়ী সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির ফলে বাংলাদেশের মোট ভূমির ২০ শতাংশ পানির নিচে তলিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এর ফলে দেশের ২ কোটি ৫০ লাখ থেকে ৩ কোটি মানুষ উদ্বাস্তুতে পরিণত হবে।
এটি শুধুমাত্র আমাদের জাতীয় উদ্বেগের কারণ নয়, এটি এ অঞ্চলের নিরাপত্তা তথা আন্তর্জাতিক নিরাপত্তার জন্যও বড় ইস্যু। এরইমধ্যে বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তনের সকল প্রভাবের মুখোমুখি হচ্ছে বলে জানান মুনিরুজ্জামান। তিনি জার্মানির মিউনিখে মার্কিন প্রেসিডেন্টের জলবায়ু বিষয়ক দূত জন কেরির সঙ্গে বিপসের গবেষক শাফকাত মুনিরের প্রশ্নোত্তর পর্বের কথা তুলে ধরেন। এতে মুনির জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব ও সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির বিষয়টিতে জোর দিয়েছিলেন। জবাবে জন কেরি জানান, তিনি এ বিষয়ে অবগত রয়েছেন এবং ওয়াশিংটনে আয়োজিত জলবায়ু সম্মেলনে বাংলাদেশকে আমন্ত্রণ করা হয়েছে।



অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর