× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী
ঢাকা, ১২ এপ্রিল ২০২১, সোমবার

সৌদি ক্রাউন প্রিন্সের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞার বিল ইলহান ওমরের

বিশ্বজমিন

মানবজমিন ডেস্ক
(১ মাস আগে) মার্চ ৩, ২০২১, বুধবার, ১:৪২ অপরাহ্ন

সাংবাদিক জামাল খাসোগি হত্যায় সৌদি আরবের ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমানের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা দেয়ার বিল এনেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি পরিষদের সদস্য ইলহান ওমর। মঙ্গলবার এই বিল আনার মধ্য দিয়ে তিনি প্রতিনিধি পরিষদের স্পিকার ন্যান্সি পেলোসি এবং প্রেসিডেন্ট হো বাইডেনের সঙ্গে বিরূপ সম্পর্কে জড়ালেন। এ খবর দিয়েছে অনলাইন আল জাজিরা। এতে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর প্রস্তুত করা জামাল খাসোগি হত্যার রিপোর্ট শুক্রবার প্রকাশ করে অফিস অব দ্য ডিরেক্টর অব ন্যাশনাল ইন্টেলিজেন্স। এতে ২০১৮ সালে সাংবাদিক খাসোগিকে হত্যা পরিকল্পনার সঙ্গে জড়িত থাকার জন্য ক্রাউন প্রিন্সকে দায়ী করা হয়। বলা হয়, জামাল খাসোগিকে তুরস্ক থেকে জীবিত ধরে নিতে অথবা মৃত অবস্থায় ধরে নেয়ার অনুমোদন দিয়েছিলেন তিনি। এরপর সোমবার সৌদি আরবের বেশ কিছু ব্যক্তির বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা দেয় বাইডেন প্রশাসন। কিন্তু ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমান থেকে যান ধরাছোঁয়ার বাইরে।
এ অবস্থায় তার বিরুদ্ধে অবরোধ দেয়ার আহ্বান জানান খাসোগির বাকদত্তা হ্যাতিস চেঙ্গিস। কিন্তু মার্কিন প্রশাসনের কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি সেই আহ্বানে। মিনেসোটা থেকে নির্বাচিত মুসলিম ডেমোক্রেট ইলহান ওমর মঙ্গলবার এ বিষয়ে বিল এনে বলেন, এটা আমাদের মানবতার এক পরীক্ষা। যদি যুক্তরাষ্ট্র সত্যিকার অর্থে মত প্রকাশের স্বাধীনতা, গণতন্ত্র এবং মানবাধিকারের প্রতি সমর্থন করে, তাহলে মোহাম্মদ বিন সালমানের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা না দেয়ার কোনো কারণ থাকতে পারে না। ক্রাউন প্রিন্স এমন এক ব্যক্তি যাকে আমাদের নিজস্ব গোয়েন্দারা এই হত্যায় অনুমোদন দেয়ার জন্য দায়ী করেছেন।
প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রশাসন সৌদি আরবের ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমানকে শাস্তি দিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে। এর ফলে প্রেসিডেন্ট এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে অস্বস্তিকর এক অবস্থায় পড়বেন ইলহান ওমর। মার্কিন প্রশাসন ক্রাউন প্রিন্সকে শাস্তি দিতে চায় না তাদের মধ্যপ্রাচ্য বিষয়ক নীতির কারণে। কারণ, মধ্যপ্রাচ্যে ইরানকে শায়েস্তা করতে হলে সৌদি আরবের মতো বৃহৎ মুসলিম দেশের সমর্থন প্রয়োজন। এ জন্য হয়তো প্রশাসন ক্রাউন প্রিন্সকে নিষেধাজ্ঞার বাইরে রেখেছে।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
Ali
৩ মার্চ ২০২১, বুধবার, ১০:১২

আল্লাহ্ র জমিনে হয়তো একদিন জামাল খাসোগি হত্যার বিচার হবে যেটা সময় সাপেক্ষে কিন্তু আল্লাহ্ র আদালতে তো হবেই ।বর্তমান প্রেসিডেনটের নির্বাচনি ইশতেহারে ঘোষণা অনুযায়ী হওয়ার কথা তবে এখন দেখার বিষয় । হায়রে আদালত তোমার বিচার কি শুধু যার শক্তি নাই, সম্পদ নাই তাদের উপর

Syed Yusuf
৩ মার্চ ২০২১, বুধবার, ৪:৪৮

হত্যার দায় হত্যাকারিকে অবশ্যই নিতে হবে।সাথে সাথে বাংলাদেশী গৃহকর্মিদের উপর তাদের অমানুষিক নির্যাতনের বিচার দাবি করি।

Amir
৩ মার্চ ২০২১, বুধবার, ৫:৪৩

কিন্তু ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমান থেকে যান ধরাছোঁয়ার বাইরে।---------তথাকথিত গণতন্ত্রের ধ্বজাধারীদের আইনের শাসন, মানবাধিকার ইত্যাদি নিয়ে চিল্লা হল্লা সুধু দুর্বলদের উদ্দেশ্যে, সবলদের কাছ থেকে এরা নিরাপদ দুরত্ত বজায় রাখেে ; ট্রাম্প-বাইডেেন নীতির দিক থেকে কি লক্ষ যোযন ফারাকে অবস্থান করে ? অবশ্যই না!

Amir
৩ মার্চ ২০২১, বুধবার, ৫:১৯

কিন্তু ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমান থেকে যান ধরাছোঁয়ার বাইরে।---------তথাকথিত গণতন্ত্রের ধ্বজাধারীদের আইনের শাসন, মানবাধিকার ইত্যাদি নিয়ে চিল্লা হল্লা সুধু দুর্বলদের উদ্দেশ্যে, সবলদের কাছ থেকে এরা নিরাপদ দুরত্ত বজায় রাখেে ; ট্রাম্প-বাইডেেন নীতির দিক থেকে কি লক্ষ যোযন ফারাকে অবস্থান করে ? অবশ্যই না!

Fazlu
৩ মার্চ ২০২১, বুধবার, ৪:২২

সমগ্র মুসলিম বিশ্বের প্রাণকেন্দ্র মক্কায় খুনের দায়ে অভিযুক্ত ব্যক্তি বিনা বিচারে অবস্থান করবে, আর মুসলমানরা তা জেনেও কেউ মুখ খুলবে না। তাহলে প্রশ্ন উঠবে হাজি সাহেবেরা কাবা শরীফ তওয়াফ করতে যান কেন? জবাব-কোরানের নির্দেশ মানতে। ওই কোরানের সুরা মায়েদার ৩২ নং আয়াতে বলা আছে,"হত্যাকারী বা বিপর্যয় সৃষ্টিকারী ছাড়া কাউকে হত্যা করা মানে সমগ্র মানবজাতিকেই হত্যা করা"। ইলহান ওমর মুসলমানদের পক্ষে আল্লাহর এ হদ্দকে সমুন্নত করলেন।

অন্যান্য খবর