× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজানস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী
ঢাকা, ১৯ এপ্রিল ২০২১, সোমবার

উপার্জন নেই, অভিনয়কে বিদায় জানালেন সেই ঝনক

বিনোদন

বিনোদন ডেস্ক
৫ মার্চ ২০২১, শুক্রবার

প্রত্যাশার তুলনায় পিছিয়ে পড়েছেন, সেই গুঞ্জন শোনা যাচ্ছিল অনেক দিন ধরেই। এ বার তার গুণগ্রাহীদের নিরাশা বাড়ল আরও কিছুটা। অতীতে বলিউডে শিশুশিল্পী হিসেবে জনপ্রিয় হওয়া ঝনক শুক্লা জানিয়েছেন, তিনি এখন উপার্জনহীন। মাত্র ২৫ বছর বয়সেই অভিনয়কে বিদায় জানাতে চান। সম্প্রতি নেটমাধ্যমে প্রকাশ হয়েছে তার একটি ভিডিও। সেখানে তিনি জানাচ্ছেন, ১৫ বছর বয়সে তিনি কাজ থেকে বিরতি নিয়েছিলেন। এখন তার মনে হচ্ছে, তিনি অবসরপ্রাপ্ত। তার এই ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পরে তিনি এখন ইন্টারনেটে ট্রেন্ডিং।
অথচ তার ক্যারিয়ারের সূত্রপাত ছিল সাড়া জাগানো। ঝনকের মা সুপ্রিয়া নিজেই অভিনেত্রী। ছোট পর্দার ধারাবাহিকে তিনি জনপ্রিয় মুখ। পার্শ্বচরিত্রে অভিনয় করেছেন ‘পরিণীতা’, ‘লাগে রাহো মুন্নাভাই’, ‘থ্রি ইডিয়টস’-সহ বেশ কিছু ছবিতে। বাবা, হরিল শুক্লা পেশায় তথ্যচিত্র পরিচালক। বাবা, মায়ের ধারা অনুসরণ করেই অভিনয়ে এসেছিলেন ঝনক। ঝনকের জন্ম ১৯৯৬ সালের ২৪ জানুয়ারি। শাহরুখ খানের ‘কাল হো না হো’ ছবিতে তিনি অভিনয় করেন জয়া বচ্চনের পালিত মেয়ে জিয়া কাপুরের ভূমিকায়। ‘ডেডলাইন: সির্ফ ২৪ ঘণ্টে’ ছবিতে তার সহ-কুশীলব ছিলেন রজিত কাপুর, কঙ্কণা সেনশর্মা, ইরফান খানের মতো তারকারা। সুযোগ পেয়েছিলেন ‘ব্ল্যাক’ ছবিতেও। কিন্তু সে সময় এত বেশি দিন ডেট দেওয়া সম্ভব ছিল না ঝনকের পক্ষে। ফলে ছোট্ট মিশেলের চরিত্রে অভিনয় আর করা হয়নি। তবে ছবির তুলনায় ঝনক বেশি জনপ্রিয় হন ছোট পর্দায়। ‘সোনপরী’ ধারাবাহিকে তিনি ছিলেন প্রিন্সি। ‘করিশমা কা করিশমা’ ধারাবাহিকে তিনিই ছিলেন মূল চরিত্র। দেড় দশকেরও বেশি সময় অভিনয়ের বাইরে আছেন ঝনক। ইন্ডাস্ট্রিতে ফেরারও খুব একটা ইচ্ছে নেই। নেটমাধ্যমে খুবই জনপ্রিয় ঝনক। পরিবারের সদস্য এবং বন্ধুবান্ধবদের সঙ্গে নিজের ছবি প্রায়ই শেয়ার করেন সেখানে। অনুগামীর সংখ্যাও কম নয়। অভিনয় না করলেও নিজের জীবন উপভোগ করছেন ঝনক। কিন্তু তিনি কি হতাশ হয়ে বিনোদন দুনিয়াকে বিদায় জানালেন? উত্তরে তিনি জানিয়েছিলেন, হতাশা নয়। তিনি শৈশবকে উপভোগ করতে চাইছিলেন। এমন নয়, তার স্কুল এবং পড়াশোনা ব্যাহত হচ্ছিল। অভিনয়ের ব্যস্ত সূচির বাইরেই সব কিছু করছিলেন তিনি। কিন্তু তার পরেও মনে হয়েছিল, কিছু একটা বাদ থেকে যাচ্ছে জীবন থেকে। তিনি স্বস্তি পেতে চেয়েছিলেন। দম ফেলার সেই ফুরসৎটুকু পেতেই সরে গিয়েছিলেন টিনসেল টাউন থেকে। তার সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেছিলেন বাবা মা-ও। পড়াশোনা শেষে ঝনক এখন পুরাতাত্ত্বিক। কিন্তু তার জীবন যে খাতে এগিয়েছে, সেটা আদৌ ভাবেননি তিনি। যখন অভিনয় করতেন, স্বপ্ন দেখতেন ২৫ বছর বয়সে অনেক অর্থ উপার্জন করবেন। বিয়েও করে ফেলবেন। কিন্তু ঝনকের আক্ষেপ, অনেক অর্থ তো দূর। তার কোনও উপার্জনই নেই এখন। আর বিয়ে করে সংসারী হওয়াও হয়ে ওঠেনি। তবে অতীতের জনপ্রিয় এই শিশুশিল্পী জানিয়েছেন, জীবনের স্বপ্ন পূর্ণ হয়নি ঠিকই। তবে বাবা মা এবং পরিবারের বাকি সদস্য তার পাশে আছেন। বাবা, মা এবং বোনের সঙ্গে ঝনক থাকেন মুম্বইয়ে। মা ও বোনের সঙ্গে তার সম্পর্ক বন্ধুর মতো। সে কথা অনেক বার জানিয়েওছেন ঝনক। ঝনকের মা সুপ্রিয়া এখনও অভিনয় করেন। কিন্তু মেয়ের উড়ান থেমে গিয়েছে মাঝপথেই।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর