× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজানস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী
ঢাকা, ১৯ এপ্রিল ২০২১, সোমবার

‘স্বাধীনতার মুখে আঠা লাগিয়ে দিয়েছে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন’

অনলাইন

স্টাফ রিপোর্টার
(১ মাস আগে) মার্চ ৭, ২০২১, রবিবার, ৮:৩৬ অপরাহ্ন

গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেছেন, স্বাধীনতার মুখে আঠা লাগিয়ে দিয়েছে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন। এই আইন ৭ই মার্চের গুরুত্বকে নষ্ট করে দিয়েছে। এই আইনকে কবরে পাঠিয়ে দিতে হবে। প্রতিটি ক্ষেত্রে পরিবর্তন আনতে হবে। রোববার বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ঐতিহাসিক ৭ই মার্চ উপলক্ষে ‘স্বাধীনতার ৫০ বছরে প্রত্যাশা ও প্রাপ্তি’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, ঢাকার শাসন ইসলামাবাদের শাসনের থেকেও খারাপ হয়ে গেছে। আমাকে কথা বলতে দিতে হবে। এজন্য আইন বাতিল করতে হবে।
অনেক আইনকে সংস্কার করতে হবে। আজকে চাই পরিবর্তন পরিবর্তন পরিবর্তন। আজকে মুশতাকের মৃত্যু মধ্য দিয়ে কিশোর মুক্তি পেয়েছে। আজ মুশতাকের মৃত্যু না হলে কিশোর মুক্তি পেতো না। আজ এক লাখের বেশি লোক কোর্টে দৌঁড়াদৌঁড়ি করছে। এটা জেলের থেকেও খারাপ। আজকে যদি সমান অধিকার না থাকে এই স্বাধীনতা অর্থহীন।

বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম (বীর প্রতীক) বলেন, একটা প্রস্তাব দিয়ে শুরু করতে চাই। মার্চ মাসে লাল সবুজের পোশাক পরবেন। আমরা তখন শপথ নিয়েছিলাম সরকারের কাজ করব বলে। কিন্তু আমরা পাকিস্তানের আর্মির হয়ে কাজ করিনি। আমরা চেয়েছি জনগণ ভোট দিক। আর ভোটটা নৌকায় দিক। কারণ নৌকা ছিল ৬ দফার প্রতীক। ডিসেম্বরে নির্বাচন এলো। আমি বিএনপি ঘরানার রাজনীতি করি। আমার দল এই জোটে আছে কিন্তু তাও বলব বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীনতার ফিল্ড প্রস্তুত করেছিলেন। স্বাধীনতার তিনি প্রধান অনুঘটক ছিলেন। ৭ই মার্চের ভাষণ ছিলো অনবদ্য। বিএনপি বলছে ৭ই মার্চ পালন করবে। ভালো কথা। কিন্তু এরপর ওবায়দুল কাদের বললেন, এটাও নাকি ষড়যন্ত্রের অংশ। আমি বলব যারা বঙ্গবন্ধুকে আওয়ামী লীগের সম্পত্তি বানিয়েছেন তারা ভুলের রাজ্যে বাস করছেন।

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সরকার ও রাজনীতি বিভাগের অধ্যাপক ড. আবদুল লতিফ মাসুম বলেন, মানুষ মুক্তি চায়। এটা তার সহজাত প্রবৃত্তি। বিরোধী দল আজ ক্ষমতাসীনদের এজেন্ট হিসেবে কাজ করে।

বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক ও ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুর বলেন, আজকের ৭ই মার্চ কোনো ব্যক্তিকে কেন্দ্র করে নয়। এটা ইতিহাসের একটা গুরুত্বপূর্ণ দিন। বঙ্গবন্ধুর এই ভাষণ সাধারণ কোনো ভাষণ ছিলো না। এটা ছিল জাতিকে রক্ষা করার ভাষণ। স্বাধীনতার ইশতেহারে ছিল নির্ভেজাল গণতন্ত্র। আজ ৫০ বছর হলো আজও কী আমরা তা পেয়েছি? তারা সমস্ত রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে জিম্মি করে রেখেছে। আদালতে কী আছে সেটা আপনারা জানেন। দেড় বছর হলো আমি পাসপোর্ট পাই নাই। আমিতো সাধারণ একজন ছাত্র নেতা।

তিনি আরো বলেন, এই যে বিতর্কিত ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন। কিশোর বলেছেন, তাদের কীভাবে নির্যাতন করা হয়েছে।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
z Ahmed
৮ মার্চ ২০২১, সোমবার, ১২:০৩

আপনি সত্য বলেছেন। কিন্তু কেউ আপনার কথা শুনবে না। তারা তাদের কাজ চালিয়ে যাবে। এই system বাংলাদেশে স্থায়ীভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

আবুল কাসেম
৭ মার্চ ২০২১, রবিবার, ৫:২৩

একটি জনপদ- একটি জাতি- একটি দেশ- একজন নেতা- একটি ভাষণ- একটি শ্লোগান- একটি রক্তক্ষয়ী সংগ্রাম- একটি স্বাধীনতা। স্বাধীনতার স্বপ্নচারী বঙ্গবন্ধু অধিকার হারা এই জাতিকে স্বাধীনতার স্বপ্ন দেখিয়েছিলেন। তাঁর সাত মার্চের ভাষণেই বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করা হয়ে গিয়েছিলো। এর পূর্বে ছয়দফাতে স্বাধীনতার বীজ রোপণ করা হয়েছে। এগারো দফাতে স্বাধীনতার ফসল ফলানো হয়েছে। আর গণ-অভ্যুত্থানের মাধ্যমে স্বাধীনতার ফসল পাকানো হয়েছে। সত্তরের নির্বাচনে স্বাধীনতার ফসল কাটা হয়েছে। কিন্তু, তখনো ফসল ঘরে তোলার বাকি ছিলো। সাত মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণে স্বাধীনতার ফসল ঘরে তোলার ডাক দেয়া হয়েছে। সেই ডাকে সশস্ত্র যুদ্ধের ঈঙ্গিতপূর্ণ আহ্বান স্বাধীনতাকামী মুক্তি পাগল মানুষের বুঝে নিতে একটুও দেরি এবং অসুবিধা হয়নি। সেই লক্ষ্যে গ্রামে গ্রামে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে মুক্তিযুদ্ধের প্রস্তুতি মূলক ট্রেনিং শুরু করা হয়েছে। ঐতিহাসিক সাত মার্চের ভাষণে স্বাধীনতার ফসল ঘরে তোলার ডাক দেয়ার ঈঙ্গিত পাওয়া যায় এই কথাগুলোর মধ্যেঃ 'প্রত্যেক ঘরে ঘরে দুর্গ গড়ে তোলো। তোমাদের যা কিছু আছে তাই নিয়ে শত্রুর মোকাবেলা করতে হবে, এবং জীবনের তরে রাস্তাঘাট যা যা আছে সব কিছু, আমি যদি হুকুম দিবার নাও পারি, তোমরা বন্ধ করে দেবে।' 'তোমাদের যা কিছু আছে তাই নিয়ে প্রস্ত্তত থাকো।' 'মনে রাখবা, রক্ত যখন দিয়েছি, রক্ত আরো দিব। এ দেশের মানুষকে মুক্ত করে ছাড়বো ইনশাল্লাহ্। এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম।' রেসকোর্স ময়দানের জনাকীর্ণ সমাবেশে সাত মার্চের ভাষণের সারা দেশের দৃশ্যপট বদলে যেতে থাকে এবং স্বাধীনতা লাভের জন্য মানুষের মনে চরম মাত্রার একটা অভূতপূর্ব উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যায়। এরপর নয় মাসের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ। অর্জিত হয় বহু সাধনার ফসল 'স্বাধীনতা'। এখন প্রশ্ন হচ্ছে, শাহ্ ওয়ালিউল্লাহ্ দেহলভি, শাহ আব্দুল আজিজ, সাইয়েদ আহমদ বেরলভি, শাহ ইসমাইল শহীদ, শহীদ তিতুমীর, ক্ষুদিরাম, প্রীতিলতার বৃটিশ বিরোধী আন্দোলন এবং ভারতীয় কংগ্রেস ও মুসলিম লীগের বৃটিশ খেদাও আন্দোলনের পথ বেয়ে শেরেবাংলা, সোহরাওয়ার্দী, ভাসানী ও তৎকালীন ছাত্র নেতা বঙ্গবন্ধুর পাকিস্তান আন্দোলনের মধ্য দিয়ে অবশেষে পূর্ব বাংলা পূর্ব পাকিস্তান নামে স্বাধীনতা অর্জন করার পরেও বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে আবারো আরেকটি স্বাধীনতা যুদ্ধের প্রয়োজন পড়লো কেনো? পূর্ব পাকিস্তানে আমাদের স্বাধীনতা আন্দোলনের প্রয়োজনটা দেখা দিয়েছিলো প্রথমত ভাষার অধিকার, কথা বলার স্বাধীনতা ও গণতান্ত্রিক অধিকার থেকে পশ্চিম পাকিস্তানীরা আমাদের বঞ্চিত করার ষড়যন্ত্রের কারণে। তারপর আমরা অর্থনৈতিক বৈষম্যের শিকার হয়েছি নিদারুণ ভাবে। সাম্য, গণতান্ত্রিক অধিকার ও স্বাধীন ভাবে কথা বলার অধিকার অর্জন করতে আমরা নয় মাস ব্যপী যুদ্ধ করে কাঙ্ক্ষিত স্বাধীনতা অর্জন করেছি। কিন্তু, আমাদের গণতান্ত্রিক অধিকার, সাম্য ও কথা বলার স্বাধীনতা যদি কোনো বিধিবিধানের অক্টোপাসে বন্দী হয়ে পড়ে তাহলে মুক্তি যুদ্ধ ও দীর্ঘ সংগ্রামের ইতিহাস তার গৌরব থেকে বঞ্চিত হয়। দীর্ঘ সংগ্রামের ঐতিহ্য স্তিমিত হয়ে যায়। এই অর্থেই হয়তো ডাক্তার জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেছেন, 'স্বাধীনতার মুখে আঠা লাগিয়ে দিয়েছে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন। এই আইন ৭ই মার্চের গুরুত্বকে নষ্ট করে দিয়েছে।' ৭ই মার্চের গুরুত্ব সমুন্নত রাখা আমাদের সকলের দায়িত্ব। ৭ই মার্চের ভাষণ দীর্ঘ স্বাধীনতা আন্দোলনের মাইল ফলক এবং স্বাধীনতা সংগ্রামের দিকনির্দেশনা ও রক্ষাকবচ। তাই আমাদের জাতীয় জীবনে এদিনের গুরুত্ব অপরিসীম।

কাজি
৭ মার্চ ২০২১, রবিবার, ১১:০৭

৭ মার্চের ভাষণ বঙ্গবন্ধুর। তা স্বীকার করে বলতে হবে এটা বাঙালি জাতির সম্পদ । নিত্যনতুন স্বাধীনতার ঘোষক সাজিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি বাদ দিতে হবে। রেডিওতে ঘোষনা পাঠক ঘোষক হয় না। এসব বানোয়াট বিতর্ক বাদ দিয়ে জাতির পিতার প্রতি সর্বসম্মত সমর্থন ও অগাধ শ্রদ্ধা রেখে সব দল রাজনীতি করলে আজ রাজনৈতিক হানাহানি হত না। ৭মার্চ প্রকারান্তরে স্বাধীনতা ঘোষণা করা হয়েছিল। অখ্যাত এক জন মেজর স্বাধীনতা ঘোষণা করার অধিকার ছিল না। ঘোষনা শেখ মুজিব বিভিন্ন মাধ্যমে রেডিওতে পাঠিয়ে ছিলেন কেউ দেশবাসীকে পড়ে শোনাতে। সেই পাঠক জিয়াউর রহমান। অবশ্য এর জন্য তার সম্মান পাওয়া উচিত। যতদিন জাতির পিতার প্রতি সারা জাতি এক বাক্যে সম্মান জানাবে না , কৃতঘ্ন জাতি হিসাবে দেশে শান্তি আসবে না।

Nurun Nabi
৭ মার্চ ২০২১, রবিবার, ১০:৩৯

Dr. Zafarullah. Thanks for your presence et any time for our freedom. Dr. Zafarullah, can we see the Cartoon of Kishjore ? Please.

অন্যান্য খবর