× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজানস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী
ঢাকা, ২৩ এপ্রিল ২০২১, শুক্রবার, ১০ রমজান ১৪৪২ হিঃ
ইয়াবা দিয়ে নারীকে ফাঁসানোর অভিযোগ

হাটহাজারী ছাত্রলীগের সভাপতিসহ ৬ পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে মামলা

বাংলারজমিন

হাটহাজারী (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি
৯ মার্চ ২০২১, মঙ্গলবার

চট্টগ্রামের হাটহাজারীতে ইয়াবা দিয়ে অসহায় নারীকে ফাঁসানোর অভিযোগ এনে উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি, হাটহাজারী মডেল থানার ৩ জন উপ-পুলিশ পরিদর্শক (এস আই), ৩ জন কনস্টেবলসহ ৩ জন সোর্সের বিরুদ্ধে ‘নির্যাতন ও হেফাজতে মৃত্যু (নিবারণ) আইনের ১৩ ও ১৫ ধারায়’ চট্টগ্রাম আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে। গত রোববার দুপুরে চট্টগ্রাম জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ কায়সারের আদালতে এক ভুক্তভোগী নারী মামলাটি করেন।
আসামিরা হলেন- হাটহাজারী উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মো. আরিফুর রহমান রাসেল (৩২), হাটহাজারী থানার সেকেন্ড অফিসার এস আই মুকিব হাসান, এস আই মো. সেলিম মিয়া, এস আই কফিল উদ্দীন, কনস্টেবল মো. পারভেজ, কনস্টেবল মো. সাইফুল, কনস্টেবল বৈশাখী রহমান, পুলিশের সোর্স মো. রিংকু সুলতান (২৫), মো. হেলাল উদ্দীন ও মো. হেলাল (৩৫)। মামলার বাদী মানবজমিনকে বলেন, আমার স্বামীর সঙ্গে বিরোধ, পারিবারিক অশান্তি ও সন্তানদের সঙ্গে দেখা করার সুযোগ না পেয়ে প্রতিকারের আশায় ছাত্রলীগের সভাপতি আরিফুর রহমান রাসেলের শরণাপন্ন হই। কিন্তু সে বিষয়টি সমাধানের আশ্বাস দিয়ে আমাকে একাধিকবার ধর্ষণ করে। পরে উপজেলা সদরের গেস্ট হাউজে নিয়ে ধর্ষণের পর পুলিশের মাধ্যমে ইয়াবা দিয়ে ফাঁসিয়ে দেয়। সেই মামলায় পাঁচ মাস আমি কারাগারে ছিলাম। এ ঘটনায় কারাগার থেকে মুক্তি পেয়ে আজ আমি তাদের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দায়ের করি।
বাদীর আইনজীবী এডভোকেট মোহাম্মদ ইলিয়াস বলেন, ভুক্তভোগী নারীকে ছাত্রলীগের নেতা রাসেল হাটহাজারী গেস্ট হাউজে নিয়ে যায়।
সেখানে পুলিশ সদস্যরা তাকে ইয়াবা দিয়ে ফাঁসিয়ে দেয়। সেই মামলায় ৫ মাস কারাগারে ছিলেন ওই নারী। নির্যাতন ও হেফাজতে মৃত্যু (নিবারণ) আইনের ১৩ ও ১৫ ধারায় মামলা করেছেন ভুক্তভোগী। আদালত মামলাটি গ্রহণ করে আদেশের জন্য রেখেছেন।
হাটহাজারী সার্কেল অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শাহাদাত হোসেন বলেন, তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে। যারা দোষী তাদের বিরুদ্ধে অবশ্যই আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

 

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর