× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজানস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী
ঢাকা, ১১ মে ২০২১, মঙ্গলবার, ২৮ রমজান ১৪৪২ হিঃ
মওদুদ আহমদ যখন রিমান্ডে (৫)

কপালে কী আছে আন্দাজ করতে পারিনি

বই থেকে নেয়া

স্টাফ রিপোর্টার
২৫ মার্চ ২০২১, বৃহস্পতিবার
সর্বশেষ আপডেট: ৬:১১ অপরাহ্ন

২০০৭ সালের ১২ই এপ্রিল, অর্থাৎ গত পরশুদিনের কথা। আমার স্ত্রী হাসনা দেশের বাইরে। দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি অনেকটা অশান্ত। গতবছর আমার প্রতিবন্ধী পুত্র আমান ও জোরাহ’র প্রথম বিয়ে বার্ষিকীতে একটা আনন্দ উৎসবমুখর অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। এবার হাসনা না থাকাতে আমি ওদের জন্য হোটেল সেরিনাতে একটা প্রাইভেট ডিনারের ব্যবস্থা করেছিলাম। আমান সাজগোজ খুব পছন্দ করে। আমিও ভালো স্যুট পরলাম। আমানের দুই কাজিন দুলি ও মৃদুলাকেও সাজগোজের জন্য অপূর্ব লাগছিল।
তৌফিক-আসমাসহ আমরা সবাই মিলে ইটালিয়ান ডিনার খাই। আমান ও জোরাহ গোটা সময়টা খুবই উপভোগ করেছে। ১৪ই এপ্রিল বা আজকে আমানের ইস্টার ভ্যাকেশনের পর অক্সফোর্ডের স্পেশাল কলেজে বর্ষশুরু কোর্সে যোগ দেওয়ার জন্য ইংল্যান্ড রওনা হওয়ার কথা। সপ্তাহের শেষদিকে আমারও আরেকটা বই লেখার আমন্ত্রণে জার্মানীর হাইডেলবার্গ ইউনিভার্সিটিতে একটা ফেলোশীপে যোগ দেওয়ার ব্যবস্থা নির্ধারিত হয়েছিল।
বাসায় ফেরার পরপরই আমান-জোরাহ আমাকে বিদায় জানিয়ে উপরে তাদের ঘরে চলে গেল। আমি তখনো আমার পরনের কাপড় পরে আছি। রাত ১১টায় জনৈক মেজর রেদোয়ানের নেতৃত্বে হঠাৎ করে জনাবিশেক সাদা পোশাকধারী সশস্ত্র যৌথবাহিনীর সদস্যরা কমান্ডো কায়দায় আমার বাসায় এসে ঢোকে। তাদের সঙ্গে কোনো সার্চ ওয়ারেন্ট ছিল না। তারপরও প্রায় ৯ ঘণ্টা ধরে তারা আমার বাড়িতে তল্লাশি চালায়। তল্লাশি করে তারা কয়েকটি মদের বোতল এবং ২০০টি সিল্কের শাড়ি আবিষ্কার করে। বোতলগুলো আমি পেয়েছিলাম বিদেশি বন্ধু এবং কূটনীতিকদের কাছ থেকে উপহার হিসাবে। এগুলো তাদের আপ্যায়নেই ব্যবহার করা হতো। আর আমাদের সরকারের একেবারে শেষের দিকে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল থেকে গাড়ি করে শাড়িগুলো আমার নির্বাচনী এলাকায় বিতরণের জন্য আমার বাসায় পাঠানো হয়েছিল। কিন্তু তখন উত্তেজনাকর রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং সময়ের অভাবে সেগুলো আর বিতরণ করা সম্ভব হয়নি। তাছাড়া প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলের জন্য বিদেশ থেকে আসা সিল্কের শাড়িগুলো আমাদের গ্রামাঞ্চলের মেয়েরা তেমন পছন্দ করে না। বিগত প্রায় ৩০ বছর যাবৎ প্রতিবছর, বিশেষ করে দুই ঈদের সময় আমি আমার ব্যক্তিগত খরচে নিজ এলাকার গরিব জনসাধারণের মধ্যে শত শত লুঙ্গি ও শাড়ি বিতরণ করে আসছি এবং দক্ষিণ এশিয়ার প্রায় প্রত্যেক জননেতাই এমন করে থাকেন।
তল্লাশি করার সময় আমি বিনীতভাবে অফিসারদের কাছে অনুরোধ জানালাম তারা যেন আমার ছেলেকে ডিস্টার্ব না করেন। তাদের বোঝাবার চেষ্টা করলাম যে, আমার ছেলে একজন প্রতিবন্ধী এবং এ ধরনের জোর করে একসঙ্গে এত লোকের ঘরে ঢোকার ঘটনা তার মধ্যে বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করতে পারে। কিন্তু আমার কথা না শুনে তারা প্রায় সবাই একসঙ্গে আমার ছেলে আমানের প্রাইভেসি ভেঙে তার রুমে গিয়ে ঢুকলো। আমান আর জোরাহ্ তখন প্রবল ঝড় ও বজ্রপাতের আঘাতে কোনো গাছে আটকে থাকা দু’টি কবুতরের মতো ভয়ে আতঙ্কে কাঁপছে। হতচকিত হয়ে আমান নেমে এলো তার বিছানা থেকে। আমি যথাসম্ভব স্বাভাবিক ব্যবহার করে মৃদুস্বরে তাদের পাশের ঘরে চলে যেতে বললাম। চলে যেতে যেতে আমান বারবার জিজ্ঞেস করছিল, “বাবা কি হয়েছে? এরা এখানে কেন?” আমার ভয় হচ্ছিল যে, সে হঠাৎ এমন কিছু না করে বসে যার ফলে একটা অপ্রীতিকর অবস্থার সৃষ্টি হয় ওর মধ্যে বাড়তি প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করতে পারে ভেবে আমি আর বেশি বাক্য ব্যয় করলাম না। আমি চুপ করে রইলাম। আমান চরমভাবে নার্ভাস ও উদ্বিগ্ন অবস্থায় জোরাহ্কে অনুসরণ করে পাশের ঘরে চলে গেল। জীবনে এই ভয়াবহ অভিজ্ঞতার ছাপ সম্ভবত তার সীমিত জীবনধারায় একটা মারাত্মক ক্ষতিকারক স্মৃতি হিসেবে স্থায়ীভাবে থেকে যাবে।
গতকাল ১৩ই এপ্রিল সকাল সাড়ে সাতটায় তল্লাশি শেষ হবার পর সেনাবাহিনীর মেজর আমাকে জানালো, “আপনাকে অ্যারেস্ট করা হলো, তৈরি হয়ে নিন, আপনাকে যেতে হবে আমাদের সঙ্গে।” জিজ্ঞেস করেছিলাম, “আপনাদের সঙ্গে কি কোর্টের কোনো অর্ডার আছে।” মেজর সাহেবরা আবার ইংরেজিতে কথা বলতে ভালোবাসেন। বললেন, “নো।” রিমান্ডে যখন জেরা করে সবসময় ইংরেজি ভাষা ব্যবহার করেছে। তখনো তাই।
ওদের সঙ্গে তর্ক করা ছিল বৃথা চেষ্টা। আমার বাড়িতে গৃহকর্মীরা ছাড়া অন্য কোনো লোকজন ছিল না। টেলিফোন সংযোগ ইতিমধ্যেই কেটে দেওয়া হয়েছিল। আমি কারো সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারছিলাম না। অতি নিকটাত্মীয়ের সঙ্গেও যোগাযোগের কোনো উপায় ছিল না। আমার বাড়ি বিরাট এক পুলিশবাহিনী ও সেনাবাহিনীর যানবাহন দিয়ে ঘিরে রাখা হয়েছিল। বাইরের কাউকে আমার বাসায় ঢুকতেও দেয়া হচ্ছিল না। গোটা পরিস্থিতি ছিল একটা যুদ্ধাবস্থার মতো, তারা যেন কোনো পরাজিত শত্রুর ক্যাম্প পাহারা দিচ্ছে। আমি বরাবরই একজন শান্তিপ্রিয় মানুষ। কোনো রকমের আগ্নেয়াস্ত্র আমার একেবারেই অপছন্দ। জীবনে একটা পাখিও আমি শিকার করতে চাইনি। আমার মতো নিরীহ একজনকে আটকাতে গিয়ে মহাপ্রস্তুতির কোনো দরকার ছিল না। রাষ্ট্রীয় সম্পদের এটা ছিল একটা অহেতুক অপচয়।
আমি খুব তাড়াতাড়ি হাতমুখ ধুয়ে একটা সাফারী স্যুট পরে নিলাম। কতদিন থাকতে হবে না জেনে ছোট্ট একটা ব্যাগে ভরে নিলাম প্রয়োজনীয় কিছু জিনিসপত্র। ফোনটা উঠিয়ে দেখলাম সেটা তখনো নিশ্চল। ৯টার দিকে আমাকে ওঠানো হলো কালো গ্রাসের জানালাওয়ালা একটা গাড়িতে। তাৎক্ষণিকভাবে বাঁধা হলো আমার চোখ। তারপর সেই গাড়ি প্রায় ডজনখানেক গাড়ির একটা বহরের পেছনে পেছনে চলতে থাকলো। আমার মনে হচ্ছিল সিনেমায় দেখা দৃশ্যের মতো, একজন অস্ত্র কিংবা ড্রাগ ব্যবসায়ী মাফিয়া সর্দারকে গোপন কোনো স্থান থেকে গ্রেপ্তার করে দু’পাশে কড়া পাহারা দিয়ে জেলখানার দিকে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। কোনো দিকে সে যাতে পালাতে না পারে সেটা নিশ্চিত করতে এই কঠিন নিরাপত্তা। বাড়ি থেকে বের হওয়ার সময় আমান ও জোরাহ্র কথা ভেবে আমার মনটা আরো বিষন্ন হলো নিচে নেমে এসে হয়তো তারা দেখবে তাদের বাবা নেই। মনে করবে আমি বোধহয় কোনো কাজে চলে গেছি। তারা হয়তো কিছুতেই বুঝতে পারবে না যে, জীবনের সবচেয়ে চরম অপদস্থ ও অত্যাচার-নির্যাতন করতে তাদের ৭০ বছরের বাবাকে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে এক অজানা অন্ধকারের দিকে।
আগের কথায় ফিরে আসি। সেদিন ছিল ১৪ই এপ্রিল। বাংলা নববর্ষের দিন। এক ঘণ্টা পর আবার দু’জন লোক এসে হাজির হলো। আমাকে বললো, ওদের সঙ্গে যেতে হবে। “কোথায়?” আমি জিজ্ঞেস করলাম। গতকাল যাদের সঙ্গে কথা বলেছিলেন সেই একই টিমের কাছে, এরা বললো ওদের একজন  ইতিমধ্যেই আমাকে নিজের পরিচয় দিয়ে বলেছে ওর নাম হযরত আলী। খসখসে গলায় সে বললো, “আপনার নাম আজ খবরের কাগজের পৃষ্ঠাজুড়ে লাল কালির হেডলাইন হয়েছে। বিরাট বড় করে ছবিও ছাপা হয়েছে। আপনার বাড়ি থেকে ওরা বিপুল পরিমাণে লুকিয়ে রাখা বিদেশি মদের বোতল ও গরিবদের মাঝে সরকারের বিতরণ করার জন্য দেওয়া সিল্কের শাড়ি উদ্ধার করেছে। আপনি গরিবদের প্রাপ্য জিনিসগুলো চুরি করেছেন। এসব ছাপানো হয়েছে।” আমি কিছু জিজ্ঞেস করার আগেই সে বললো, “লোকজন কি তা বিশ্বাস করবে?” আমি বললাম, “হ্যা। প্রথম প্রথম লোকজন তা বিশ্বাস করবে। পরে ক্রমান্বয়ে তারা এ বিষয়ে আগ্রহ হারিয়ে ফেলবে, ধীরে ধীরে তা ভুলেও যাবে।” সে বললো, “কিন্তু এতে আপনার সুনামের অনেক ক্ষতি হয়েছে।” আমি বললাম, “সেটাই তাদের উদ্দেশ্য।”
রাজনীতিবিদদের পূর্ব পরিকল্পিতভাবে চরিত্রহনন এবং গণনিন্দিত করতে সামরিক সরকার খুব পরিপক্ক। এটা চিরন্তন একটা ব্যাপার। তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলোতে এসব ঘটনা সবসময় দেখা যায়। সত্যিকারের আইনানুগ কোনো পদক্ষেপ না নিয়ে প্রায় সময় প্রচার মাধ্যমের কাঠগড়ায় দাঁড় করায়। রাজনীতিবিদদের তথাকথিত বিচার করার উদ্যোগ নেয়। এটা খুবই সাধারণ একটা ব্যাপার। মনে মনে এসব চিন্তা করে নিজেকে প্রবোধ দিলাম।
আমি প্রস্তুত হয়ে নিলাম এবং ওরা এগিয়ে আসার আগে স্বতঃপ্রবৃত্ত হয়েই আমার দুচোখ বেঁধে দেয়ার অনুরোধ জানালাম। আমাকে আবার নিয়ে যাওয়া হলো পুরনো সেই টর্চার চেম্বারে। আমার কপালে কী আছে আন্দাজ করতে পারিনি। তাদেরকে মনে হলো আগের দিনের মতোই উদ্ধত। তবে মনে হলো সংখ্যায় তারা সেদিনের চেয়ে কম। “গতরাতে আপনার আলোচনা কেমন হলো?” একজন জিজ্ঞেস করলো আমাকে। এটা ছিল একটা কঠিন প্রশ্ন -যার উত্তর সহজে দেওয়ার নয়। ভাবতে ভাবতে আমি কথা বলার ইচ্ছা হারিয়ে ফেললাম। ভেতরে ভেতরে রাগে আমার মন ক্ষুব্ধ হয়ে উঠলো। ওদের তুলনায় এরা আমার সঙ্গে যে কুৎসিত আচরণ করেছে এবং যে কদর্য ভাষা ব্যবহার করেছে সেই দুর্ব্যবহারের জন্য তাদের মনে মনে অভিসম্পাত দিচ্ছিলাম। তবে অনেক কষ্টে নিজেকে সংযত রাখলাম।
আর একজন গতকালের জিজ্ঞাসাবাদের প্রসঙ্গ টেনে প্রশ্ন করলো, “তাহলে গতরাতে কি আপনার লুকোনো সম্পদ সম্পর্কে জানাবার বিষয়টি নিয়ে চিন্তা করেছেন?” “আমার লুকানো কোনো সম্পদ নেই।” সোজা জবাব দিলাম। আসলে এ নিয়ে সারা রাত আমি ভাববার সময়ই পাইনি। সারা রাত আমার কেটেছে মশককুলের আক্রমণের মধ্য দিয়ে। ভোররাত কেটেছে ওদের উপরের ঘরে অপর টিমের জিজ্ঞাসাবাদে। “আজ সকালে আপনাকে কোর্টে হাজির করা হবে এবং তখনই আপনি নিজের অপরাধ সম্পর্কে সবকিছু জানতে পারবেন।” এ কথা শোনামাত্র স্বস্তির এক তরঙ্গ বয়ে গেল আমার দেহমনের উপর দিয়ে। তাহলে শেষ পর্যন্ত মহান আলাহর দয়ায় আমি এই ‘ব্লাক হোল’ থেকে বের হয়ে মুক্ত হাওয়ায় ফিরে যেতে পারবো, এর চেয়ে ভালো আর কিছুই হতে পারে না। গতদিনে এবং রাতে আমার উপর দিয়ে যে ঝড় বয়ে গেছে তা যেন কয়েক মুহূর্তের জন্য আমি ভুলে গেলাম।

(চলবে..)

আরও পড়ুন-
মওদুদ আহমদ যখন রিমান্ডে (১)
মওদুদ আহমদ যখন রিমান্ডে (২)
মওদুদ আহমদ যখন রিমান্ডে (৩)
মওদুদ আহমদ যখন রিমান্ডে (৪)

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
Shamsul Hoque
২৬ মার্চ ২০২১, শুক্রবার, ৪:৪৬

জনাব মওদুদ আহমেদের মত জ্ঞান-বুদ্ধি সম্পন্ন লোকের জন্ম যুগে যুগে ঘটে না । বিদেশের মাটি থেকে এই দোয়া করি আল্লাহ যেন তাকে ভালো রাখেন বেহেশতে রাখেন ।

Badsha Wazed Ali
২৫ মার্চ ২০২১, বৃহস্পতিবার, ৫:৪১

জনাব মওদুদ আহমেদের মত জ্ঞান-বুদ্ধি সম্পন্ন মানুষ খুবকমই দেখা যায়। তিনি যে সব বই লিখেছেন ইংরেজিতে, তার মূল্যায়ন করা কঠিণ। তার ইংরেজি প্রজ্ঞা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি শিক্ষককে হার মানাবে। অনেক বছর যাবত বিদেশে অধ্যাপনা করেও, অনেকেই বিষয় ভিত্তিক বাদে ভাল ইংরেজি বলতে পারে না। বই লেখা তো দুরের কথা। তবে, তার ভুল সিদ্ধান্তও আছে। এরশাদের দলে যোগ দেওয়া ছিল মস্তবড় ভুল। খালদা সরকারের সময় তত্বাবধায়ক সরকরের প্রধানের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তরের সময় নানা টালবাহানা জনগণের কাছে উচিৎ বলে মনে হয়নি।

Md. Harun al-Rashid
২৫ মার্চ ২০২১, বৃহস্পতিবার, ৪:৪১

স্ব- আরোপিত সেনসরের নিয়ম মানতে গিয়ে পুরো পৃষ্ঠাটি মুদ্রাকরের ভুল হিসেবেই সাদা রেখে দিলাম।

অন্যান্য খবর