× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজানস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীসেরা চিঠি
ঢাকা, ২৪ জুলাই ২০২১, শনিবার, ১৩ জিলহজ্জ ১৪৪২ হিঃ
খেলা

হতাশার গল্প মুছে সামনে এগুতে চাই

স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী

কাজী মোহাম্মদ সালাউদ্দিন
২৬ মার্চ ২০২১, শুক্রবার

যতখানি এগিয়ে যাওয়ার কথা ছিল বা যে ধরনের হওয়া উচিত ছিল ততটা হয়নি। আমাদের দেশের সব সেক্টরই খুব এগিয়ে গেছে কিন্তু স্পোর্টস সেক্টর সেভাবে আগায়নি। হয়তো আমাদের দোষ, ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের দোষ বা কার দোষ আমি জানি না। কিন্তু পরিকল্পনার দিক থেকে এই সেক্টরটি সবচেয়ে পিছিয়ে আছে।

দিন যত গড়িয়েছে দেশের ফুটবলে বেড়েছে দীর্ঘশ্বাস। গর্বের জায়গা কমে বেড়েছে আক্ষেপ। স্বাধীনতা-উত্তর বাংলাদেশের জমজমাট ক্লাব ফুটবলটা কোথায় যে কীভাবে উড়ে গেল। সেই তর্ক-বিতর্কের মাঝেই খাবি খাচ্ছে দেশের ফুটবল। তবে উন্নত হয়েছে মানসিকতার।
গেল এক দশকে বাংলাদেশের মেয়েরা ফুটবলে এখন নিয়মিত। ছেলেদের চেয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বেশি গর্বিত করছে বাংলার মেয়েরা। গেল পঞ্চাশ বছরে একবারই পুরুষ দল সাফ ফুটবলে চ্যাম্পিয়ন আর এসএ গেমসে স্বর্ণপদক জেতে। বিজয়ের সুবর্ণ জয়ন্তীতে দাঁড়িয়ে ক্রিকেট ফুটবল বাদে দেশের ক্রীড়াঙ্গনে চেনা মুখ হাতে গোনা। গলফে সিদ্দিক; জিতেছেন এশিয়ান ট্যুর। আর্চারিতে গেল এসএ গেমসেই রোমান সানারা গলায় ঝুলান দশ স্বর্ণের সবক’টা। এসএ গেমসে স্বর্ণ জিতে মাবিয়ার কান্না গোটা বাঙালির হৃদয় ছুঁয়েছে তো সাঁতারে শিলাও নাম কুড়িয়েছেন। তবে, দক্ষিণ এশিয়ার বাইরে সাফল্য ছিটেফোঁটা। যা এসেছে, এনেছেন শুটাররা। সেই ১৯৯০ সাল থেকে শুরু ১৯৯৭, ২০১০, ১৪ কিংবা ১৮ শুটিংয়ে কমনওয়েলথে পদক এসেছে বারবার।

ক্রীড়াবান্ধব প্রধানমন্ত্রী থাকলেও এই অঙ্গনে ক্রীড়াঙ্গনকে এগিয়ে নেয়ার মতো মন্ত্রী বাংলাদেশ পেয়েছে ক’বার। সেই প্রশ্নটা এখন প্রায়ই সামনে আসে। স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীতে দাঁড়িয়ে বলতে হয় আমাদের ক্রীড়াঙ্গনে টুকরো টুকরো কিছু সফলতা হয়তো এসেছে। কিন্তু এই অর্জনগুলোকে আমি মোটেও কাঙ্ক্ষিত বলতে চাই না। বলবো আমাদের সব জায়গাতে পরিকল্পনার বিস্তর অভাব রয়েছে। যে ক্রীড়ামোদী প্রধানমন্ত্রী পেয়েছি তাকে আমরা কাজে লাগাতে পারছি না। হয়তো এখানে আমারও ব্যর্থতা আছে। সেটা স্বীকার করতে আমার কোনো লজ্জা নেই। দেশের সার্বিক উন্নয়নের সঙ্গে কোনো মতেই ক্রীড়াঙ্গনকে মেলানো যাবে না। আমাদের অন্যান্য সেক্টর যেভাবে পরিকল্পনা নিয়ে এগিয়েছে সেভাবে আমরা পারছি না। যদিও এর অন্যতম একটা কারণ, অর্থ। ক্রীড়া উন্নয়নে যে পরিমাণ অর্থ দরকার সময়মতো হয়তো সেটা পাচ্ছি না। যতটুকু পাচ্ছি, তারও সঠিক ব্যবহার আমরা করতে পারছি না। এসব কারণেই হয়তো স্বাধীনতার সুর্বণ জয়ন্তীতে আমাদের ক্রীড়াঙ্গন কাঙ্ক্ষিত জায়গায় পৌঁছাতে পারেনি।

হতাশার গল্পগুলো মুছে ফেলে সামনে এগোতে সঠিক পরিকল্পনা ও পৃষ্ঠপোষকতার সঙ্গে থাকা চাই সাফল্যের তীব্র ক্ষুধা।

লেখক: বাফুফে সভাপতি

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর