× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজানস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী
ঢাকা, ১৪ মে ২০২১, শুক্রবার, ১ শওয়াল ১৪৪২ হিঃ
প্রার্থীর পায়ে পায়ে (ছয়)

আইপিএস বনাম আইপিএস, ডেবরায় পুলিশি যুদ্ধ নিয়ে সরগরম ভোট

ভারত


(১ মাস আগে) মার্চ ২৬, ২০২১, শুক্রবার, ১১:৩৫ পূর্বাহ্ন
হুমায়ুন কবীর ও ভারতী ঘোষ

(পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা ভোট নিয়ে মানবজমিনের অন্তর্তদন্তের আজ ষষ্ঠ কিস্তি। আজ ডেবরা বিধানসভা কেন্দ্র।  লিখছেন জয়ন্ত চক্রবর্তী)
একজন ছিলেন চন্দননগরের পুলিশ কমিশনার। কয়েকমাস আগেও। অন্যজন কয়েক বছর আগে জঙ্গলমহলের জেলার দোর্দণ্ডপ্রতাপ এসপি। একজন হুমায়ুন কবির, অন্যজন ভারতী ঘোষ। হুমায়ুন তৃণমূলের হয়ে লড়ছেন,  ভারতী বিজেপির প্রার্থী। আর এই দুয়ের টানাপোড়েনে তপ্ত ডেবরার মাটি। সেই ডেবরা যেখানে সত্তরের দশক মুক্তির দশক স্লোগান তুলে আর গুলির লড়াইয়ে মাটি ভিজে লাল হয়েছিল।
এবার এখানে আইপিএস যুদ্ধ। তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী হুমায়ুন কবিরের দিব্য রোমান্টিক চেহারা। ছবির পরিচালকও বটে। প্রচারে নেমে বলছেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সংগ্রামই তাকে রাজনীতিতে আসতে উদ্বুদ্ধ করেছে। রাফ আন্ড টাফ ভারতী ঘোষ একসময়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে মা বলে ডেকেছিলেন। প্রচারে নেমে তিনি বলছেন, মা ডাকটা নবান্নর স্ক্রিপ্টেড ছিল। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দলের দুর্নীতি দেখেই তিনি বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন। অর্থাৎ এই দুই আইপিএস লড়াইয়ে নেমেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ইমেজ নিয়ে এবং ইমেজের বিরুদ্ধে। দুজনেই এলাকায় ঘুরছেন ঘূর্ণাবত্যের মতো। দুজনেই প্রাক্তন পুলিশ অফিসার হওয়ায় পুলিশের কলা কৌশল ভালোমত জানেন। তাই এবার ডেবরার লড়াইকে অনেকে শেয়ানে শেয়ানে যুদ্ধ বলছেন। ডেবরার মানুষজন কি বলছেন? তাঁরা এবার নন কমিটাল। যুদ্ধের আগে রণভূমি হটাৎ যেমন শান্ত হয়ে যায় ডেবরা এখন অনেকটা সে রকম। হুমায়ুন কবির জিপে করে ঘুরছেন, ভারতী স্করপিওতে। ভোটের দিন কে কতটা সক্রিয় থাকতে পারেন তার ওপরই নির্ভর করবে ডেবরার চিত্রনাট্য। দুজনেই এখন ব্যস্ত ঘর গোছাতে। দুই আইপিএস এর লড়াই ডেবরাকে রণভূমি করেছে।  হুমায়ুন এবং ভারতী দুজনকেই বহিরাগত মনে করছেন ডেবরার মানুষ। তা হলেও আইপিএস বলে কথা। ৬৫ বছরের সুশীলা দেবী মাথায় হাত ঠেকিয়ে বললেন, যেই জিতুক আমাদের কিছু হবে না। ওই যে বলেনা -রাজায় রাজায় যুদ্ধ হয় আর উলুখাগড়াদের প্রাণ যায়!

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর